এম. শাহজাহান চৌধুরী শাহীন ॥
কক্সবাজার জেলা কারাগারে মিয়ানমার নাগরিককে মুক্তি করে দেওয়ার নামে টাকা নিয়ে প্রতারণার অভিযোগে এক কারারক্ষীকে স্ট্যান্ড রিলিজ করা হয়েছে। সোমবার তাকে কক্সবাজার কারাগার থেকে নোয়াখালী কারাগারে যোগদানের নির্দেশ দেওয়া হয়। জানা গেছে, কক্সবাজার জেলা কারাগারে ২০০৬ সাল থেকে বন্দি খলিলুর রহমানের ছেলে মোঃ আব্দুর রহিম। গত ২০০৮ সালে বিদেশী নাগরিক আইনে তার ২ বছরের সাজা শেষ হয়। এদিকে মিয়ানমারের এই নাগরিককে সেদেশের কর্তৃপক্ষ ফেরত না নেওয়ায় সাজার মেয়াদ শেষের পরও কক্সবাজার জেলা কারাগারে বন্দি জীবন কাটাচ্ছে তিনি। অপরদিকে এই মিয়ানমার নাগরিক মোঃ আব্দুর রহিমকে কারাগার থেকে মুক্ত করে দেওয়ার নামে কারারক্ষি আব্দু জলিল (নং-২২৭৭) ৩৫ হাজার টাকা গ্রহণ করে। চেক প্রতারণা মামলায় সাজা প্রাপ্ত কয়েদী সদরের চৌফলদন্ডী খামারপাড়ার বাসিন্দা বেলাল উদ্দিন বেলাল ও উক্ত কারারক্ষির সাথে আতাঁত করে পরবর্তীতে একটি ভূঁয়া মুক্তিনামাও তৈরি করেন। এই ভূঁয়া মুক্তি নামায় দীর্ঘ দেড় বছর ধরে মিয়ানমার নাগরিক মুক্তি না পাওয়ায় বিষয়টি কারাগারের সুবেদার আব্দুর রহিমসহ কারাকর্তৃপক্ষকে অবহিত করে।
কারাসূত্রে জানা গেছে, গত রোববার ৮ জুন কক্সবাজার জেলা কারাগার পরিদর্শনে আসেন ডিআইজি (প্রিজন চট্টগ্রাম)। পরিদর্শন কালে উক্ত প্রতারিত মিয়ানমার নাগরিক ঘটনাটি ডিআইজি প্রিজনকে অবহিত করেন। উপরোন্তু বিষয়টি তদন্ত করে সত্যতা পাওয়ায় প্রতারণায় জড়িত কারারক্ষি আব্দু জলিলকে স্ট্যান্ড রিলিজের নির্দেশ দেন। কক্সবাজার কারা জেলার আব্দুল বারেক জানান, অভিযুক্ত কারারক্ষি আব্দু জলিলকে সোমবার কক্সবাজার থেকে নোয়াখালী কারাগারে স্ট্যান্ড রিলিজ করা হয়। সেখান থেকে ওই কারারক্ষি কে প্রেষণে ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়া কারাগারে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তিনি আরো জানান, কারাবন্দিদের সাথে প্রতারণার ঘটনা এটাই প্রথম। তাকে শুধু স্ট্যান্ড রিলিজ নয়, বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার জন্যও উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে।
কক্সবাজার জেলা কারাগারে মিয়ানমার নাগরিককে মুক্তি করে দেওয়ার নামে টাকা নিয়ে প্রতারণার অভিযোগে এক কারারক্ষীকে স্ট্যান্ড রিলিজ করা হয়েছে। সোমবার তাকে কক্সবাজার কারাগার থেকে নোয়াখালী কারাগারে যোগদানের নির্দেশ দেওয়া হয়। জানা গেছে, কক্সবাজার জেলা কারাগারে ২০০৬ সাল থেকে বন্দি খলিলুর রহমানের ছেলে মোঃ আব্দুর রহিম। গত ২০০৮ সালে বিদেশী নাগরিক আইনে তার ২ বছরের সাজা শেষ হয়। এদিকে মিয়ানমারের এই নাগরিককে সেদেশের কর্তৃপক্ষ ফেরত না নেওয়ায় সাজার মেয়াদ শেষের পরও কক্সবাজার জেলা কারাগারে বন্দি জীবন কাটাচ্ছে তিনি। অপরদিকে এই মিয়ানমার নাগরিক মোঃ আব্দুর রহিমকে কারাগার থেকে মুক্ত করে দেওয়ার নামে কারারক্ষি আব্দু জলিল (নং-২২৭৭) ৩৫ হাজার টাকা গ্রহণ করে। চেক প্রতারণা মামলায় সাজা প্রাপ্ত কয়েদী সদরের চৌফলদন্ডী খামারপাড়ার বাসিন্দা বেলাল উদ্দিন বেলাল ও উক্ত কারারক্ষির সাথে আতাঁত করে পরবর্তীতে একটি ভূঁয়া মুক্তিনামাও তৈরি করেন। এই ভূঁয়া মুক্তি নামায় দীর্ঘ দেড় বছর ধরে মিয়ানমার নাগরিক মুক্তি না পাওয়ায় বিষয়টি কারাগারের সুবেদার আব্দুর রহিমসহ কারাকর্তৃপক্ষকে অবহিত করে।
কারাসূত্রে জানা গেছে, গত রোববার ৮ জুন কক্সবাজার জেলা কারাগার পরিদর্শনে আসেন ডিআইজি (প্রিজন চট্টগ্রাম)। পরিদর্শন কালে উক্ত প্রতারিত মিয়ানমার নাগরিক ঘটনাটি ডিআইজি প্রিজনকে অবহিত করেন। উপরোন্তু বিষয়টি তদন্ত করে সত্যতা পাওয়ায় প্রতারণায় জড়িত কারারক্ষি আব্দু জলিলকে স্ট্যান্ড রিলিজের নির্দেশ দেন। কক্সবাজার কারা জেলার আব্দুল বারেক জানান, অভিযুক্ত কারারক্ষি আব্দু জলিলকে সোমবার কক্সবাজার থেকে নোয়াখালী কারাগারে স্ট্যান্ড রিলিজ করা হয়। সেখান থেকে ওই কারারক্ষি কে প্রেষণে ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়া কারাগারে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তিনি আরো জানান, কারাবন্দিদের সাথে প্রতারণার ঘটনা এটাই প্রথম। তাকে শুধু স্ট্যান্ড রিলিজ নয়, বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার জন্যও উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে।

0 Comments