টেকনাফ (কক্সবাজার) সংবাদদাতা
সেন্টমার্টিন
সাগরে ভেসে যাওয়া নিখোঁজ ছাত্র সাবি্বর আহসান ও ইশতিয়াক বিন মাহমুদ উদয় ৫
দিন ধরে নিখোঁজ রয়েছে। শুক্রবার সন্ধ্যা পর্যন্ত
নিখোঁজ দুই ছাত্রের সন্ধান মেলেনি। তাদের সন্ধানে বঙ্গোপসাগর ও নাফ নদীর উপকূলজুড়ে উদ্ধার তৎপরতা বলবৎ রয়েছে। তাছাড়া লাশের সন্ধানে সাগরে মাছ শিকাররত ট্রলারগুলোতে মোবাইল নম্বর দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহ মোজাহিদ উদ্দীন।
এদিকে শুক্রবার সন্ধ্যায় সেন্টমার্টিন স্টেশন কমান্ডার লে. শহীদ আল আহসান জানান, নিখোঁজ সাবি্বর ও উদয়ের সন্ধান পাওয়া যায়নি। এই দুই ছাত্রের উদ্ধারের বিষয়ে তিনি এখনও আশাবাদী। তাদের সন্ধানে গভীর সাগরেও নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ডের তৎপরতা বলবৎ রয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন।
গত সোমবার দুপুরে নববর্ষ পালন করতে গিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগের চতুর্থ ও শেষ বর্ষের ৩৪ ছাত্র সেন্টমাটিনের পূর্ব-উত্তর দিকের দ্বীপের মাথা নামক এলাকায় গোসলে নামে। ঢেউয়ের টানে ১০ ছাত্র সাগরে ভেসে যায়। এ সময় ছয় ছাত্রকে উদ্ধার করা হলেও সাদ্দাম হোসেন অংকুর ও মনতেজুল ইসলাম ইভান নামক দুই ছাত্রের মৃত্যু হয়। এতে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করা হয় ফয়সাল হাবিব, আশিক মোস্তফা, ফারহান ও ইফতেখার মাহমুদকে। এ ঘটনায় নিখোঁজ থাকে শাহরিয়ার ইসলাম নোমান, এসএম গোলাম রহিম বাপ্পি, সাবি্বর আহসান ও ইশতিয়াক বিন মাহমুদ উদয়। ওইদিন থেকে নিখোঁজ ছাত্রদের সন্ধানে নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড, পুলিশ, জনপ্রতিনিধি, বোট মালিক সমিতির লোকজন সাগরে ব্যাপক তল্লাশি চালিয়ে আসছেন। উদ্ধার তৎপরতার এক পর্যায়ে গত বুধবার সকালে ৪৩ ঘণ্টার মাথায় সেন্টমার্টিন উত্তর সৈকত এলাকা থেকে নিখোঁজ শাহরিয়ার ইসলাম নোমানের লাশ উদ্ধার করা হয়। এর দুই ঘণ্টার মাথায় একটু পশ্চিম সৈকত এলাকা থেকে এসএম গোলাম রহিম বাপ্পির লাশও উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার মৃতদেহ টেকনাফ এনে কক্সবাজার পাঠানো হয়। সেখান থেকে তাদের পরিবার লাশ বুঝে নিয়ে গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয় বলে জানা গেছে।
সেন্টমার্টিন দ্বীপের বাসিন্ধা মৌলভী জোবাইর জানান, অতীতে সেন্টমার্টিন সাগরে লোক নিখোঁজের ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনার অনেক দিন পর তাদের গলিত লাশ বিভিন্ন উপকূল থেকে পাওয়া যায়। তবে সম্প্রতি ঘটে যাওয়া ঘটনায় নিখোঁজ দুই ছাত্রের সন্ধার পাওয়া যাবে বলে তিনিও আশা করছেন।
নিখোঁজ দুই ছাত্রের সন্ধান মেলেনি। তাদের সন্ধানে বঙ্গোপসাগর ও নাফ নদীর উপকূলজুড়ে উদ্ধার তৎপরতা বলবৎ রয়েছে। তাছাড়া লাশের সন্ধানে সাগরে মাছ শিকাররত ট্রলারগুলোতে মোবাইল নম্বর দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহ মোজাহিদ উদ্দীন।
এদিকে শুক্রবার সন্ধ্যায় সেন্টমার্টিন স্টেশন কমান্ডার লে. শহীদ আল আহসান জানান, নিখোঁজ সাবি্বর ও উদয়ের সন্ধান পাওয়া যায়নি। এই দুই ছাত্রের উদ্ধারের বিষয়ে তিনি এখনও আশাবাদী। তাদের সন্ধানে গভীর সাগরেও নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ডের তৎপরতা বলবৎ রয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন।
গত সোমবার দুপুরে নববর্ষ পালন করতে গিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগের চতুর্থ ও শেষ বর্ষের ৩৪ ছাত্র সেন্টমাটিনের পূর্ব-উত্তর দিকের দ্বীপের মাথা নামক এলাকায় গোসলে নামে। ঢেউয়ের টানে ১০ ছাত্র সাগরে ভেসে যায়। এ সময় ছয় ছাত্রকে উদ্ধার করা হলেও সাদ্দাম হোসেন অংকুর ও মনতেজুল ইসলাম ইভান নামক দুই ছাত্রের মৃত্যু হয়। এতে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করা হয় ফয়সাল হাবিব, আশিক মোস্তফা, ফারহান ও ইফতেখার মাহমুদকে। এ ঘটনায় নিখোঁজ থাকে শাহরিয়ার ইসলাম নোমান, এসএম গোলাম রহিম বাপ্পি, সাবি্বর আহসান ও ইশতিয়াক বিন মাহমুদ উদয়। ওইদিন থেকে নিখোঁজ ছাত্রদের সন্ধানে নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড, পুলিশ, জনপ্রতিনিধি, বোট মালিক সমিতির লোকজন সাগরে ব্যাপক তল্লাশি চালিয়ে আসছেন। উদ্ধার তৎপরতার এক পর্যায়ে গত বুধবার সকালে ৪৩ ঘণ্টার মাথায় সেন্টমার্টিন উত্তর সৈকত এলাকা থেকে নিখোঁজ শাহরিয়ার ইসলাম নোমানের লাশ উদ্ধার করা হয়। এর দুই ঘণ্টার মাথায় একটু পশ্চিম সৈকত এলাকা থেকে এসএম গোলাম রহিম বাপ্পির লাশও উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার মৃতদেহ টেকনাফ এনে কক্সবাজার পাঠানো হয়। সেখান থেকে তাদের পরিবার লাশ বুঝে নিয়ে গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয় বলে জানা গেছে।
সেন্টমার্টিন দ্বীপের বাসিন্ধা মৌলভী জোবাইর জানান, অতীতে সেন্টমার্টিন সাগরে লোক নিখোঁজের ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনার অনেক দিন পর তাদের গলিত লাশ বিভিন্ন উপকূল থেকে পাওয়া যায়। তবে সম্প্রতি ঘটে যাওয়া ঘটনায় নিখোঁজ দুই ছাত্রের সন্ধার পাওয়া যাবে বলে তিনিও আশা করছেন।

0 Comments