Advertisement

রেকর্ড গড়ে ক্লাব বিশ্বকাপ বার্সার

ক্লাব বিশ্বকাপের শিরোপা জিতে স্বপ্নময় একটি বছর শেষ করার পথে রয়েছে বার্সেলোনা। রোববার ফাইনালে লুইস সুয়ারেজ ও লিওনেল মেসির দারুণ পারফরম্যান্সের সুবাদে আর্জেন্টাইন ক্লাব রিভার প্লেটকে ৩-০ গোলে উড়িয়ে দিয়ে ক্লাব বিশ্বকাপের শিরোপা ঘরে তুললো বার্সা। এরমধ্য দিয়ে বছরের পঞ্চম শিরোপা হাতে উঠল কাতালান ক্লাবটির।

এই নিয়ে রেকর্ড তিনবার ক্লাব বিশ্বকাপের শিরোপা জিতলো বার্সেলোনা। আর কোনো দল তিনটার ক্লাব শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট জিততে পারেনি। স্প্যানিশ লা লিগা, কোপা ডেল রে, চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ও উয়েফা সুপার কাপের শিরোপা জেতার পর ক্লাব বিশ্বকাপের শিরোপা জিতে দারুণ একটি বছর শেষ করতে যাচ্ছে কাতালান ক্লাবটি।
রোববার জাপানের ইয়োকোহামার আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে খেলার শুরু থেকেই আধিপত্য বিস্তার করে বার্সেলোনা। তবে প্রথম গোলের জন্য ৩৬ মিনিট পর্যন্ত অপেক্ষায় থাকতে হয় কাতালানদের। ৩৬তম মিনিট ডি বক্সের ভেতরে নিচু শটে মেসিকে বল বাড়িয়ে দেন নেইমার। বল ধরে দারুণ এক শটে রিভার প্লেটের গোলরক্ষককে পরাস্ত করে দলকে আনন্দে ভাসান মেসি।
৫৩তম মিনিটে বার্সেলোনার দ্বিতীয় এবং নিজের প্রথম গোল করেন সুয়ারেজ। সার্জিও বুসকেটসের বাড়ানো লম্বা পাস ধরে ক্ষিপ্র দৌড়ে পেনাল্টি বক্সের ভেতরে ঢুকে দারুণ ফিনিশিংয়ে গোল করে ব্যবধান ২-০ করেন উরুগুয়ে ফরোয়ার্ড।
নিজের দ্বিতীয় গোলের জন্য বেশিক্ষণ অপেক্ষায় থাকতে হয়নি সুয়ারেজকে। ৬৮তম মিনিট নেইমারের ক্রস থেকে ভেসে আসা বলে অসাধারণ এক হেডে গোলরক্ষককে পরোস্ত করে বার্সার জয় নিশ্চিত করেন সুয়ারেজ। এরপর বাকি সময় চেষ্টা করেও আর গোল করতে পারেনি লুইস এনরিকের দল। ফলে ৩-০ ব্যবধানের জয় দিয়ে ইতিহাস গড়লো ন্যু-ক্যাম্পের দলটি।
সেমি-ফাইনালে হ্যাটট্রিক করার পর ফাইনালে জোড়া গোল- সব মিলিয়ে দুই ম্যাচে ৫ গোল করে টুর্নামেন্টের সেরা ফুটবলারের পুরস্কার ‘গোল্ডেন বল অ্যাওয়ার্ড’ জয় করেন লুইস সুয়ারেজ।
এর আগে ২০০৯ ও ২০১১ সালে ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপের শিরোপা জয় করে বার্সেলোনা। ২০০৬ সালে ফাইনালে উঠলেও ব্রাজিলিয়ান ক্লাব ইন্টারন্যাসিওনালের কাছে ১-০ গোলে হেরে শিরোপা হাতছাড়া করে কাতালানরা।

Post a Comment

0 Comments