Advertisement

বৃহস্পতিবার নতুন মন্ত্রিসভার গেজেট প্রকাশ

আগামীকাল বৃহস্পতিবার ছোট পরিসরে মন্ত্রিসভার দপ্তর বণ্টন করে গেজেট প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
নবম জাতীয় সংসদের ১৯তম অধিবেশনে সমাপনী ভাষণে প্রধানমন্ত্রী এ তথ্য জানান। বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় তিনি এ ভাষণ শুরু করেন।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আজ সংসদ অধিবেশন শেষ হচ্ছে। ইতোমধ্যে মন্ত্রিসভা গঠন হয়ে গেছে, দপ্তর বণ্টনও হয়ে গেছে, কাল গেজেট হবে।’
তিনি বলেন, ‘মন্ত্রীরা নীতিগত কোনো সিদ্ধান্ত নেবে না। তারা শুধুমাত্র সরকারের রুটিন কাজ করবে।’
ভাষণের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘নবম জাতীয় সংসদে ৪২৮টি কার্যদিবস অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশের ইতিহাসে এটাই সর্বাধিক কার্যদিবস। সর্বাধিক আইন এ সংসদে পাস করেছি। দুটি বেসরকারি বিলসহ ২৭১টি আইন এ সংসদে পাস হয়েছে।’
চারদলীয় জোট সরকারের অষ্টম সংসদের তুলনা করে তিনি বলেন, ‘অষ্টম সংসদে ৩৭৩টি কার্যদিবস ছিল ও শতাধিক বিল পাস হয়েছে।’
প্রধামন্ত্রী বলেন, ‘মহমান্য হাইকোর্টের একটি রায়ের মাধ্যমে বাংলাদেশে মার্শাল ল জারি করে ক্ষমতা দখল নেয়া এবং আইন প্রণয়ন অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। হাইকোর্ট একটি ঐতিহাসিক রায় দিয়েছেন। ৩৮ বছর ক্ষমতার পরিবর্তন সাংবিধানিক হয়নি। প্রতিবারই কোনো না কোনো আন্দোলন ও সংগ্রাম করতে হয়েছে। ৩৮ বছরে মাত্র একবার শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর হয়েছে ২০০১ সালে। এছাড়া আর কখনও সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর হয়নি। যেটা জাতির জন্য অত্যন্ত দুর্ভাগ্যের।’
আগামীতে যাতে কেউ কোনোভাবে কোনো ফাঁক ফোকরে অসাংবিধানিকভাবে ক্ষমতা দখল করতে না পারে, সে জন্যই সংবিধান সংশোধন করা হয়েছে বলেও দাবি করেন প্রধানমন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করেছিলাম। নির্বাচন পর্যন্ত সংসদ চালিয়ে নেয়ার জন্য রাষ্ট্রপতি অনুমতি দিয়েছেন।’
তিনি তার বক্তৃতায় প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানকে তার বক্তব্যেও স্মরণ করেন। এছাড়া তিনি স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার, সংসদ উপনেতা, বিরোধীদলীয় নেতা মন্ত্রিপরিষদ, সংসদ সদস্য, সংসদ সচিবালয়ের সব কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ধন্যবাদ জানান।
সবশেষে প্রধানমন্ত্রী তার একমাসের বেতন সংসদের কর্মকর্তা-কর্মচারী, সংসদ চলাকালে দৈনন্দিন বার্তাবাহককে বণ্টন করে দেয়ার জন্য স্পিকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।