জাহাঙ্গীর আলম, টেকনাফ ॥
সীমান্ত শহর টেকনাফে ইয়াবা ও মানব পাচারের বিরুদ্ধে প্রশাসনের অভিযান অব্যহত থাকলেও এখনো এসব অবৈধ ব্যবসা চলছে পুরোদমে। এমন অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে বিভিন্ন সুত্রে। র্যাব, পুলিশ, বিজিবি ও মাদক দ্রব্য অধিদপ্তর ইতিপুর্বে ইয়াবা বিরোধী ব্যাপক অভিযান চালায় এবং ইয়াবা
ব্যবসায়ীদের সাথে র্যাব, পুলিশ, বিজিবির মধ্যে বন্দুক যুদ্ধ হয়, এতে নিহত ও আহত হওয়ার ঘটনা ঘটে। এর ফলে কিছু সময় ইয়াবা ব্যবসা ও মানব পাচার বন্ধ হয়। এখন অভিযান দিন দিন ভাটার রূপ নিতে শুরু করেছে। যে সব ইয়াবা ব্যবসায়ীরা এলাকা থেকে পালিয়ে গিয়েছিল এরা আবারও এলাকায় স্বরূপে অবস্থান নিতে শুরু করেছে। আবারও পুর্বের ন্যায় ইয়াবা ব্যবসা নিরাপদে চালাচ্ছে এমন অভিযোগ বিভিন্ন এলাকার স্থানীয় জনগনের।
টেকনাফে ইয়াবার পাশাপাশি চলতেছে মানব পাচার অনেক সাধারন লোক দালালের খপ্পড়ে পড়ে অবৈধ ভাবে ট্রলার যোগে সাগর পথ পাড়ি দিয়ে মালয়শিয়া যাচ্ছে। এতে অনেক লোক নিখোঁজ হচ্ছে পরবর্তীতে লাশ হয়ে সাগর পাড়ে ভেসে আসছে। এসব মালয়শিয়া যাত্রীদের মধ্যে অনেক শিশু ও নারী রয়েছে। বিভিন্ন দেশের কারাগারে বন্দি হয়ে মানবেতর জীবন যাপন করতেছে। কিন্তু এখনো মানব পাচার কারী সদস্যরা প্রশাসনের নাগালের বাইরে। এখন পর্যন্ত বড় কোন মানব পাচারকারী প্রশাসনের হাতে আটক হয়নি।
র্যাব, পুলিশ, বিজিবির এসব অভিযানের ফলে সাধারন মানুষের কাছে স্বস্তি ফিরে আসছিল ও স্থানীয়রা অভিযানকে স্বাগত জানায় এবং বাহিনীর সদস্যরা সুনাম অর্জন করে থাকে। বর্তমানে অভিযানের কিছুটা দুর্বলতা দেখা দিলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রানালয়ের তালিকা ভুক্ত ও অন্তরালের বড় বড় ইয়াবা গডফাদাররা আনাগোনা দিন দিন এলাকাতে বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে স্থানীয়রা জানান। গোয়েন্দা সংস্থার তালিকার বাইরেও অনেক বড় বড় ইয়াবা ব্যবসায়ীরা সুকৌশলে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে তাদের ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে তাতে অনেকে আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ বনে গেছে। এই ব্যবসার সাথে সরকার দলীয় রাজনৈতিক ব্যক্তি আছে যারা ইয়াবা ব্যবসা ও মানব পাচার করতেছে এবং অন্যকে সহযোগিতা করে যাচ্ছে। উল্লেখিত ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে থানা/ ফাঁিড়তে দেন দরবার করে যাচ্ছে, ফলে নিজেদের অনেক অপকর্ম ঢাকানোর সুযোগ নিচ্ছে সাথে সমাজে অপরাধীদের পৃষ্ঠপোষক হিসাবে কাজ করে যাচ্ছে, যা ভদ্রতার আড়ালে অপকর্ম।
তবে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কর্মকর্তাদের দাবি, আমরা এই সীমান্ত উপজেলাকে ইয়াবা মুক্ত সহ অপরাধমুলক কর্মকান্ড বন্ধ করতে আমাদের অভিযান অব্যাহত আছে। ইতিপুর্বে আমাদের সদস্যদের সাথে অনেক ইয়াবা পাচারকারীদের সাথে বিভিন্ন জায়গায় বন্ধুক যুদ্ধ হয় এবং ইয়াবা সহ আটক করা হয়েছে অনেককে, সাথে সাথে মানব পাচার কারী দালালদের আটকও করা হয়। তবে চিহ্নিত বড় বড় ইয়াবা ব্যবসায়ীরা গা ঢাকা দিয়েছে। আমরা নিয়মিত অভিযান চালাচ্ছি এবং চলতে থাকবে।
সীমান্ত শহর টেকনাফে ইয়াবা ও মানব পাচারের বিরুদ্ধে প্রশাসনের অভিযান অব্যহত থাকলেও এখনো এসব অবৈধ ব্যবসা চলছে পুরোদমে। এমন অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে বিভিন্ন সুত্রে। র্যাব, পুলিশ, বিজিবি ও মাদক দ্রব্য অধিদপ্তর ইতিপুর্বে ইয়াবা বিরোধী ব্যাপক অভিযান চালায় এবং ইয়াবা
ব্যবসায়ীদের সাথে র্যাব, পুলিশ, বিজিবির মধ্যে বন্দুক যুদ্ধ হয়, এতে নিহত ও আহত হওয়ার ঘটনা ঘটে। এর ফলে কিছু সময় ইয়াবা ব্যবসা ও মানব পাচার বন্ধ হয়। এখন অভিযান দিন দিন ভাটার রূপ নিতে শুরু করেছে। যে সব ইয়াবা ব্যবসায়ীরা এলাকা থেকে পালিয়ে গিয়েছিল এরা আবারও এলাকায় স্বরূপে অবস্থান নিতে শুরু করেছে। আবারও পুর্বের ন্যায় ইয়াবা ব্যবসা নিরাপদে চালাচ্ছে এমন অভিযোগ বিভিন্ন এলাকার স্থানীয় জনগনের।
টেকনাফে ইয়াবার পাশাপাশি চলতেছে মানব পাচার অনেক সাধারন লোক দালালের খপ্পড়ে পড়ে অবৈধ ভাবে ট্রলার যোগে সাগর পথ পাড়ি দিয়ে মালয়শিয়া যাচ্ছে। এতে অনেক লোক নিখোঁজ হচ্ছে পরবর্তীতে লাশ হয়ে সাগর পাড়ে ভেসে আসছে। এসব মালয়শিয়া যাত্রীদের মধ্যে অনেক শিশু ও নারী রয়েছে। বিভিন্ন দেশের কারাগারে বন্দি হয়ে মানবেতর জীবন যাপন করতেছে। কিন্তু এখনো মানব পাচার কারী সদস্যরা প্রশাসনের নাগালের বাইরে। এখন পর্যন্ত বড় কোন মানব পাচারকারী প্রশাসনের হাতে আটক হয়নি।
র্যাব, পুলিশ, বিজিবির এসব অভিযানের ফলে সাধারন মানুষের কাছে স্বস্তি ফিরে আসছিল ও স্থানীয়রা অভিযানকে স্বাগত জানায় এবং বাহিনীর সদস্যরা সুনাম অর্জন করে থাকে। বর্তমানে অভিযানের কিছুটা দুর্বলতা দেখা দিলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রানালয়ের তালিকা ভুক্ত ও অন্তরালের বড় বড় ইয়াবা গডফাদাররা আনাগোনা দিন দিন এলাকাতে বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে স্থানীয়রা জানান। গোয়েন্দা সংস্থার তালিকার বাইরেও অনেক বড় বড় ইয়াবা ব্যবসায়ীরা সুকৌশলে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে তাদের ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে তাতে অনেকে আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ বনে গেছে। এই ব্যবসার সাথে সরকার দলীয় রাজনৈতিক ব্যক্তি আছে যারা ইয়াবা ব্যবসা ও মানব পাচার করতেছে এবং অন্যকে সহযোগিতা করে যাচ্ছে। উল্লেখিত ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে থানা/ ফাঁিড়তে দেন দরবার করে যাচ্ছে, ফলে নিজেদের অনেক অপকর্ম ঢাকানোর সুযোগ নিচ্ছে সাথে সমাজে অপরাধীদের পৃষ্ঠপোষক হিসাবে কাজ করে যাচ্ছে, যা ভদ্রতার আড়ালে অপকর্ম।
তবে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কর্মকর্তাদের দাবি, আমরা এই সীমান্ত উপজেলাকে ইয়াবা মুক্ত সহ অপরাধমুলক কর্মকান্ড বন্ধ করতে আমাদের অভিযান অব্যাহত আছে। ইতিপুর্বে আমাদের সদস্যদের সাথে অনেক ইয়াবা পাচারকারীদের সাথে বিভিন্ন জায়গায় বন্ধুক যুদ্ধ হয় এবং ইয়াবা সহ আটক করা হয়েছে অনেককে, সাথে সাথে মানব পাচার কারী দালালদের আটকও করা হয়। তবে চিহ্নিত বড় বড় ইয়াবা ব্যবসায়ীরা গা ঢাকা দিয়েছে। আমরা নিয়মিত অভিযান চালাচ্ছি এবং চলতে থাকবে।

0 Comments