ইমাম খাইর, সিবিএন: পয়লা বৈশাখে সেন্টমার্টিন সাগরে গোসল করতে নেমে ঢাকা আহসান উল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র হতাহত ও নিখোঁজের ঘটনায় কক্সবাজারের স্থানীয় প্রশাসন নড়েচড়ে বসেছেন। এ লক্ষে বৃহস্পতিবার জেলা প্রশাসনের সাথে কক্সবাজার বীচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির বৈঠকে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তও হয়েছে। তবে পর্যটকদের ‘গোসল নিষিদ্ধ’র ব্যাপারে কোনো নিদ্ধান্ত ছাড়াই সভা শেষ হয়েছে।
সভায় গৃহীত সিদ্ধান্তের মধ্যে রয়েছে- সেন্টমার্টিন দ্বীপে লাইফ গার্ড নিয়োগ, সেন্টমার্টিন দ্বীপের ‘বিপজ্জনক স্থানগুলোকে’ চিহ্নিত করে ওই সব এলাকা ব্যবহারে পর্যটকদের নিরুৎসাহিত করা, দ্বীপের উপযুক্ত স্থানে সতর্কতামূলক সাইনবোর্ড স্থাপন, এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সাগর উত্তাল থাকায় পর্যটকদের সেন্টমার্টিন ভ্রমণে নিরুৎসাহিত করা, কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে বীচ কর্মী, লাইফ গার্ড ও ট্যুরিস্ট পুলিশের সহায়তায় ‘সুইমিং জোন’ ছাড়া অন্য এলাকায় পর্যটকদের গোসলে নিরুৎসাহিত করা, সৈকতের লাবণী পয়েন্টে বয়া ও রশির মাধ্যমে গোসলরত পর্যটকদের নিরাপত্তা দেয়া।
বীচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির সদস্য সচিব ও পর্যটন হোটেল শৈবালের ব্যবস্থাপক নুরুল ইসলাম জানিয়েছেন, সেন্টমার্টিন সমুদ্র সৈকতে কিংবা অন্য কোন সৈকতে পর্যটকদের ‘গোসল নিষিদ্ধ’ করার কোন সিদ্ধান্ত হয়নি। অথচ বৈঠকে ‘সাগরে গোসল করা নিষিদ্ধ’ বলে বিভিন্ন মিডিয়ায় ‘বিভ্রান্তিকর’ সংবাদ প্রকাশ হয়েছে।
তিনি বলেন, বীচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির সভাপতি ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ আবুল হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওই সভায় কক্সবাজার, ইনানি ও সেন্টমার্টিন সৈকতে পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ১৪টি সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
সভায় বলা হয়েছে, সেন্টমার্টিন সমুদ্রে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ থাকা আহসান উল্লাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ছাত্রের সন্ধানে কোস্টগার্ড, নৌবাহিনী ও পুলিশের সহায়তায় জেলা প্রশাসন উদ্ধার কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।
সভায় গৃহীত সিদ্ধান্তের মধ্যে রয়েছে- সেন্টমার্টিন দ্বীপে লাইফ গার্ড নিয়োগ, সেন্টমার্টিন দ্বীপের ‘বিপজ্জনক স্থানগুলোকে’ চিহ্নিত করে ওই সব এলাকা ব্যবহারে পর্যটকদের নিরুৎসাহিত করা, দ্বীপের উপযুক্ত স্থানে সতর্কতামূলক সাইনবোর্ড স্থাপন, এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সাগর উত্তাল থাকায় পর্যটকদের সেন্টমার্টিন ভ্রমণে নিরুৎসাহিত করা, কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে বীচ কর্মী, লাইফ গার্ড ও ট্যুরিস্ট পুলিশের সহায়তায় ‘সুইমিং জোন’ ছাড়া অন্য এলাকায় পর্যটকদের গোসলে নিরুৎসাহিত করা, সৈকতের লাবণী পয়েন্টে বয়া ও রশির মাধ্যমে গোসলরত পর্যটকদের নিরাপত্তা দেয়া।
বীচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির সদস্য সচিব ও পর্যটন হোটেল শৈবালের ব্যবস্থাপক নুরুল ইসলাম জানিয়েছেন, সেন্টমার্টিন সমুদ্র সৈকতে কিংবা অন্য কোন সৈকতে পর্যটকদের ‘গোসল নিষিদ্ধ’ করার কোন সিদ্ধান্ত হয়নি। অথচ বৈঠকে ‘সাগরে গোসল করা নিষিদ্ধ’ বলে বিভিন্ন মিডিয়ায় ‘বিভ্রান্তিকর’ সংবাদ প্রকাশ হয়েছে।
তিনি বলেন, বীচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির সভাপতি ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ আবুল হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওই সভায় কক্সবাজার, ইনানি ও সেন্টমার্টিন সৈকতে পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ১৪টি সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
সভায় বলা হয়েছে, সেন্টমার্টিন সমুদ্রে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ থাকা আহসান উল্লাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ছাত্রের সন্ধানে কোস্টগার্ড, নৌবাহিনী ও পুলিশের সহায়তায় জেলা প্রশাসন উদ্ধার কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।


0 Comments