এম. শাহ আলম ॥
পর্যটন নগরী কক্সবাজারের হোটেল মোটেল জোন এলাকার লাইট হাউজ পাড়ায় সন্ত্রাসী এনাম বাহিনী আবারও তৎপর হয়ে উঠেছে। এই বাহিনীর হয়ে সন্ত্রাসী কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছে মিয়ানমারের নাগরিক তৈয়ব, জালাল, জমির ও জয়নাল। বিগত ১০/১২ বছর পূর্বে মিয়ানমার থেকে পরিবারের সাথে পালিয়ে এসে লাইট হাউস পাড়ায় আশ্রয় নেয় তারা। এরপর থেকে তারা সন্ত্রাসী এনাম বাহিনীর জুনিয়র গ্র“ফের হয়ে হোটেল মোটেল জোন সহ ওই এলাকায় সন্ত্রাসী কর্মকান্ড চালিয়ে আসছিল। এই বাহিনীর গ্যাং লিডার এনাম কক্সবাজারের বিভিন্ন হত্যা, অস্ত্র, মাদক ব্যবসা ও ছিনতাই সহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ড চালিয়ে আসলে তার বিরুদ্ধে প্রায় এক ডজন মামলা রয়েছে বলে জানা যায়। তিনি এসব অপরাধ কর্মকান্ড চালিয়ে আসার ফলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তাকে ক্রসফায়ার দেওয়ারও অর্ডার রয়েছে বলে সূত্রে জানা যায়। এর পর থেকে এই বাহিনীর গ্যাং লিডার এনাম আইন শৃঙ্খলাবাহিনীর চোখকে ফাঁকি দিয়ে নিজেকে আড়াঁল করতে আত্মগোপনে রয়েছে। কিন্তু তিনি আত্মগোপনে থাকলেও তারা বাহিনী ওইসব ক্যাডাররা ইয়াবা, ছিনতাই, ডাকাতিসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছে। প্রতিমাসে এসব অপরাধ কর্মকান্ডের মাসোহারা তার জন্য পাঠিয়ে দেয় বলে সূত্রে জানা যায়। এই বাহিনীর তৈয়ব, জালাল, জমির ও জয়নাল তারা মিয়ানমারের নাগরিক হওয়ায় প্রতিনিয়ত মিয়ানমারে যাওয়া আসা করে থাকেন। মিয়ানমার থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারি বাহিনীর চোখকে ফাঁকি দিয়ে ইয়াবা সহ বিভিন্ন মাদক দ্রব্য এনে হোটেল মোটেল জোনে ব্যবসা ও দেশের বিভিন্ন জেলায় ব্যবসা করে তারা এখন আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ। তারা ইয়াবা সহ বিভিন্ন শরণার্থী ক্যাম্পের যুবতী মেয়ে এনে দেহ ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে বলে একাধিক সূত্রে জানা যায়। অন্যদিকে এসব সন্ত্রাসীদের কাছ থেকে রেহায় পাই নি ভ্রমণ করতে আসা পর্যটকরাও। তারা বিভিন্ন পর্যটকদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে টাকা, মোবাইল, স্বর্ণসহ মূল্যবান জিনিস ছিনতাই করার অভিযোগও রয়েছে। ওইসব সন্ত্রাসীরা বাংলাদেশী নাগরিক না হয়েও বীরদর্পে এসব অপরাধ কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছে। অপরদিকে এসব সন্ত্রাসীদের সাথে কক্সবাজারের আরেক আলোচিত বহু হত্যা, অস্ত্র, অপহরণ, ছিনতাই মামলার আসামী সিফাত বাহিনীর সাথে তাদের যোগাযোগ রয়েছে। তারাসহ গত ৭ জুন বাসটার্মিনাল এলাকার ইসলামবাদ ফকিরাপাড়ায় ডাকাতির টাকা ও মালামাল ভাগভাটোয়ারা করার সময় তাদের মাঝে বণিবনা না হওয়ায় গুলাগুলি হয়। এসময় আরেফা নামে এক মহিলা গুলিবৃদ্ধ হয়। এ বিষয়ে স্থানীয় কয়েকজন এলাকাবাসী জানায়, এসব সন্ত্রাসীরা দিনে হলে আত্মগোপনে চলে যায়, রাত হলে বিভিন্ন এলাকায় ছিনতাই, ডাকাতি, অপহরণ ও ইয়াবা ব্যবসাসহ বিভিন্ন ধরনের অপকর্ম চালিয়ে যায়। ইতিমধ্যে এসব সন্ত্রাসীরা গুলাগুলি করে ১ জনকে হত্যা করে মাটির নিচে পুতে রেখে চলে যায় এবং তাদের গুলাগুলিতে অনেক লোক হাতহত হয়। ওইসব সন্ত্রাসী বাহিনী একত্রিত হয়ে পুরো কক্সবাজারের মানুষকে জিম্মি করে রাখলেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাদেরকে খুঁেজ আইনের আওতায় এনে কক্সবাজারের আইনশৃঙ্খলাকে স্বাভাবিক না রাখায় জনমনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। তাই এই সব সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার করে শাস্তি শৃঙ্খলা ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য সরকারের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন কক্সবাজারের সচেতন নাগরিক। এবিষয়ে জেলা ডিবি পুলিশের সেকেন্ড অফিসার এস আই নুরুদ্দিন জাহেদ জানান, যারা সন্ত্রাসী কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছে তাদেরকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। তবে কারা কারা সন্ত্রাসী কর্মকান্ড চালিয়ে আইনশৃঙ্খলাকে বিঘিœত করছে তাদের পুরো তালিকা আমাদের কাছে নেই। এসব তালিকা পুলিশের কাছে রয়েছে। এব্যাপারে কক্সবাজার সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মাহফুজুর রহমান বলেন, যারা কক্সবাজারের সন্ত্রাসী কর্মকান্ড চালিয়ে হত্যা, চুরি, ছিনতাই, অপহরণ, গুম করে যাচ্ছে তাদেরকে খুঁজে আইনের আওতায় আনা হচ্ছে। যারা আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটাবে তাদেরকে রেহাই দেয়া যাবে না।
পর্যটন নগরী কক্সবাজারের হোটেল মোটেল জোন এলাকার লাইট হাউজ পাড়ায় সন্ত্রাসী এনাম বাহিনী আবারও তৎপর হয়ে উঠেছে। এই বাহিনীর হয়ে সন্ত্রাসী কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছে মিয়ানমারের নাগরিক তৈয়ব, জালাল, জমির ও জয়নাল। বিগত ১০/১২ বছর পূর্বে মিয়ানমার থেকে পরিবারের সাথে পালিয়ে এসে লাইট হাউস পাড়ায় আশ্রয় নেয় তারা। এরপর থেকে তারা সন্ত্রাসী এনাম বাহিনীর জুনিয়র গ্র“ফের হয়ে হোটেল মোটেল জোন সহ ওই এলাকায় সন্ত্রাসী কর্মকান্ড চালিয়ে আসছিল। এই বাহিনীর গ্যাং লিডার এনাম কক্সবাজারের বিভিন্ন হত্যা, অস্ত্র, মাদক ব্যবসা ও ছিনতাই সহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ড চালিয়ে আসলে তার বিরুদ্ধে প্রায় এক ডজন মামলা রয়েছে বলে জানা যায়। তিনি এসব অপরাধ কর্মকান্ড চালিয়ে আসার ফলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তাকে ক্রসফায়ার দেওয়ারও অর্ডার রয়েছে বলে সূত্রে জানা যায়। এর পর থেকে এই বাহিনীর গ্যাং লিডার এনাম আইন শৃঙ্খলাবাহিনীর চোখকে ফাঁকি দিয়ে নিজেকে আড়াঁল করতে আত্মগোপনে রয়েছে। কিন্তু তিনি আত্মগোপনে থাকলেও তারা বাহিনী ওইসব ক্যাডাররা ইয়াবা, ছিনতাই, ডাকাতিসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছে। প্রতিমাসে এসব অপরাধ কর্মকান্ডের মাসোহারা তার জন্য পাঠিয়ে দেয় বলে সূত্রে জানা যায়। এই বাহিনীর তৈয়ব, জালাল, জমির ও জয়নাল তারা মিয়ানমারের নাগরিক হওয়ায় প্রতিনিয়ত মিয়ানমারে যাওয়া আসা করে থাকেন। মিয়ানমার থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারি বাহিনীর চোখকে ফাঁকি দিয়ে ইয়াবা সহ বিভিন্ন মাদক দ্রব্য এনে হোটেল মোটেল জোনে ব্যবসা ও দেশের বিভিন্ন জেলায় ব্যবসা করে তারা এখন আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ। তারা ইয়াবা সহ বিভিন্ন শরণার্থী ক্যাম্পের যুবতী মেয়ে এনে দেহ ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে বলে একাধিক সূত্রে জানা যায়। অন্যদিকে এসব সন্ত্রাসীদের কাছ থেকে রেহায় পাই নি ভ্রমণ করতে আসা পর্যটকরাও। তারা বিভিন্ন পর্যটকদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে টাকা, মোবাইল, স্বর্ণসহ মূল্যবান জিনিস ছিনতাই করার অভিযোগও রয়েছে। ওইসব সন্ত্রাসীরা বাংলাদেশী নাগরিক না হয়েও বীরদর্পে এসব অপরাধ কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছে। অপরদিকে এসব সন্ত্রাসীদের সাথে কক্সবাজারের আরেক আলোচিত বহু হত্যা, অস্ত্র, অপহরণ, ছিনতাই মামলার আসামী সিফাত বাহিনীর সাথে তাদের যোগাযোগ রয়েছে। তারাসহ গত ৭ জুন বাসটার্মিনাল এলাকার ইসলামবাদ ফকিরাপাড়ায় ডাকাতির টাকা ও মালামাল ভাগভাটোয়ারা করার সময় তাদের মাঝে বণিবনা না হওয়ায় গুলাগুলি হয়। এসময় আরেফা নামে এক মহিলা গুলিবৃদ্ধ হয়। এ বিষয়ে স্থানীয় কয়েকজন এলাকাবাসী জানায়, এসব সন্ত্রাসীরা দিনে হলে আত্মগোপনে চলে যায়, রাত হলে বিভিন্ন এলাকায় ছিনতাই, ডাকাতি, অপহরণ ও ইয়াবা ব্যবসাসহ বিভিন্ন ধরনের অপকর্ম চালিয়ে যায়। ইতিমধ্যে এসব সন্ত্রাসীরা গুলাগুলি করে ১ জনকে হত্যা করে মাটির নিচে পুতে রেখে চলে যায় এবং তাদের গুলাগুলিতে অনেক লোক হাতহত হয়। ওইসব সন্ত্রাসী বাহিনী একত্রিত হয়ে পুরো কক্সবাজারের মানুষকে জিম্মি করে রাখলেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাদেরকে খুঁেজ আইনের আওতায় এনে কক্সবাজারের আইনশৃঙ্খলাকে স্বাভাবিক না রাখায় জনমনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। তাই এই সব সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার করে শাস্তি শৃঙ্খলা ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য সরকারের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন কক্সবাজারের সচেতন নাগরিক। এবিষয়ে জেলা ডিবি পুলিশের সেকেন্ড অফিসার এস আই নুরুদ্দিন জাহেদ জানান, যারা সন্ত্রাসী কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছে তাদেরকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। তবে কারা কারা সন্ত্রাসী কর্মকান্ড চালিয়ে আইনশৃঙ্খলাকে বিঘিœত করছে তাদের পুরো তালিকা আমাদের কাছে নেই। এসব তালিকা পুলিশের কাছে রয়েছে। এব্যাপারে কক্সবাজার সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মাহফুজুর রহমান বলেন, যারা কক্সবাজারের সন্ত্রাসী কর্মকান্ড চালিয়ে হত্যা, চুরি, ছিনতাই, অপহরণ, গুম করে যাচ্ছে তাদেরকে খুঁজে আইনের আওতায় আনা হচ্ছে। যারা আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটাবে তাদেরকে রেহাই দেয়া যাবে না।

0 Comments