স্টাফ রিপোটর্ার
কক্সবাজারের বিচ্ছিন্ন দ্বীপ উপজেলা কুতুবদিয়া থানার সেই বিতর্কিত ওসি আবদুল্লাহ আল মামুন (তদন্ত) এখনো বহাল তবিয়তে। তার অপকের্মর অভিযোগ পেয়েও পুলিশের উর্দ্ধতন কতর্ৃপক্ষ এখনো কোন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। এ নিয়ে স্থানীয় দ্বীপবাসীরা অতিষ্ট হয়ে পড়েছে। এছাড়াও খোদ কুতুবদিয়া থানার অন্যান্য কর্মকতর্ারাও ওসি (তদন্ত) এর কর্মকান্ডে বিপাকে পড়েছেন। এদিকে গত
কয়েকদিন ধরে পুরো কুতুবদিয়াজুড়ে ওসি মামুনের অপসারন দাবিতে সোচ্চার হয়ে উঠেছেন সচেতন সমাজ ও বিভিন্ন সংগঠন। কুতুবদিয়া দ্বীপবাসীর পক্ষে গত ১০ জানুয়ারী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী,পুলিশের মহা-পরিদর্শক (আইজিপি) ও চ্ট্গ্রামের ডিআইজিকে লিখিতভাবে ওসি মামুনকে অপসারণসহ তদন্তপূর্বক তার বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন করা হলেও অদ্যবধি পর্যন্ত কোন কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি সংশ্লিষ্ট কতর্ৃপক্ষ। অভিযোগ উঠেছে,কুতুবদিয়া থানার ওসি (তদন্ত) ক্ষমতার অপব্যবহার,এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের সাথে সখ্যতা,ওয়ারেন্ট ছাড়াই নিরাপরাধ যেকোন ব্যক্তিকে থানায় ডেকে এনে অযথা হয়রানী,বেপরোয়া ঘুষ বানিজ্য,মামলার চার্জশীট প্রদানে মামলার বাদী-বিবাদীদের হয়রানীসহ আরো বহু অভিযোগ পাওয়া গেছে। এছাড়াও এ ওসির বিরুদ্ধে স্থানীয় উপজেলা সদরের বড়ঘোপ বাজারের ব্যবসায়ীরা দিনে-দুপুরে মদ্যপ অবস্থায় মাতলামী করার ও গুরুতর অভিযোগ করেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়,গত ০১/০৫/১১ ইং তারিখে ওসি মামুন কুতুবদিয়া থানায় অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) হিসেবে যোগদান করার পর থেকে উপজেলার ৬ ইউনিয়নের চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের সাথে বিশেষ দহরম-মহরম ও সখ্য গড়ে তোলে নানা অনৈতিক কর্মকান্ড করেই যাচ্ছে। এদিকে গত ৮ জানুয়ারী বিকালে উপজেলার আলী আকবর ডেইল ইউনিয়নের তাবলের চর গ্রামে ওসি মামুন স্থানীয় প্রভাবশালী এক বিএনপি নেতার কাছ থেকে মোটা অংকের উৎকোচ নিয়ে চট্টগ্রাম মৎস্য বন্দর থেকে কোস্ট গার্ডের কিছু দূনর্ীতিবাজ কর্মকতর্াদের ভাড়া করে এনে এক নিরাপরাধ ব্যক্তির বসত ঘরে কথিত সাজানো অভিযান চালিয়ে এলাকায় আতংক সৃষ্টি করে। এর পর থেকে দ্বীপের দূর্গম ওই তাবলের চর গ্রামে ওসি মামুন আতংক বিরাজ করছে। তাবলের চর গ্রামের স্থানীয় বাসিন্দারা জানান,পেকুয়ার করিয়ার দিয়া গ্রাম থেকে গত কিছু দিন পূর্বে পৈত্রিক নিবাসে স্বপরিবারে বেড়াতে আসে আ'লীগ নেতা আকতার কামাল চৌধুরীকে কোন মামলার ওয়ারেন্ট ছাড়াই থানায় নিয়ে যান ওই বিতর্কিত ওসি। এছাড়া আকতার কামালের লাইসেন্স করা করা একটি অস্ত্র ও থানায় নিয়ে যায়। পরে ওসি মামুন আকতারের কামালের বৈধ অস্ত্রকে অবৈধ বলে প্রচার করে তার বিরুদ্ধে একটি অস্ত্র আইনে কোস্ট গার্ডের এক কর্মকতর্াকে বাদী সাজিয়ে একটি হয়রানীমূলক মামলা দায়ের করে। এ ব্যাপারে আকতার কামালের স্ত্রী আকলিমা আকতার রেখা জানান,ওসি মামুন কোন কারণ ছাড়াই কোস্ট গার্ড এনে আমার স্বামীকে আটকসহ আমার দু'স্কুল পড়ুয়া কোমলতি সন্তানকে ব্যাপক মারধর করেছে। আর আমরা বেড়াতে তাবলের চরে বেড়াতে আসার সময় লাইসেন্স করা অস্ত্রটি চুরি হয়ে যাওয়ার ভয়ে নিয়ে আসি। এই সুযোগগে পুঁজি করে ওই দূনর্ীতিবাজ পুলিশ কর্মকতর্া অতি উৎসাহী হয়ে আমাদের পুরো পরিবারকে হয়রানী করেই যাচ্ছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে,দ্বীপের আলী আকবর ডেইল ইউনিয়নের তাবলের চর গ্রামের খুনসহ প্রায় ডজন মামলার আসামী ও বক্তার বাহিনীর প্রধাণ সন্ত্রাসী বক্তার আলম (৪৮) এর লোকজনের সাথে বিশেষ সখ্যতা রয়েছে বলেও গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। ওসির সাথে সখ্যতা থাকার সুবাধে ওই বক্তার বাহিনীর লোকজন এলাকার সাধারন মানুষদের জিম্মি করে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে। তাবলের চরের সাধারন মানুষ আজ দূর্ধর্ষ সন্ত্রাসী বক্তার বাাহিনীর কাছে জিম্মি হয়ে চরমভাবে নিরাপত্তহীনতায় রয়েছে। এলাকার সাধারন মানুষদের লবণ চাষের জমি দখল,চাঁদাবাজী,হামলা ও ভাংচুরসহ অন্যান্য অপরাধ কর্মকান্ড করে বক্তার বাহিনী এলাকায় মূর্তিমান আতংকে পরিণত হয়েছে। জানা যায়,গত ১০ ডিসেম্বর তাবলের চরের সাধারন লবণ চাষীদের পানি সেচের ১০টি মেশিন ও প্রায় ৪লাখ টাকার পলিথিন প্রকাশ্যে লুট করে নিয়ে যায় ওই বাহিনীর লোকজন। এছাড়াও গত বছর ওই বক্তার বাহিনীর লোকজন তাবলের চর বাজারে স্থানীয় আ'লীগ কাযর্ালয়ে প্রকাশ্যে হামলা চালিয়ে বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি ভাংচুরসহ ব্যাপক ক্ষতি সাধন করেছিল। পরে এ অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে কুতুবদিয়া থানায় মামলা হয়েছিল। এ ভাবে বক্তার বাহিনী লোকজন কুতুবদিয়া থানার ওসি (তদন্ত) ছত্রছায়ায় অবস্থান করে এলাকায় বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। স্থানীয় তাবলের চরের বাসিন্দারা অবিলম্বে থানার বিতর্কিত ওসি মামুনকে কুতুবদিয়া থানা থেকে প্রত্যাহার করারও দাবী জানিয়েছেন। এসব অভিয়োগের ব্যাপারে জানতে গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কুতুবদিয়া থানার ওসি (তদন্ত) মো: আবদুল্লাহ আল মামুনের সাথে ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করে বলেন,মহল বিশেষ ভিত্তিহীন অভিযোগ তুলে আমার বিরুদ্ধে ষডযন্ত্র করছে। দ্বীপের কোন সন্ত্রাসীদের সাথে তার কোন সম্পর্ক নেই বলেও দাবী করেছেন।
কক্সবাজারের বিচ্ছিন্ন দ্বীপ উপজেলা কুতুবদিয়া থানার সেই বিতর্কিত ওসি আবদুল্লাহ আল মামুন (তদন্ত) এখনো বহাল তবিয়তে। তার অপকের্মর অভিযোগ পেয়েও পুলিশের উর্দ্ধতন কতর্ৃপক্ষ এখনো কোন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। এ নিয়ে স্থানীয় দ্বীপবাসীরা অতিষ্ট হয়ে পড়েছে। এছাড়াও খোদ কুতুবদিয়া থানার অন্যান্য কর্মকতর্ারাও ওসি (তদন্ত) এর কর্মকান্ডে বিপাকে পড়েছেন। এদিকে গত
কয়েকদিন ধরে পুরো কুতুবদিয়াজুড়ে ওসি মামুনের অপসারন দাবিতে সোচ্চার হয়ে উঠেছেন সচেতন সমাজ ও বিভিন্ন সংগঠন। কুতুবদিয়া দ্বীপবাসীর পক্ষে গত ১০ জানুয়ারী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী,পুলিশের মহা-পরিদর্শক (আইজিপি) ও চ্ট্গ্রামের ডিআইজিকে লিখিতভাবে ওসি মামুনকে অপসারণসহ তদন্তপূর্বক তার বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন করা হলেও অদ্যবধি পর্যন্ত কোন কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি সংশ্লিষ্ট কতর্ৃপক্ষ। অভিযোগ উঠেছে,কুতুবদিয়া থানার ওসি (তদন্ত) ক্ষমতার অপব্যবহার,এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের সাথে সখ্যতা,ওয়ারেন্ট ছাড়াই নিরাপরাধ যেকোন ব্যক্তিকে থানায় ডেকে এনে অযথা হয়রানী,বেপরোয়া ঘুষ বানিজ্য,মামলার চার্জশীট প্রদানে মামলার বাদী-বিবাদীদের হয়রানীসহ আরো বহু অভিযোগ পাওয়া গেছে। এছাড়াও এ ওসির বিরুদ্ধে স্থানীয় উপজেলা সদরের বড়ঘোপ বাজারের ব্যবসায়ীরা দিনে-দুপুরে মদ্যপ অবস্থায় মাতলামী করার ও গুরুতর অভিযোগ করেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়,গত ০১/০৫/১১ ইং তারিখে ওসি মামুন কুতুবদিয়া থানায় অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) হিসেবে যোগদান করার পর থেকে উপজেলার ৬ ইউনিয়নের চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের সাথে বিশেষ দহরম-মহরম ও সখ্য গড়ে তোলে নানা অনৈতিক কর্মকান্ড করেই যাচ্ছে। এদিকে গত ৮ জানুয়ারী বিকালে উপজেলার আলী আকবর ডেইল ইউনিয়নের তাবলের চর গ্রামে ওসি মামুন স্থানীয় প্রভাবশালী এক বিএনপি নেতার কাছ থেকে মোটা অংকের উৎকোচ নিয়ে চট্টগ্রাম মৎস্য বন্দর থেকে কোস্ট গার্ডের কিছু দূনর্ীতিবাজ কর্মকতর্াদের ভাড়া করে এনে এক নিরাপরাধ ব্যক্তির বসত ঘরে কথিত সাজানো অভিযান চালিয়ে এলাকায় আতংক সৃষ্টি করে। এর পর থেকে দ্বীপের দূর্গম ওই তাবলের চর গ্রামে ওসি মামুন আতংক বিরাজ করছে। তাবলের চর গ্রামের স্থানীয় বাসিন্দারা জানান,পেকুয়ার করিয়ার দিয়া গ্রাম থেকে গত কিছু দিন পূর্বে পৈত্রিক নিবাসে স্বপরিবারে বেড়াতে আসে আ'লীগ নেতা আকতার কামাল চৌধুরীকে কোন মামলার ওয়ারেন্ট ছাড়াই থানায় নিয়ে যান ওই বিতর্কিত ওসি। এছাড়া আকতার কামালের লাইসেন্স করা করা একটি অস্ত্র ও থানায় নিয়ে যায়। পরে ওসি মামুন আকতারের কামালের বৈধ অস্ত্রকে অবৈধ বলে প্রচার করে তার বিরুদ্ধে একটি অস্ত্র আইনে কোস্ট গার্ডের এক কর্মকতর্াকে বাদী সাজিয়ে একটি হয়রানীমূলক মামলা দায়ের করে। এ ব্যাপারে আকতার কামালের স্ত্রী আকলিমা আকতার রেখা জানান,ওসি মামুন কোন কারণ ছাড়াই কোস্ট গার্ড এনে আমার স্বামীকে আটকসহ আমার দু'স্কুল পড়ুয়া কোমলতি সন্তানকে ব্যাপক মারধর করেছে। আর আমরা বেড়াতে তাবলের চরে বেড়াতে আসার সময় লাইসেন্স করা অস্ত্রটি চুরি হয়ে যাওয়ার ভয়ে নিয়ে আসি। এই সুযোগগে পুঁজি করে ওই দূনর্ীতিবাজ পুলিশ কর্মকতর্া অতি উৎসাহী হয়ে আমাদের পুরো পরিবারকে হয়রানী করেই যাচ্ছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে,দ্বীপের আলী আকবর ডেইল ইউনিয়নের তাবলের চর গ্রামের খুনসহ প্রায় ডজন মামলার আসামী ও বক্তার বাহিনীর প্রধাণ সন্ত্রাসী বক্তার আলম (৪৮) এর লোকজনের সাথে বিশেষ সখ্যতা রয়েছে বলেও গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। ওসির সাথে সখ্যতা থাকার সুবাধে ওই বক্তার বাহিনীর লোকজন এলাকার সাধারন মানুষদের জিম্মি করে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে। তাবলের চরের সাধারন মানুষ আজ দূর্ধর্ষ সন্ত্রাসী বক্তার বাাহিনীর কাছে জিম্মি হয়ে চরমভাবে নিরাপত্তহীনতায় রয়েছে। এলাকার সাধারন মানুষদের লবণ চাষের জমি দখল,চাঁদাবাজী,হামলা ও ভাংচুরসহ অন্যান্য অপরাধ কর্মকান্ড করে বক্তার বাহিনী এলাকায় মূর্তিমান আতংকে পরিণত হয়েছে। জানা যায়,গত ১০ ডিসেম্বর তাবলের চরের সাধারন লবণ চাষীদের পানি সেচের ১০টি মেশিন ও প্রায় ৪লাখ টাকার পলিথিন প্রকাশ্যে লুট করে নিয়ে যায় ওই বাহিনীর লোকজন। এছাড়াও গত বছর ওই বক্তার বাহিনীর লোকজন তাবলের চর বাজারে স্থানীয় আ'লীগ কাযর্ালয়ে প্রকাশ্যে হামলা চালিয়ে বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি ভাংচুরসহ ব্যাপক ক্ষতি সাধন করেছিল। পরে এ অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে কুতুবদিয়া থানায় মামলা হয়েছিল। এ ভাবে বক্তার বাহিনী লোকজন কুতুবদিয়া থানার ওসি (তদন্ত) ছত্রছায়ায় অবস্থান করে এলাকায় বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। স্থানীয় তাবলের চরের বাসিন্দারা অবিলম্বে থানার বিতর্কিত ওসি মামুনকে কুতুবদিয়া থানা থেকে প্রত্যাহার করারও দাবী জানিয়েছেন। এসব অভিয়োগের ব্যাপারে জানতে গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কুতুবদিয়া থানার ওসি (তদন্ত) মো: আবদুল্লাহ আল মামুনের সাথে ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করে বলেন,মহল বিশেষ ভিত্তিহীন অভিযোগ তুলে আমার বিরুদ্ধে ষডযন্ত্র করছে। দ্বীপের কোন সন্ত্রাসীদের সাথে তার কোন সম্পর্ক নেই বলেও দাবী করেছেন।

0 Comments