সাইফুদ্দীন মোহাম্মদ মামুন,টেকনাফ ॥
পানির তীব্র সংকট ,প্রচন্ড গরম ও বিদ্যুতের লোডশেডিংয়ের কবলে পড়েছে টেকনাফবাসী। ফলে চরম ভোগান্তিসহ দূর্বিসহ হয়ে উঠেছে টেকনাফবাসীর জীবন যাত্রা। প্রায় দুই মাস ধরে টেকনাফের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি হওয়ায় পানির চাহিদা যেমন বেড়েছে তেমনি পাল্লা দিয়ে বেড়েছে লোডশেডিং।
এলাকার অধিকাংশ বাড়ির মালিকদের গভীর ও অগভীর নলকূপ, পাতকূপ এবং পুকুর শুকিয়ে যাওয়ায় পানির তীব্র সংকটের মুখে পড়েছে গোটা টেকনাফবাসী। ফলে অত্যন্ত বেকায়দায় রয়েছে টেকনাফের জনগন। চারদিকে পানির জন্য হাহাকার। সূত্রে জানা গেছে, টেকনাফ পৌরসভার কায়ুকখালীয়াপাড়া, চৌধুরীপাড়া, উত্তর জালিয়াপাড়া, দক্ষিণ জালিয়াপাড়া, বাজারপাড়া, কুলালপাড়া, খানকার ডেইল, কলেজপাড়া, অলিয়াবাদ, সাইতংখিল, ইসলামাবাদ, পুরান পল্লান পাড়া, উপজেলা পরিষদ এলাকা ও উপজেলার দমদমিয়া, জাদীমুরা, লেদা, হ্নীলাসহ বেশ এলাকায় পানির জন্য হাহাকার চলছে এবং পানি সংকট তীব্র আকার ধারন করেছে। বিশেষ করে টেকনাফ পৌরসভা ২০০০ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে এখনও পানির সমস্যা স্থায়ী সমাধান হয়নি। তবে পৌর মেয়র হাজি মোঃ ইসলামের স্ব-উদ্যোগে কিছু দিন গাড়ি দিয়ে টেকনাফ পৌর এলাকায় পানি সরবরাহ করে থাকলেও তা বর্তমানে বন্ধ রয়েছে। টেকনাফ পৌরসভার পুরান পল্লান পাড়ার হাজী দীল মোহাম্মদ জানান, একদিকে তীব্র গরম ও লোডশেডিং তার ওপর পানির তীব্র সংকট। দুর্বিসহ হয়ে উঠেছে জনজীবন। মাসখানেক ধরে পৌরসভা খাবার পানি সরবরাহ দিলেও বর্তমানে তা বন্ধ রয়েছে। ফলে দূর্ভোগ চরম পর্যায়ে বেড়েছে। এদিকে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, টেকনাফ পৌর এলাকায় প্রতিদিন কি পরিমাণ পানির প্রয়োজন তার কোন তথ্য জানা নেই। কারণ পানি সরবরাহের ব্যবস্থা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তা নিধারণ করা অসম্ভব। তারপরও একটি গাড়ি যোগে পৌর এলাকায় দৈনিক ১০-১৫ হাজার লিটার সূপেয় পানি সরবরাহ করা হলেও গৃহস্থালি কাজে পানির সংকট প্রকট আকার ধারণ করেছে। টেকনাফ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের শিশু বিশেষজ্ঞ আতাউর রহমান বলেন, নলকূপ, পুকুরের পানি নষ্ট হয়ে পড়ায় ওই সব পানি পানে বিরত থাকতে হবে। না হয় ডায়রিয়া, জন্ডিসসহ নানা পেটের পীড়ায় লোকজন আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পৌরসভার ভারপ্রাপ্ত মেয়র আব্দুল্লাহ মনির বলেন, পৌরবাসীর চাহিদা অনুযায়ী পানি সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে না। পানি সংকট নিরসনে ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট চালু কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে। আশা করছি আগামী বছর পৌরসভায় পানির সমস্যা সমাধান হবে।
পানির তীব্র সংকট ,প্রচন্ড গরম ও বিদ্যুতের লোডশেডিংয়ের কবলে পড়েছে টেকনাফবাসী। ফলে চরম ভোগান্তিসহ দূর্বিসহ হয়ে উঠেছে টেকনাফবাসীর জীবন যাত্রা। প্রায় দুই মাস ধরে টেকনাফের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি হওয়ায় পানির চাহিদা যেমন বেড়েছে তেমনি পাল্লা দিয়ে বেড়েছে লোডশেডিং।
এলাকার অধিকাংশ বাড়ির মালিকদের গভীর ও অগভীর নলকূপ, পাতকূপ এবং পুকুর শুকিয়ে যাওয়ায় পানির তীব্র সংকটের মুখে পড়েছে গোটা টেকনাফবাসী। ফলে অত্যন্ত বেকায়দায় রয়েছে টেকনাফের জনগন। চারদিকে পানির জন্য হাহাকার। সূত্রে জানা গেছে, টেকনাফ পৌরসভার কায়ুকখালীয়াপাড়া, চৌধুরীপাড়া, উত্তর জালিয়াপাড়া, দক্ষিণ জালিয়াপাড়া, বাজারপাড়া, কুলালপাড়া, খানকার ডেইল, কলেজপাড়া, অলিয়াবাদ, সাইতংখিল, ইসলামাবাদ, পুরান পল্লান পাড়া, উপজেলা পরিষদ এলাকা ও উপজেলার দমদমিয়া, জাদীমুরা, লেদা, হ্নীলাসহ বেশ এলাকায় পানির জন্য হাহাকার চলছে এবং পানি সংকট তীব্র আকার ধারন করেছে। বিশেষ করে টেকনাফ পৌরসভা ২০০০ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে এখনও পানির সমস্যা স্থায়ী সমাধান হয়নি। তবে পৌর মেয়র হাজি মোঃ ইসলামের স্ব-উদ্যোগে কিছু দিন গাড়ি দিয়ে টেকনাফ পৌর এলাকায় পানি সরবরাহ করে থাকলেও তা বর্তমানে বন্ধ রয়েছে। টেকনাফ পৌরসভার পুরান পল্লান পাড়ার হাজী দীল মোহাম্মদ জানান, একদিকে তীব্র গরম ও লোডশেডিং তার ওপর পানির তীব্র সংকট। দুর্বিসহ হয়ে উঠেছে জনজীবন। মাসখানেক ধরে পৌরসভা খাবার পানি সরবরাহ দিলেও বর্তমানে তা বন্ধ রয়েছে। ফলে দূর্ভোগ চরম পর্যায়ে বেড়েছে। এদিকে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, টেকনাফ পৌর এলাকায় প্রতিদিন কি পরিমাণ পানির প্রয়োজন তার কোন তথ্য জানা নেই। কারণ পানি সরবরাহের ব্যবস্থা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তা নিধারণ করা অসম্ভব। তারপরও একটি গাড়ি যোগে পৌর এলাকায় দৈনিক ১০-১৫ হাজার লিটার সূপেয় পানি সরবরাহ করা হলেও গৃহস্থালি কাজে পানির সংকট প্রকট আকার ধারণ করেছে। টেকনাফ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের শিশু বিশেষজ্ঞ আতাউর রহমান বলেন, নলকূপ, পুকুরের পানি নষ্ট হয়ে পড়ায় ওই সব পানি পানে বিরত থাকতে হবে। না হয় ডায়রিয়া, জন্ডিসসহ নানা পেটের পীড়ায় লোকজন আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পৌরসভার ভারপ্রাপ্ত মেয়র আব্দুল্লাহ মনির বলেন, পৌরবাসীর চাহিদা অনুযায়ী পানি সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে না। পানি সংকট নিরসনে ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট চালু কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে। আশা করছি আগামী বছর পৌরসভায় পানির সমস্যা সমাধান হবে।

0 Comments