এই মিটিং-এর কয়েকদিন পরেই জুলাই ১৬, ২০০৭ সালের প্রত্যুষে শেখ হাসিনার
ধানমন্ডির বাড়ি ঘেরাও করবার সংবাদ পেলাম। সেদিনই সকাল ৮টায় যৌথবাহিনী একটি
চাঁদাবাজির মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার করে ঢাকার সিএমএম আদালতে হাজির করে এক
মাসের জন্য জেলহাজতে পাঠালো। সংসদ ভবন এলাকায় শেখ হাসিনার জন্য অস্থায়ী জেল
তৈরি করে সেখানেই রাখা হয়। শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মামলা করেন ওয়েন্ট কোস্ট
এবং প্রাইম ব্যাংকের চেয়ারম্যান আজম জে চৌধুরী। তার দায়েরকৃত মামলায়ই আটক
করা হয় তাকে। আমার কোনো সন্দেহই রইলো না যে আজম জে চৌধুরীকে দিয়ে মামলাটি
করানো হয়েছে। কিন্তু এর উদ্দেশ্য কি হতে পারে? শেখ হাসিনাকে নির্বাচন থেকে
দূরে রাখা? হয়তো বা তাই। সে ক্ষেত্রে নির্বাচনের সম্ভাবনা কতখানি?
সাবেক নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন তার লেখা ‘নির্বাচন কমিশনে পাঁচ বছর’ শীর্ষক বইতে এসব কথা লিখেছেন। তিনি আরও লিখেছেন, শেখ হাসিনার গ্রেপ্তারের খবর বেগম খালেদা জিয়াকে বেশ উদ্বিগ্ন করেছিল। তিনি কড়া ভাষায় এই গ্রেপ্তারের নিন্দা করেন। হয়তো তিনিও যে চাপের মধ্যে রয়েছেন তারই প্রতিক্রিয়ার বহিঃপ্রকাশ। তখনও তত্ত্বাবধায়ক সরকার এবং সহায়ক শক্তি বেগম খালেদা জিয়াকে পরিবারসহ বিদেশে পাঠাবার প্রচেষ্টা হতে সরে আসেনি।
হঠাৎ শেখ হাসিনাকে গ্রেপ্তারের তাৎপর্য আমি খুঁজে পাইনি। কারণ, আওয়ামী লীগের ইতিহাস সংগ্রামের ইতিহাস। এই দলটি ভাঙ্গাগড়া আর রাস্তার আন্দোলনেই ছিল বেশি সময়। তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে পাকিস্তানি শাসকদের বিরুদ্ধে সব আন্দোলনের নেতৃত্বে ছিল এই দল। শেখ হাসিনার গ্রেপ্তারের বিরুদ্ধে ঢাকায় কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের ক্ষোভ ছাড়া রাস্তায় তেমন প্রতিবাদ দেখা যায়নি। তবে ঢাকার বাইরে আওয়ামী লীগের অঙ্গ সংগঠনগুলো যথেষ্ট সোচ্চার ছিল। শেখ হাসিনার গ্রেপ্তারের পর সবচেয়ে সোচ্চার হয়েছিলেন সুশীল সমাজ এবং বুদ্ধিজীবী মহল।
সাবেক নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন তার লেখা ‘নির্বাচন কমিশনে পাঁচ বছর’ শীর্ষক বইতে এসব কথা লিখেছেন। তিনি আরও লিখেছেন, শেখ হাসিনার গ্রেপ্তারের খবর বেগম খালেদা জিয়াকে বেশ উদ্বিগ্ন করেছিল। তিনি কড়া ভাষায় এই গ্রেপ্তারের নিন্দা করেন। হয়তো তিনিও যে চাপের মধ্যে রয়েছেন তারই প্রতিক্রিয়ার বহিঃপ্রকাশ। তখনও তত্ত্বাবধায়ক সরকার এবং সহায়ক শক্তি বেগম খালেদা জিয়াকে পরিবারসহ বিদেশে পাঠাবার প্রচেষ্টা হতে সরে আসেনি।
হঠাৎ শেখ হাসিনাকে গ্রেপ্তারের তাৎপর্য আমি খুঁজে পাইনি। কারণ, আওয়ামী লীগের ইতিহাস সংগ্রামের ইতিহাস। এই দলটি ভাঙ্গাগড়া আর রাস্তার আন্দোলনেই ছিল বেশি সময়। তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে পাকিস্তানি শাসকদের বিরুদ্ধে সব আন্দোলনের নেতৃত্বে ছিল এই দল। শেখ হাসিনার গ্রেপ্তারের বিরুদ্ধে ঢাকায় কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের ক্ষোভ ছাড়া রাস্তায় তেমন প্রতিবাদ দেখা যায়নি। তবে ঢাকার বাইরে আওয়ামী লীগের অঙ্গ সংগঠনগুলো যথেষ্ট সোচ্চার ছিল। শেখ হাসিনার গ্রেপ্তারের পর সবচেয়ে সোচ্চার হয়েছিলেন সুশীল সমাজ এবং বুদ্ধিজীবী মহল।


0 Comments