আবদুল মজিদ, চকরিয়া:
চকরিয়ায় এক তরুনীকে অপহরন করে ধর্ষনের অভিযোগে গত মঙ্গলবার রাতে চকরিয়া থানায় ৫জনকে আসামি করে একটি মামলা রুজু করেছে পুলিশ। এঘটনায় পুলিশ মামলার প্রধান আসামি শামীমুল ইসলাম মানিক নামের একজনকে আটকও করেছে। তবে ওই মামলার বাদি ও পুলিশের অগোচরে হত্যা মামলার আসামি আবদুল কাদের নামে থানার এক পেশাদার দালালের প্ররোচনায় দৈনিক চকোরী পত্রিকার প্রতিনিধি শাহাদাত আলী নামের এক সাংবাদিককে মামলায় ৫নম্বর আসামি করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার পর চকরিয়ায় কর্মরত সাংবাদিকদের মাঝে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তাৎক্ষনিক ঘটনার নিন্দা জানিয়ে অভিযুক্ত দালাল আবদুল কাদেরের বিরুদ্ধে এব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য চকরিয়া থানার ওসি প্রভাষ চন্দ্র ধরের কাছে সাংবাদিকরা উপস্থিত হয়ে এসব অভিযোগ করেন।
পরে ওসির উপস্থিতি মামলার বাদি ভিকটিম ও তার বাবা লিখিতভাবে জানিয়েছেন, মামলায় সাংবাদিক শাহাদাত আলীকে আসামি করার ব্যাপারটি তাঁরা জানতেন না। থানার দালাল আবদুল কাদের কৌশলে মামলার এজাহারে ওই সাংবাদিকের নাম অর্ন্তভুক্ত করেছে। ওসি’র কাছে দেয়া লিখিত আর্জিতে বাদি ও তার বাবা দাবি করেন, সাংবাদিক শাহাদাত আলী ঘটনার সাথে জড়িত নেই এবং তাঁরা ওই সাংবাদিককে আসামি করার জন্য কাউকে বলেনি।
এসময় উপস্থিত ছিলেন দৈনিক যুগান্তরের জহিরুল ইসলাম, দৈনিক পুর্বকোণের এম.জাহেদ চৌধুরী, দৈনিক দিনকাল ও আমাদের কক্সবাজারের এএম ওমর আলী, দৈনিক কালের কন্ঠ, আজাদীর ছোটন কান্তি নাথ, সংবাদ, সুপ্রভাত বাংলাদেশ ও ইনানী প্রতিনিধি এম.জিয়াবুল হক, দৈনিক করতোয়া প্রতিনিধি এম. আলী হোসেন, দৈনিক সমুদ্রবার্তার জামাল হোছাইন, দৈনিক বাঁকখালীর জিয়াউদ্দিন ফারুক, আজকের কক্সবাজারের কেএম অলিউল্লাহ রনি, সাগর দেশ পত্রিকার মনছুর আলম সহ চকরিয়ার কর্মরত সাংবাদিকরা উপস্থিত হয়ে তীব্র নিন্দা ও নিন্দা জানিয়েছেন।
বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রভাষ চন্দ্র ধর বলেন, বাদির অগোচরে মামলায় সাংবাদিককে আসামি করার ঘটনাটি সত্যিই দু:খজনক। বাদি ঘটনার ভিকটিম ও তার বাবা লিখিতভাবে জানিয়েছেন, সাংবাদিক শাহাদাত আলী এঘটনায় জড়িত নেই এবং তিনি এ মামলার আসামি নন। কাজেই তাকে এ মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হবে। তবে এ ঘটনার পেছনে জড়িত আবদুল কাদের নামের ওই ব্যক্তিকে গ্রেফতারের জন্য পুলিশকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। থানায় দালাল প্রথা কোনভাবে মেনে নেওয়া যাবেনা
চকরিয়ায় এক তরুনীকে অপহরন করে ধর্ষনের অভিযোগে গত মঙ্গলবার রাতে চকরিয়া থানায় ৫জনকে আসামি করে একটি মামলা রুজু করেছে পুলিশ। এঘটনায় পুলিশ মামলার প্রধান আসামি শামীমুল ইসলাম মানিক নামের একজনকে আটকও করেছে। তবে ওই মামলার বাদি ও পুলিশের অগোচরে হত্যা মামলার আসামি আবদুল কাদের নামে থানার এক পেশাদার দালালের প্ররোচনায় দৈনিক চকোরী পত্রিকার প্রতিনিধি শাহাদাত আলী নামের এক সাংবাদিককে মামলায় ৫নম্বর আসামি করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার পর চকরিয়ায় কর্মরত সাংবাদিকদের মাঝে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তাৎক্ষনিক ঘটনার নিন্দা জানিয়ে অভিযুক্ত দালাল আবদুল কাদেরের বিরুদ্ধে এব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য চকরিয়া থানার ওসি প্রভাষ চন্দ্র ধরের কাছে সাংবাদিকরা উপস্থিত হয়ে এসব অভিযোগ করেন।
পরে ওসির উপস্থিতি মামলার বাদি ভিকটিম ও তার বাবা লিখিতভাবে জানিয়েছেন, মামলায় সাংবাদিক শাহাদাত আলীকে আসামি করার ব্যাপারটি তাঁরা জানতেন না। থানার দালাল আবদুল কাদের কৌশলে মামলার এজাহারে ওই সাংবাদিকের নাম অর্ন্তভুক্ত করেছে। ওসি’র কাছে দেয়া লিখিত আর্জিতে বাদি ও তার বাবা দাবি করেন, সাংবাদিক শাহাদাত আলী ঘটনার সাথে জড়িত নেই এবং তাঁরা ওই সাংবাদিককে আসামি করার জন্য কাউকে বলেনি।
এসময় উপস্থিত ছিলেন দৈনিক যুগান্তরের জহিরুল ইসলাম, দৈনিক পুর্বকোণের এম.জাহেদ চৌধুরী, দৈনিক দিনকাল ও আমাদের কক্সবাজারের এএম ওমর আলী, দৈনিক কালের কন্ঠ, আজাদীর ছোটন কান্তি নাথ, সংবাদ, সুপ্রভাত বাংলাদেশ ও ইনানী প্রতিনিধি এম.জিয়াবুল হক, দৈনিক করতোয়া প্রতিনিধি এম. আলী হোসেন, দৈনিক সমুদ্রবার্তার জামাল হোছাইন, দৈনিক বাঁকখালীর জিয়াউদ্দিন ফারুক, আজকের কক্সবাজারের কেএম অলিউল্লাহ রনি, সাগর দেশ পত্রিকার মনছুর আলম সহ চকরিয়ার কর্মরত সাংবাদিকরা উপস্থিত হয়ে তীব্র নিন্দা ও নিন্দা জানিয়েছেন।
বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রভাষ চন্দ্র ধর বলেন, বাদির অগোচরে মামলায় সাংবাদিককে আসামি করার ঘটনাটি সত্যিই দু:খজনক। বাদি ঘটনার ভিকটিম ও তার বাবা লিখিতভাবে জানিয়েছেন, সাংবাদিক শাহাদাত আলী এঘটনায় জড়িত নেই এবং তিনি এ মামলার আসামি নন। কাজেই তাকে এ মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হবে। তবে এ ঘটনার পেছনে জড়িত আবদুল কাদের নামের ওই ব্যক্তিকে গ্রেফতারের জন্য পুলিশকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। থানায় দালাল প্রথা কোনভাবে মেনে নেওয়া যাবেনা

0 Comments