Advertisement

জালিয়াপালংয়ে কর্মসৃজন প্রকল্পের নামে হরিলুটের অভিযোগ

স্টাফ রির্পোটার,উখিয়া ॥                  
উখিয়ায় চলমান ৪০ দিনের হত দরিদ্রদের কর্মসংস্থান কর্মসূচির নামে ব্যাপক পুকুর চুরির ঘটনায় জনমনে প্রচন্ড ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। গ্রামবাসীর অভিযোগ জালিয়াপালং ইউনিয়নে নামমাত্র কর্মসৃজন প্রকল্পের নাম দিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা আত্বসাত করছে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের চেয়ারম্যানসহ মেম্বার,টেক
অফিসার সহ অন্যন্যারা। সরজমিন ইউনিয়নের কয়েকটি প্রকল্প ঘুরে নগন্য সংখ্যক নামমাত্র শ্রমিকের উপস্থিতি দেখা গেছে।
জানা গেছে, প্রায় আড়াই কোটি টাকা বরাদ্দে গত ৩ মে থেকে এ উপজেলার ৫ ইউনিয়নে হত দরিদ্রদের কর্মসংস্থান কর্মসূচীর কাজ শুরু হয়। প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস সূত্রে জানা গেছে, ৪০ দিনের উক্ত কর্মসূচিতে জালিয়াপালং ইউনিয়নের ৮টি প্রকল্পের জন্য ৫০০শত জন শ্রমিক নিয়োগের কথা বলা হলেও নামমাত্র শ্রমিকের উপস্থিতি দেখিয়ে হতদরিদ্রদের লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার কাজ ইতিমধ্যে শেষ করেছেন চেয়ারম্যান,মেম্বারসহ সংশ্লিষ্টরা।, প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা প্রতিবারের ন্যায় এবারও শ্রমিকের নাম ভাঙ্গিয়ে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার জন্য নগন্য সংখ্যক শ্রমিক দিয়ে দায়সারাভাবে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। এলাকার বাসীর অভিযোগ জালিয়াপালং ইউনিয়নে বেশির ভাগ শ্রমিক কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার কারণে কর্মসৃজন প্রকল্প ভেস্তে যাওয়ার পাশাপাশি বরাদ্ধকৃত টাকার সিংহভাগ লুটপাটের আয়োজন সম্পন্ন করেছেন সংশ্লিষ্টরা। গত ৪ সপ্তাহ  কর্মসৃজন প্রকল্পের কাজ অতিবাহিত হলেও কাজের উন্নয়নের চিত্র ও প্রকল্পের অস্থিত্বও খুঁজে পাওয়া যাচেছ না এলাকায়। বিশেষ করে রাস্তা নির্মান করার নামে পুরানো রাস্তা গুলোর উপর শুধুমাত্র প্রলেপ দিয়ে কাজ শেষ করা হচ্ছে।  অনেকে ক্ষেত্রে শ্রমিকদের দিয়ে করানো হচ্ছে ব্যাক্তিগত কাজ। এমনও অভিযোগ রয়েছে. এলাকায় শ্রমিক হিসেবে সরকার দলের নেতাদের নাম দেখিয়ে ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলন করা হচ্ছে। এক্ষেত্রে  সংশি¬ষ্ট ব্যাংকের ম্যানেজারকে কমিশন দেওয়া হচ্ছে। বলতে গেলে ,ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান,মেম্বার,টেক অফিসার ও ব্যাংক ম্যানেজার মিলেমিশে কথিত কর্মসৃজনের কাজ দেখিয়ে সরকারের মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে প্রকল্পের নামে দিয়ে। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: সাইফুল ইসলাম জানান, ইতিমধ্যে কিছু প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়মের কারনে কর্মসৃজন প্রকল্পের শ্রমিকদের মজুরী প্রদান বন্ধ রাখা হয়েছে। তালিকা অনুযায়ী প্রকল্পের কাজ শতভাগ সম্পন্ন হয়েছে কিনা যাচাই করব। তা নাহলে  প্রকল্পের টাকা বন্ধ রাখা হবে।

Post a Comment

0 Comments