Advertisement

টেকনাফের ঘরে ঘরে শত ঐশি’র জন্ম

oishi
সাইফুল ইসলাম সাইফী:টেকনাফ পৌরসভার চেয়ে গ্রামাঞ্চলে চোর সিন্ডিকেট সক্রিয় হয়ে পড়েছে। নাচ গান আর ইয়াবা সেবনের টাকা যোগাড় করতে চোরের দলে যোগ হচ্ছে নতুন মুখ। গ্রামের অনেক নামী পরিবারের যোগ্য সন্তান রাতে ধরা পড়ে সুপারি চুরিতে। কারণ খুজতে গিয়ে বেরিয়ে আসে ইয়াবার প্রদূর্ভাব। উপজেলার প্রতিটি গ্রামে ও বাড়া বাসায় ২ থেকে ৫ জন
করে (ভাংগা বিয়ারি) ইয়বার খুচরা ব্যবসায়ী রয়েছে, তাদের বাসা বাড়ীতে প্রতি দিন রাতে মাদক সেবীদের আড্ডা জমে উঠে। পাইকারী ইয়াবায় ভেঙ্গে অর্ধ নষ্ট ইয়াবা অল্প দামে বিক্রি হয় সেখানে ।
টেকনাফ উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের নামী দামী পরিবারে উঠতি বয়সের সন্তানের নিমর্ম কাহিনী শুনলে মনে প্রশ্ন জাগে, আমার সন্তানের ভবিষ্যত কোন পথে? পুলিশ অফিসার মা-বাবা হত্যাকারী ঐশির মত শত ঐশি এখন টেকনাফের ঘরে ঘরে।
টেকনাফ সদর লে.বিলের এক সন্তানের হাতে বাবা মার খেল মাত্র ক’দিন আগে। সন্তানের হাতের দা’র কুপে মা মারাত্তক জখম হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। সন্তানের প্রতিনিয়ত নির্যাতনে মা ঘর ছাড়া হয়ে বৃদ্ধা বয়সে বাপের বাড়ী। খানকার পাড়ার এক পরিবারে সন্তানের নির্যাতনে মা বাবা ২ জনই নিজ গৃহে প্রবাস জীবন পার করছে। অবশেষে আত্মীয় স্বজনের সহ যোগীতায় রাত ২টায় হাত পা বেঁেধ নোয়া গাড়ীতে তোলে নিয়ে যায় চিটাগাং মাদক নিরাময় কেন্দ্র নোঙ্গরে। শুধু এসব ঘটনা নয়, অজানা আরো অনেক মারাত্তক জগন্য ঘটনা আমাদের চার পাশে ঘটছে একমাত্র ইয়াবা সেবনের কারণে। ইয়বা এতদিন ঘরের বাইরে অশান্তি সৃষ্টি করলেও বর্তমানে সৌরম্য মঞ্জিলের অন্দর রুমে ইয়াবার কেরামতি চলছে। স্বামী-স্ত্রীর মাঝে দূরত্ব ও বিচ্ছেদ, মা-বাবা ও সন্তানের মাঝে বিবাদ কলহ। সবই ইয়াবা কারণে এমন দাবী ঘটনার শিকার পরিবারের। টেকনাফ পৌর এলাকার এক মা বলেন আমার ছেলে ইমরান বয়স ২৪- আজ ২ বৎসর ধরে নিজের রুমে দরজা জানালা বন্ধ করে বসে থাকে, রোমে একটি ল্যাপটপ আছে, শুধু খাবারের প্রয়োজন পড়লে বের হয়। হঠাৎ গরম হয়ে ভাতের পাতিল, চুলা, তরকারীর উপর চরম নির্যাতন চালায়। বাধা দিলে আমার উপর ছড়াও হয়ে নির্যাতন করে। আমার সন্তান আমার সাথে মা’র মত আচরণ করেনা। আমি যেন তার বড় শত্রু।

Post a Comment

0 Comments