ষ্টাফ
রিপোর্টার, েপকুয়া:
পেকুয়া
উপজেলার রাজাখালী ইউনিয়নের
পুলিশ ফাড়ির পুলিশ
ভক্ষকের ভূমিকায় অবতীর্ণ
হয়েছে৷ এ
ফাড়ির পুলিশের বিরুদ্ধে
অভিযোগের শেষ নেই৷
এরপরেও পুলিশ জনগনের
সেবক৷ দেশ ও
জাতির
জানমালের রক্ষক
তারা৷ এ রক্ষকরাই
ভক্ষকের ভুমিকায় অবতীর্ন
হয়েছে৷ টহলের নামে
একটি ব্যবসা প্রতিষ্টানে
গভীর রাতে ঢুকে
সরকারী পোশাক পরে
ওই পুলিশরা তল্লাশির
নামে ব্যাপক ভাংচুরসহ
লুটপাট চালায়৷
এ
সময় দোকানদার কিছু
বলার চেষ্টা করলে
তাকে মামলায় জড়ানোর
হুমকি দিয়ে নগদ
টাকা ও মালামাল
নিয়ে আসে৷ এ
কান্ডের সময় পুলিশের
সাথে ছিলেন আবার
একজন দুর্ধর্ষ ডাকাত
দলের সদস্য৷ তার
বিরুদ্ধে হত্যা, ডাকাতিঅস্ত্রমামলাসহ
একাধিক মামলা রয়েছে৷
পুলিশ
কেন বির্তকিত ব্যক্তিকে
নিয়ে রাতে একজন
ব্যবসায়ীর দোকানে গেল
এখন এ প্রশ্ন
এলাকায়৷ আবার পুলিশের
এ তান্ডবের ফলে
ফুঁসে উঠেছে সাধারন
মানুষ৷ তারা বিষয়টির
প্রতিকার চেয়ে প্রশাসনের
উর্ধ্বতন বিভাগে অবহিত
করেছেন৷
জানাযায়
গত ১৫আগষ্ট শুক্রবার
রাত প্রায় সাড়ে
১১টার দিকে পেকুয়া
উপজেলার রাজাখালী ইউনিয়নের
সিকদারপাড়া রাস্তার মাথা
ষ্টেশনের বেলাল উদ্দিনের
চায়ের দোকানে পুলিশ
তল্লাশি চালায়৷ রাজাখালী
পুলিশ বিটের কয়েকজন
সদস্য একটি সিএনজিতে
করে ওই ষ্টেশনে
যায়৷ পরে তারা
ওই দোকানে ঢুকে
শুরু করে তল্লাশির
নামে তান্ডব৷
বেলাল
উদ্দিন জানান বিটের
পুলিশদের সামনে তার
দোকান থেকে ওই
জয়নাল ক্যাশ ভেঙ্গে
নগদ টাকা,একটি
মোবাইল সেটসহ মালামাল
নিয়ে নেয়৷ পরে
পুলিশ নিজেরাই দোকানে
সৌরবিদ্যুতের একটি ব্যাটারী
সিএনজিতে তোলে নিয়ে
আসে৷ এদিকে ডাকাত
সদস্যকে নিয়ে খোদ
পুলিশের এ তান্ডবের
খবরটি এলাকায় জানাজানি
হলে সর্বÎ †Zvjcvo m„wó nq|
েউত্তপ্ত
পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে
খবর পেয়ে ঘটনার
পরের দিন শনিবার
দুপুরে রাজাখালী ইউপির চেয়ারম্যান নজরুল
ইসলাম সিকদার বাবুল,ইউপি
সদস্য লিয়াকত আলী
ও পেকুয়া থানার
ওসি মোঃ আবদুর
রকিব ঘটনাস্থল
পরিদর্শন করেছেন৷ পরে
তারা রাজাখালী পুলিশ
বিটে গিয়ে আই
সির সাথে বৈঠক
করেছেন বলে জানা
গেছে৷ এ সময়
শতশত লোকজন ওই
ঘটনার স্বপক্ষে স্বাক্ষী
দেন৷ এ
ব্যাপারে
রাজাখালী বিটের আইসি
শফিকুর রহমান লুটপাটের
কথা অস্বীকার করলেও
রাতে দোকানটিতে তল্লাশির
সত্যতা নিশ্চিত করেছেন৷
তবে জয়নাল যে
এলাকায় বির্তকিত ব্যক্তি
সে বিষয়ে তাদের
জানা ছিলনা বলে
জানিয়েছেন৷
রাজাখালী
ইউপির চেয়ারম্যান নজরুল
ইসলাম সিকদার বাবুল
ঘটনার সত্যতা স্বীকার
করে বলেন পুলিশ
হয়তো ওই জয়নালকে
চিনেনা৷ ছদ্মবেশে পুলিশকে
ব্যবহার করে দোকানটিতে
ডাকাতির চেষ্টা করেছে৷
এবিষয়ে ওসি ও
আইসির সাথে কথা
হয়েছে৷ তারা ব্যাটারী
ও মালামালগুলো ওই
দোকানদারকে ফেরত দেওয়ার
কথা বলেছেন৷
পেকুয়া থানার ওসি মোঃ আবদুর রকিব জানিয়েছেন বিষয়টি তার নজরে আসার পর তিনি সরাসরি ঘটনাস্থলে গিয়ে বিষয়টি উদঘাটনের জন্য দোকানদার ও স্থানীয়দের সাথে কথা বলেছেন৷ ওখানে তেমন কোন সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেনি৷

0 Comments