এসএম হান্নান শাহ
চকরিয়ায় চিংড়ি জমি বরাদ্দ দেয়ার নামে মোটা অংকের টাকা আদায় করা হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। উপজেলার পূর্ব বড়ভেওলা ইউনিয়ন ভূমি সহকারী আবুল
মনসুরের বিরুদ্ধে চিংড়ি চাষীরা এ অভিযোগ তুলেছে।
চিংড়ি চাষীরা জানায়, পূর্ব বড়ভেওলা ইউনিয়ন ভূমি সহকারী আবুল মনসুর যারা চিংড়ি জমি লীজ নেয়ার জন্য আবেদন করেছে তাদের প্রস্তাবের পক্ষে প্রতিবেদন দেয়ার নামে জনপ্রতি ১০ থেকে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত হাতিয়ে নিচ্ছে। যারা টাকা দিতে পারছে না তারা প্রকৃত চিংড়ি চাষী হওয়া সত্তেও টাকার কারণে তাদের নামে প্রস্তাব গুলো ফেলে রেখেছে। এ ছাড়াও নানা অজুহাতে আবুল মনসুর এলাকার মানুষদের নানাভাবে হয়রানি করছে। তার দূর্নীতি ও অনিয়মের কারণে এলাকার মানুষ অতিষ্ট হয়ে উঠেছে। শাহারবিলের কোরালখালীর মোঃ শাহ আলম তার এই দূর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে ভূমি মন্ত্রণালয়ের সচিবের বরাবরে একটি অভিযোগ দিয়েছেন। ভূমি মন্ত্রণালয় হতে বিষয়টি তদন্ত করে অবহিত করার জন্য কক্সবাজার জেলা প্রশাসককে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। একইভাবে চকরিয়া জেলার হারবাং ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান নুরুল আলমসহ আরো ১০ ব্যক্তি একই আবেদনে স্বাক্ষর করে ওই ইউনিয়ন ভূমি সহকারীর বিরুদ্ধে খতিয়ান সৃজনের সময় ১০ থেকে ১ লাখ টাকা পর্যন্ত টাকা করে নেয়ার অভিযোগ আনে। এসব দূর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ তুলায় আবুল মনসুর চেয়ারফাড়ির বাজার ব্যবসায়ীদের নানা ভাবে হুমকি দিচ্ছে। অভিযোগকারীরা জানান, ভূমি সহকারী আবুল মনসুর চিংড়ি চাষী ছাড়াও এল.আর স্টেটমেন্ট গোপন করে টাকা আদায়, খাজনার টাকা বেশী আদায় করে নিজের পকেটস্থ করা, বিভিন্ন উপায়ে টাকা আদায় করছে। এলাকাবাসি পূর্ব বড়ভেওলা ইউনিয়ন ভূমি সহকারী আবুল মনসুরের বিরুদ্ধে এসব দূর্নীতির অভিযোগ তদন্ত করে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়ার জন্য দাবী জানিয়েছেন।

0 Comments