স্টাফ রিপোর্টার, চকরিয়া ॥
চকরিয়া পৌরসভার বায়তুশ শরফ সড়কের জুলন দাশ নামের একব্যক্তির মালিকানাধীন সোনালী বীজ ভান্ডার দোকানে দীর্ঘদিন ধরে চলছে নকল ধান বীজের রমরমা বাণিজ্য। রামু কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের কর্মকর্তা খোকন ঘোষের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় জুলন দাশ খোলা বাজার থেকে ধান সংগ্রহ করে প্যাকেট জাতের মাধ্যমে কক্সবাজার জেলার বিভিন্ন উপজেলা ও চট্টগ্রামের একাধিক এলাকায় সরবরাহ দিয়ে হাতিয়ে নিচ্ছে হাজার হাজার টাকা। তার এসব নকল ধান বীজ ক্রয় করে চকরিয়ার বিভিন্ন এলাকার কৃষকরা জমিতে প্রয়োগ করে প্রতারনার শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। জমিতে ধান বীজ রোপন করে অনেক কৃষকের বীজতলা নষ্ট হয়ে গেছে। এ অবস্থার কারনে উপজেলার শতাধিক কৃষক চলতি মৌসুমে বোরো চাষের বীজতলা নিয়ে চরম অনিশ্চিয়তায় পড়েছে। জানা গেছে, এ ঘটনায় ভুক্তভোগী একাধিক কৃষক উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ও মাঠ পর্যায়ে কর্মরত উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের কাছে অভিযোগ দেয়ার পর গতমাসে অভিযুক্ত জুলন দাশ বিভিন্ন এলাকার দোকানে সরবরাহ দেয়া বিপুল ধান বীজ উত্তোলন করে নিয়েছেন। গতমাসে দোকান থেকে উত্তোলন করা এসব নকল ধান বীজ চট্টগ্রামে বাজারজাত করতে নিয়ে যাওয়ার পথে চকরিয়া পৌরশহরের বায়তুশ শরফ সড়কের মাথায় ধান ভর্তি একপি পিকআপ গাড়ি আটক করে বিক্ষুদ্ধ লোকজন। পরে জুলন দাশ ও তার লোকজন এ গুলো বাজারজাত করবেনা এমন মুছলেকা দিলে বিক্ষুদ্ধ জনতা পরে গাড়িটি ছেড়ে দেন। অভিযোগ উঠেছে, রামু কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের কর্মকর্তা খোকন ঘোষ টাকার বিনিময়ে অভিযুক্ত জুলন দাশকে নকল ধান বীজকে ভাল ও উন্নতমানের বীজ হিসেবে বাজারজাত করতে কৌশলে সহযোগিতা দিয়েছে। কৃষি কর্পোরেশনের কর্মকর্তা হিসেবে তিনি ধানের বীজকে ভাল হিসেবে চিহিৃত করার ফলে স্থানীয় বাজারে জুলন দাশের নকল এ ধান বীজের রমরমা বাণিজ্য শুরু হয় দীর্ঘদিন ধরে। জানতে চাইলে সোনালী বীজ ভান্ডার মালিক জুলন দাশ অভিযোগ স্বীকার করে বলেন, বাজারে তার ধান বীজটির ব্যাপারে কৃষককের পক্ষ থেকে বিরুপ প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়ায় তিনি বিপুল পরিমাণ ধান বীজ প্রায় দোকান থেকে ফেরত নিয়ে গেছেন। ধান বীজটি প্রথমে রামু কৃষি কর্পোরেশন কর্মকর্তা খোকন ঘোষের দাবি করলেও পরে তার বলে স্বীকার করেন। পাল্টা প্রশ্ন করে আপনার ধান বীজে খোকন ঘোষের সম্পৃক্তা কি জানতে চাইলে তিনি বলেন, খোকন ঘোষ কৃষি কর্পোরেশনের কর্মকর্তা হিসেবে ধান বীজটি ভাল ও উন্নতমানের বলে সনাক্ত করেছেন। বিষয়টি প্রসঙ্গে জানতে চাইলে চকরিয়া উপজেলা কৃষি বিভাগের উদ্ভিদ সংরক্ষন কর্মকর্তা মো.মহিউদ্দিন বলেন, জুলন দাশের সোনালী ধান বীজটি নকল বলে স্থানীয় কৃষকরা অভিযোগ করেছেন। কয়েকজন কৃষকের বীজতলা সরেজমিন পরিদর্শন করে ঘটনার সত্যতাও পাওয়া গেছে। তাই তার নকল ধান বীজের ব্যবসা বন্ধে উপজেলা সার বীজ ব্যবস্থাপনা কমিটিকে জানানো হবে।
চকরিয়া পৌরসভার বায়তুশ শরফ সড়কের জুলন দাশ নামের একব্যক্তির মালিকানাধীন সোনালী বীজ ভান্ডার দোকানে দীর্ঘদিন ধরে চলছে নকল ধান বীজের রমরমা বাণিজ্য। রামু কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের কর্মকর্তা খোকন ঘোষের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় জুলন দাশ খোলা বাজার থেকে ধান সংগ্রহ করে প্যাকেট জাতের মাধ্যমে কক্সবাজার জেলার বিভিন্ন উপজেলা ও চট্টগ্রামের একাধিক এলাকায় সরবরাহ দিয়ে হাতিয়ে নিচ্ছে হাজার হাজার টাকা। তার এসব নকল ধান বীজ ক্রয় করে চকরিয়ার বিভিন্ন এলাকার কৃষকরা জমিতে প্রয়োগ করে প্রতারনার শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। জমিতে ধান বীজ রোপন করে অনেক কৃষকের বীজতলা নষ্ট হয়ে গেছে। এ অবস্থার কারনে উপজেলার শতাধিক কৃষক চলতি মৌসুমে বোরো চাষের বীজতলা নিয়ে চরম অনিশ্চিয়তায় পড়েছে। জানা গেছে, এ ঘটনায় ভুক্তভোগী একাধিক কৃষক উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ও মাঠ পর্যায়ে কর্মরত উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের কাছে অভিযোগ দেয়ার পর গতমাসে অভিযুক্ত জুলন দাশ বিভিন্ন এলাকার দোকানে সরবরাহ দেয়া বিপুল ধান বীজ উত্তোলন করে নিয়েছেন। গতমাসে দোকান থেকে উত্তোলন করা এসব নকল ধান বীজ চট্টগ্রামে বাজারজাত করতে নিয়ে যাওয়ার পথে চকরিয়া পৌরশহরের বায়তুশ শরফ সড়কের মাথায় ধান ভর্তি একপি পিকআপ গাড়ি আটক করে বিক্ষুদ্ধ লোকজন। পরে জুলন দাশ ও তার লোকজন এ গুলো বাজারজাত করবেনা এমন মুছলেকা দিলে বিক্ষুদ্ধ জনতা পরে গাড়িটি ছেড়ে দেন। অভিযোগ উঠেছে, রামু কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের কর্মকর্তা খোকন ঘোষ টাকার বিনিময়ে অভিযুক্ত জুলন দাশকে নকল ধান বীজকে ভাল ও উন্নতমানের বীজ হিসেবে বাজারজাত করতে কৌশলে সহযোগিতা দিয়েছে। কৃষি কর্পোরেশনের কর্মকর্তা হিসেবে তিনি ধানের বীজকে ভাল হিসেবে চিহিৃত করার ফলে স্থানীয় বাজারে জুলন দাশের নকল এ ধান বীজের রমরমা বাণিজ্য শুরু হয় দীর্ঘদিন ধরে। জানতে চাইলে সোনালী বীজ ভান্ডার মালিক জুলন দাশ অভিযোগ স্বীকার করে বলেন, বাজারে তার ধান বীজটির ব্যাপারে কৃষককের পক্ষ থেকে বিরুপ প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়ায় তিনি বিপুল পরিমাণ ধান বীজ প্রায় দোকান থেকে ফেরত নিয়ে গেছেন। ধান বীজটি প্রথমে রামু কৃষি কর্পোরেশন কর্মকর্তা খোকন ঘোষের দাবি করলেও পরে তার বলে স্বীকার করেন। পাল্টা প্রশ্ন করে আপনার ধান বীজে খোকন ঘোষের সম্পৃক্তা কি জানতে চাইলে তিনি বলেন, খোকন ঘোষ কৃষি কর্পোরেশনের কর্মকর্তা হিসেবে ধান বীজটি ভাল ও উন্নতমানের বলে সনাক্ত করেছেন। বিষয়টি প্রসঙ্গে জানতে চাইলে চকরিয়া উপজেলা কৃষি বিভাগের উদ্ভিদ সংরক্ষন কর্মকর্তা মো.মহিউদ্দিন বলেন, জুলন দাশের সোনালী ধান বীজটি নকল বলে স্থানীয় কৃষকরা অভিযোগ করেছেন। কয়েকজন কৃষকের বীজতলা সরেজমিন পরিদর্শন করে ঘটনার সত্যতাও পাওয়া গেছে। তাই তার নকল ধান বীজের ব্যবসা বন্ধে উপজেলা সার বীজ ব্যবস্থাপনা কমিটিকে জানানো হবে।

0 Comments