উখিয়া সংবাদদাতা, কক্সমিরর॥
মিয়ানমার থেকে অবৈধ ভাবে পালিয়ে আসা ও উখিয়া-টেকনাফের শরণার্থী শিবিরে বসবাসরত এবং গ্রামে-গঞ্জে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা রোহিঙ্গারা হজ্ব ও ওমরা ভিসায় সৌদি আরব পাড়ি জমাচ্ছে। বুধবার রাতে চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর পুলিশ ওমরা ভিসা নিয়ে সৌদি আরব যাওয়ার উদ্দেশ্যে বর্হিগমন বিভাগে অবস্থানকালে ৭জন রোহিঙ্গা নাগরিককে আটক করে।
এভাবে রোহিঙ্গা নাগরিকরা কৌশলে বিভিন্ন এলাকার ভূয়া ঠিকানা দিয়ে বাংলাদেশী পার্সপোর্ট নিয়ে বিভিন্ন বিমান বন্দর নিয়ে সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে পাড়ি জমানোর সময় কমপক্ষে শতাধিক রোহিঙ্গা নাগরিক আটক হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। যার ফলে বিভিন্ন দেশে গিয়ে রোহিঙ্গা চুরি, ডাকাতিসহ নানা অপকর্মে জড়িয়ে বাংলাদেশী শ্রমিকদের উপর বদনামের বোঝা তুলে দিচ্ছে।
এছাড়া জন শক্তি রপ্তানি ও বিদেশে কর্মসংস্থানের অন্যতম উৎস সৌদি আরবে বাংলাদেশের ভাবমুর্তি ক্ষুন্ন ও জন শক্তি রপ্তানী আশাতীত হ্রাস পেয়েছে। এতে প্রবাসীদের রেমিটেন্স প্রেরণ ও কমে যাচ্ছে বলে নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে।
উখিয়ার কুতুপালং শরণার্থী শিবির ও টেকনাফের নয়াপাড়া শরণার্থী শিবিরের রেজিঃ ও আন-রেজিঃ রোহিঙ্গারা বাংলাদেশী পাসপোর্ট নিয়ে সৌদি আরবে গিয়ে সে দেশের লোকজনদের কাছে বাংলাদেশে অবস্থানকারী বৈধ-অবৈধ রোহিঙ্গারা ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠানে বাধার সম্মূখিন হচ্ছে এবং রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ধর্মীয় রীতি-নীতি পালন ও শিক্ষার পর্যাপ্ত মসজিদ ও মাদ্রাসা নেই মর্মে সৌদি আরব সহ বিভিন্ন মুসলিম দেশের নেতাদের কাছে মসজিদ ও মাদ্রাসা স্থাপনের নামে মোটা অংকের চাঁদা বানিজ্য করছে মর্মে এখানকার শরণার্থীরা জানান।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে বেশ কিছু রোহিঙ্গা শরণার্থী বলেন, সৌদি আরবের জেদ্দায় রোহিঙ্গাদের উগ্রপন্থি সংগঠন রোহিঙ্গা সলিডারিটি অর্গানাইজেশন বা আরএসও সহ বেশ কয়েকটি উগ্রপন্থি রোহিঙ্গা সংগঠনের সমন্বয়ে সৌদিতে গঠিত ইন্টারন্যাশনাল রোহিঙ্গা কনফেডারেশন বা আইআরসির সাথে সমন্বয় করে বাংলাদেশে তাদের তৎপরতা চালানোর পরিকল্পনা করছে।
হাফেজ জালাল সহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে রোহিঙ্গারা সরকারের বিভিন্ন উচ্চ পর্যায়ে শিবির অভ্যন্তরে বেআইনী ভাবে প্রতিষ্ঠিত মাদ্রাসা ও মসজিদের নামে বিভিন্ন দেশ থেকে মোটা অংকের চাঁদা এনে উগ্র সংগঠনগুলোকে পৃষ্ঠপোষকতা প্রদান ও অর্থ আতœসাতের অভিযোগ তুলেছে। এসবের কোন ব্যবস্থা না নেওয়ায় রোহিঙ্গা উগ্রপন্থিরা বার বার সাধারণ শরণার্থীদের স্বদেশ প্রত্যাবাসন বিরোধী উস্কানি দিয়ে যাচ্ছে বলে রোহিঙ্গারা দাবী করেন।
গেল বছর হাফেজ জালালের মত আরও অনেক রোহিঙ্গা মাস দু’য়েকের মধ্যে বাংলাদেশী পাসপোর্ট নিয়ে সৌদি আরব চলে যান ওমরা হজ্ব করার নামে। সে ওখানে গিয়ে রোহিঙ্গা নেতাদের সাথে বৈঠক করে মোটা অংকের টাকা নিয়ে এসে অসহায় রোহিঙ্গাদের সেবা ও মসজিদ মাদ্রাসা নির্মাণের কথা বলে। তারা সকলে আড়াই থেকে তিন লক্ষ টাকার বিনিময়ে দালালের মাধ্যমে ঢাকার ফকিরা পুল, পুরানা পল্টন, চট্টগ্রাম, নয়া পল্টন সহ সিলেটের জিন্দা বাজারস্থ কিছু রিক্রুটিং এন্ড ট্রাভেলস এজেন্সির মাধ্যমে ওমরা হজ্বের নামে সৌদি আরব পাচার হয়ে যায়।
খবর নিয়ে জানা গেছে, এসব রিক্রুটিং এজেন্সিগুলো কৌশলের আশ্রয় নিয়ে অতিরিক্ত অর্থের বিনিময়ে ঢাকা সহ দেশের অন্যান্য অঞ্চলের ভূঁয়া নাম, ঠিকানা দিয়ে প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে সংশি¬ষ্ট পাসপোর্ট অফিস ও থানাকে ম্যানেজ করে পাসপোর্ট বানিয়ে বিভিন্ন রোহিঙ্গাদের পাচারকার্য চালিয়ে যাচ্ছে।
চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার জেলার ঠিকানা ব্যবহার না করার পেছনে জানা গেছে, এজেন্সি ও দালালরা এ দুই জেলায় সংশি¬ষ্ট পুলিশ ছাড় পত্র প্রাপ্তি ও পাসপোর্ট অফিসগুলো রোহিঙ্গাদের ব্যাপারে অধিকতর যাচাই-বাছাই ও তৎপর বিধায় ঢাকা সহ অন্যান্য জেলায় এতসব ঝামেলায় পড়তে হয় না।
এছাড়াও কোন এজেন্সি যদি অতিরিক্ত অর্থের বিনিময়ে ১৫ জন রোহিঙ্গাও বিদেশে পাঠাতে পারে এবং তারা যদি ফেরত নাও আসে তাতে ক্ষতি নেই। কেননা বাংলাদেশ থেকে প্রেরিত রোহিঙ্গাদের পাসপোর্ট ফিরতি এয়ার টিকেট ওই সব দালাল ও এজেন্সির লোকেরা সংগ্রহ করে নিয়ে ফেলে। এসব পাসপোর্ট এ ছবি পাল্টিয়ে পূর্বে থেকে সৌদি আরবে অবস্থানকারী (অবৈধ ভাবে) বাংলাদেশী বা রোহিঙ্গাদের নিকট মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে এয়ার টিকেট সহ বিক্রি করে থাকে।
রোহিঙ্গা শরণার্থীরা সৌদি আরব গমনের ব্যাপারে শরণার্থী ফজল করিম, আজিজুল হক, আবদুর রহমানসহ অনেকে বলেন, ইতিমধ্যে বিভিন্ন দাতা দেশের সহাতায় প্রায় ১১শ জনের মত রোহিঙ্গা শরণার্থীদের বাংলাদেশ থেকে ৩য় দেশে বা আমেরিকা, কানাডা, অষ্ট্রেলিয়া, সুইজারল্যন্ড সহ বেশ কয়েকটি ইউরোপীয় দেশে পুর্নবাসন করেছে। এসব পুর্ণবাসিত রোহিঙ্গাদের প্রেরিত অর্থে তাদের নিকট আতœীয়রা স্বাভাবিকের চেয়ে অতিরিক্ত অর্থের বিনিময়ে ওমরা হজ্বের নামে সৌদি আরব পাচার হয়ে যাচ্ছে।
তাছাড়া সৌদি আরব সহ বিভিন্ন দেশে পাচার হওয়া রোহিঙ্গাদের পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের বিদেশ থেকে প্রেরিত অর্থে স্থানীয় ভাবে বন বিভাগের রক্ষিত বনভূমি ও উপকুলের চরাঞ্চলের খাস জমির দখল কিনে বসতি গড়ে তুলছে।
অন্যদিকে বিদেশে অবস্থান করলেও এখানে শরণার্থী শিবিরে বাংলাদেশ সরকার ও ইউএনএইচসিআরের প্রদত্ত যাবতীয় সুযোগ সুবিধা তাদের পরিবারের অন্যান্যরা ভোগ করছে বলে খবর পাওয়া গেছে।
এ ব্যাপারে কুতুপালং শরণার্থী শিবির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও সহকারী সচিব জালাল উদ্দিন বলেন, তালিকাভুক্ত শরণার্থীরা বাংলাদেশী পাসপোর্ট নিয়ে বা অন্য কোন উপায়ে সৌদি আরব গমন সম্পর্কে আমার জানা নেই।
মিয়ানমার থেকে অবৈধ ভাবে পালিয়ে আসা ও উখিয়া-টেকনাফের শরণার্থী শিবিরে বসবাসরত এবং গ্রামে-গঞ্জে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা রোহিঙ্গারা হজ্ব ও ওমরা ভিসায় সৌদি আরব পাড়ি জমাচ্ছে। বুধবার রাতে চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর পুলিশ ওমরা ভিসা নিয়ে সৌদি আরব যাওয়ার উদ্দেশ্যে বর্হিগমন বিভাগে অবস্থানকালে ৭জন রোহিঙ্গা নাগরিককে আটক করে।
এভাবে রোহিঙ্গা নাগরিকরা কৌশলে বিভিন্ন এলাকার ভূয়া ঠিকানা দিয়ে বাংলাদেশী পার্সপোর্ট নিয়ে বিভিন্ন বিমান বন্দর নিয়ে সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে পাড়ি জমানোর সময় কমপক্ষে শতাধিক রোহিঙ্গা নাগরিক আটক হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। যার ফলে বিভিন্ন দেশে গিয়ে রোহিঙ্গা চুরি, ডাকাতিসহ নানা অপকর্মে জড়িয়ে বাংলাদেশী শ্রমিকদের উপর বদনামের বোঝা তুলে দিচ্ছে।
এছাড়া জন শক্তি রপ্তানি ও বিদেশে কর্মসংস্থানের অন্যতম উৎস সৌদি আরবে বাংলাদেশের ভাবমুর্তি ক্ষুন্ন ও জন শক্তি রপ্তানী আশাতীত হ্রাস পেয়েছে। এতে প্রবাসীদের রেমিটেন্স প্রেরণ ও কমে যাচ্ছে বলে নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে।
উখিয়ার কুতুপালং শরণার্থী শিবির ও টেকনাফের নয়াপাড়া শরণার্থী শিবিরের রেজিঃ ও আন-রেজিঃ রোহিঙ্গারা বাংলাদেশী পাসপোর্ট নিয়ে সৌদি আরবে গিয়ে সে দেশের লোকজনদের কাছে বাংলাদেশে অবস্থানকারী বৈধ-অবৈধ রোহিঙ্গারা ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠানে বাধার সম্মূখিন হচ্ছে এবং রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ধর্মীয় রীতি-নীতি পালন ও শিক্ষার পর্যাপ্ত মসজিদ ও মাদ্রাসা নেই মর্মে সৌদি আরব সহ বিভিন্ন মুসলিম দেশের নেতাদের কাছে মসজিদ ও মাদ্রাসা স্থাপনের নামে মোটা অংকের চাঁদা বানিজ্য করছে মর্মে এখানকার শরণার্থীরা জানান।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে বেশ কিছু রোহিঙ্গা শরণার্থী বলেন, সৌদি আরবের জেদ্দায় রোহিঙ্গাদের উগ্রপন্থি সংগঠন রোহিঙ্গা সলিডারিটি অর্গানাইজেশন বা আরএসও সহ বেশ কয়েকটি উগ্রপন্থি রোহিঙ্গা সংগঠনের সমন্বয়ে সৌদিতে গঠিত ইন্টারন্যাশনাল রোহিঙ্গা কনফেডারেশন বা আইআরসির সাথে সমন্বয় করে বাংলাদেশে তাদের তৎপরতা চালানোর পরিকল্পনা করছে।
হাফেজ জালাল সহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে রোহিঙ্গারা সরকারের বিভিন্ন উচ্চ পর্যায়ে শিবির অভ্যন্তরে বেআইনী ভাবে প্রতিষ্ঠিত মাদ্রাসা ও মসজিদের নামে বিভিন্ন দেশ থেকে মোটা অংকের চাঁদা এনে উগ্র সংগঠনগুলোকে পৃষ্ঠপোষকতা প্রদান ও অর্থ আতœসাতের অভিযোগ তুলেছে। এসবের কোন ব্যবস্থা না নেওয়ায় রোহিঙ্গা উগ্রপন্থিরা বার বার সাধারণ শরণার্থীদের স্বদেশ প্রত্যাবাসন বিরোধী উস্কানি দিয়ে যাচ্ছে বলে রোহিঙ্গারা দাবী করেন।
গেল বছর হাফেজ জালালের মত আরও অনেক রোহিঙ্গা মাস দু’য়েকের মধ্যে বাংলাদেশী পাসপোর্ট নিয়ে সৌদি আরব চলে যান ওমরা হজ্ব করার নামে। সে ওখানে গিয়ে রোহিঙ্গা নেতাদের সাথে বৈঠক করে মোটা অংকের টাকা নিয়ে এসে অসহায় রোহিঙ্গাদের সেবা ও মসজিদ মাদ্রাসা নির্মাণের কথা বলে। তারা সকলে আড়াই থেকে তিন লক্ষ টাকার বিনিময়ে দালালের মাধ্যমে ঢাকার ফকিরা পুল, পুরানা পল্টন, চট্টগ্রাম, নয়া পল্টন সহ সিলেটের জিন্দা বাজারস্থ কিছু রিক্রুটিং এন্ড ট্রাভেলস এজেন্সির মাধ্যমে ওমরা হজ্বের নামে সৌদি আরব পাচার হয়ে যায়।
খবর নিয়ে জানা গেছে, এসব রিক্রুটিং এজেন্সিগুলো কৌশলের আশ্রয় নিয়ে অতিরিক্ত অর্থের বিনিময়ে ঢাকা সহ দেশের অন্যান্য অঞ্চলের ভূঁয়া নাম, ঠিকানা দিয়ে প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে সংশি¬ষ্ট পাসপোর্ট অফিস ও থানাকে ম্যানেজ করে পাসপোর্ট বানিয়ে বিভিন্ন রোহিঙ্গাদের পাচারকার্য চালিয়ে যাচ্ছে।
চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার জেলার ঠিকানা ব্যবহার না করার পেছনে জানা গেছে, এজেন্সি ও দালালরা এ দুই জেলায় সংশি¬ষ্ট পুলিশ ছাড় পত্র প্রাপ্তি ও পাসপোর্ট অফিসগুলো রোহিঙ্গাদের ব্যাপারে অধিকতর যাচাই-বাছাই ও তৎপর বিধায় ঢাকা সহ অন্যান্য জেলায় এতসব ঝামেলায় পড়তে হয় না।
এছাড়াও কোন এজেন্সি যদি অতিরিক্ত অর্থের বিনিময়ে ১৫ জন রোহিঙ্গাও বিদেশে পাঠাতে পারে এবং তারা যদি ফেরত নাও আসে তাতে ক্ষতি নেই। কেননা বাংলাদেশ থেকে প্রেরিত রোহিঙ্গাদের পাসপোর্ট ফিরতি এয়ার টিকেট ওই সব দালাল ও এজেন্সির লোকেরা সংগ্রহ করে নিয়ে ফেলে। এসব পাসপোর্ট এ ছবি পাল্টিয়ে পূর্বে থেকে সৌদি আরবে অবস্থানকারী (অবৈধ ভাবে) বাংলাদেশী বা রোহিঙ্গাদের নিকট মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে এয়ার টিকেট সহ বিক্রি করে থাকে।
রোহিঙ্গা শরণার্থীরা সৌদি আরব গমনের ব্যাপারে শরণার্থী ফজল করিম, আজিজুল হক, আবদুর রহমানসহ অনেকে বলেন, ইতিমধ্যে বিভিন্ন দাতা দেশের সহাতায় প্রায় ১১শ জনের মত রোহিঙ্গা শরণার্থীদের বাংলাদেশ থেকে ৩য় দেশে বা আমেরিকা, কানাডা, অষ্ট্রেলিয়া, সুইজারল্যন্ড সহ বেশ কয়েকটি ইউরোপীয় দেশে পুর্নবাসন করেছে। এসব পুর্ণবাসিত রোহিঙ্গাদের প্রেরিত অর্থে তাদের নিকট আতœীয়রা স্বাভাবিকের চেয়ে অতিরিক্ত অর্থের বিনিময়ে ওমরা হজ্বের নামে সৌদি আরব পাচার হয়ে যাচ্ছে।
তাছাড়া সৌদি আরব সহ বিভিন্ন দেশে পাচার হওয়া রোহিঙ্গাদের পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের বিদেশ থেকে প্রেরিত অর্থে স্থানীয় ভাবে বন বিভাগের রক্ষিত বনভূমি ও উপকুলের চরাঞ্চলের খাস জমির দখল কিনে বসতি গড়ে তুলছে।
অন্যদিকে বিদেশে অবস্থান করলেও এখানে শরণার্থী শিবিরে বাংলাদেশ সরকার ও ইউএনএইচসিআরের প্রদত্ত যাবতীয় সুযোগ সুবিধা তাদের পরিবারের অন্যান্যরা ভোগ করছে বলে খবর পাওয়া গেছে।
এ ব্যাপারে কুতুপালং শরণার্থী শিবির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও সহকারী সচিব জালাল উদ্দিন বলেন, তালিকাভুক্ত শরণার্থীরা বাংলাদেশী পাসপোর্ট নিয়ে বা অন্য কোন উপায়ে সৌদি আরব গমন সম্পর্কে আমার জানা নেই।

0 Comments