স্টাফ রিপোর্টার, পেকুয়া ॥
পেকুয়ায় ইউএনও এর হস্তক্ষেপে বাল্য বিবাহ পন্ড করা হয়েছে। জানা যায়, পেকুয়ায় বাল্য বিবাহ অনুষ্টিত হওয়ার ব্যাপারে দৈনিক ইনানী সহ বেশ কিছু পত্রিকায় সংবাদ পরিবেশিত হয়। উক্ত সংবাদের প্রেক্ষিতে পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মীর শওকত হোসেন বর ও কনে পক্ষকে তার নিজস্ব অফিসে ডাকেন। এরপর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নির্দেশক্রমে মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার অফিসের মিজানুর রহমান মেয়ের পিতা ও বর থেকে সাদা কাগজে মোচলেকা আদায় করেন।
মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা অফিসের মিজানুর রহমান জানান, বর-কনে অপ্রাপ্ত বয়স্ক হওয়ায় বিয়ে বন্ধ করা হয়েছে। তিনি বলেন, এর পরও বিবাহ অনুষ্টানের আয়োজন করা হলে পুলিশি অভিযান পরিচালনা করা হবে।
তথ্য সুত্রে জানা যায়, উপজেলার শিলখালী উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেনীর ছাত্রী ও পেকুয়া সদর ইউনিয়নের ছৈড়ভাঙ্গা এলাকার বাসিন্দা মোহাম্মদ বেলালের মেয়ে আমেনা বেগম (১৫) এর সাথে বারবাকিয়া ইউনিয়নের ফাঁসিয়াখালী গ্রামের বারাইয়াকাটা এলাকার মরহুম নুরুল ইসলামের ছেলে জালাল উদ্দিন জালালের সাথে বিবাহ অনুষ্টানের দিনক্ষণ ঠিক করা হয়েছে।এ ব্যাপারে এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে উপজেলা পরিষদ কর্মকর্তার নিকট অভিযোগ প্রদান করা হয়েছে। কিন্তু এ দিকে বর ও কনের পিতা মাতা জানে না তারা অপ্রাপ্ত বয়ষ্ক। তাদের বিবাহ হলে সরকারের আইন অনুযায়ী দন্ডনীয় অপরাধ। গোপন সুত্রে জানা যায়, বর্তমানে মেয়ের পরিবার জন্ম নিবন্ধন সনদ সংগ্রহের জন্য ইউনিয়ন পরিষদে ধর্ণা দিচ্ছে।
পেকুয়ায় ইউএনও এর হস্তক্ষেপে বাল্য বিবাহ পন্ড করা হয়েছে। জানা যায়, পেকুয়ায় বাল্য বিবাহ অনুষ্টিত হওয়ার ব্যাপারে দৈনিক ইনানী সহ বেশ কিছু পত্রিকায় সংবাদ পরিবেশিত হয়। উক্ত সংবাদের প্রেক্ষিতে পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মীর শওকত হোসেন বর ও কনে পক্ষকে তার নিজস্ব অফিসে ডাকেন। এরপর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নির্দেশক্রমে মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার অফিসের মিজানুর রহমান মেয়ের পিতা ও বর থেকে সাদা কাগজে মোচলেকা আদায় করেন।
মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা অফিসের মিজানুর রহমান জানান, বর-কনে অপ্রাপ্ত বয়স্ক হওয়ায় বিয়ে বন্ধ করা হয়েছে। তিনি বলেন, এর পরও বিবাহ অনুষ্টানের আয়োজন করা হলে পুলিশি অভিযান পরিচালনা করা হবে।
তথ্য সুত্রে জানা যায়, উপজেলার শিলখালী উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেনীর ছাত্রী ও পেকুয়া সদর ইউনিয়নের ছৈড়ভাঙ্গা এলাকার বাসিন্দা মোহাম্মদ বেলালের মেয়ে আমেনা বেগম (১৫) এর সাথে বারবাকিয়া ইউনিয়নের ফাঁসিয়াখালী গ্রামের বারাইয়াকাটা এলাকার মরহুম নুরুল ইসলামের ছেলে জালাল উদ্দিন জালালের সাথে বিবাহ অনুষ্টানের দিনক্ষণ ঠিক করা হয়েছে।এ ব্যাপারে এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে উপজেলা পরিষদ কর্মকর্তার নিকট অভিযোগ প্রদান করা হয়েছে। কিন্তু এ দিকে বর ও কনের পিতা মাতা জানে না তারা অপ্রাপ্ত বয়ষ্ক। তাদের বিবাহ হলে সরকারের আইন অনুযায়ী দন্ডনীয় অপরাধ। গোপন সুত্রে জানা যায়, বর্তমানে মেয়ের পরিবার জন্ম নিবন্ধন সনদ সংগ্রহের জন্য ইউনিয়ন পরিষদে ধর্ণা দিচ্ছে।

0 Comments