নিজস্ব প্রতিবেদক
পেকুয়ায় এবার পুর্বের চিহ্নিত সৃজিত খতিয়ান কর্তন করে রাতা রাতি অপর একটি সাংঘর্ষিক খতিয়ান অনুমোদন দিয়ে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছেন পেকুয়ার সেই দুর্নীতিবাজ কানুনগো। মোটাংকের টাকা হাতিয়ে নিয়ে দীর্ঘ ২০বছরের মিটিশন খতিয়ান বাতিল করে এক ভুমিদস্যু চক্রের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন এ
দুর্নীতিবাজ আমলা। এর পর রীতিমত জনরোষ থেকে বাচতে বিকল্প পথ অবলম্বনের চেস্টাও অব্যহত রয়েছে ওই ঘুষ খোর কানুনগোর। ভুমি ব্যবস্থাপনা ও সরকারী রেকর্ড় সংরক্ষনে তার নীতি বিবর্জিত কান্ড জ্ঞানহীন এ অবস্থায় পেকুয়ার সুশীল সমাজসহ স্ববর্ত্রে এ নিয়ে তৈরী হয়েছে তোলপাড়।
টাকা দিলে রাতকে দিন আর দিনকে রাত এ নীতি এখন পেকুয়ার ভমি অফিসে। একের পর এক অভিযোগ এতে করে সাধারন মানুষের না বিশ্বাস জন্মেছে পেকুয়া ভুমি অফিসের প্রতি। আর ওই অফিসের প্রধান কর্তা কানুনগো বাবু ক্ষমতার অপব্যবহারে অতিষ্ট হয়ে পড়েছে সেবা প্রার্থীরা। এবার ওই অফিসে কানুনগো শোক হরণ চাকমা পুর্বের তপশিলী জমির খরিদাস্বত্তের মালিকের বৈধ খতিয়ান কৌশলে কর্তন করেছে। এর স্থলে একটি সাংঘর্ষিক খতিয়ান সৃজন করে অপর একটি পক্ষকে জমি পাইয়া দেন।
জানা গেছে মগনামা মৌজার ৭৯২খতিয়ান থেকে মুফিজুর রহমান চৌং গং জমির প্রকৃত মালিক। তারা ইতি পুর্বে উক্ত খতিয়ানের জমি মগনামার সাবেক চেয়ারম্যান খাইরুল এনামের নিকট দরদরী ঘোনা মৌজার ২৩৪শতক জমি পৃথক দলিলমুলে ১৯৯৫সাল থেকে কবলা সম্পাদন করে নিস্বত্তবান হন। পরে খাইরুল এনাম গং একই জমি বাইন্যাঘোনা এলাকার আক্তার হোসেন,রৌশনয়ারা বেগম,জাফর আহমদ গংদের কবলা সম্পাদন করে। জমির খরিদা মালিকরা নিজ নিজ নামে বিএস নামজারী খতিয়ান সৃজন করে সন সন ভুম কর আদায় করে সে সময় থেকে লবণ মাঠের জমিতে চাষাবাদ করে আসছিল।
সম্প্রতি ওই জমিতে মামুন চৌং গং দুর্লোভের বসিভুত হয়ে জমির শ্রেনী পরিবর্তন করে তাদের নামে অপর একটি নামজারী খতিয়ান সৃজন করেন। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে মোজাম্মেল হক চৌং ওয়ারিশ মামুন চৌং ও নিগার সোলতানা চৌং গং। তাদের পিতার এজমালি খতিয়ানের মুল অংশের সম্পত্তি আক্তার হোসেন গংদের খরিদাস্বত্তে নেই। অথচ এর পরেও তারা অহেতুক উক্ত জমি জবর-দখলের কুমানসে খতিয়ান পরিবর্তনসহ নানা ধরনের চাল চাতুরীর আশ্রয় নিয়েছে।
এ নিয়ে জমির মালিক আক্তার হোসেন গং পেকুয়া নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে গত মাসের ১০তারিখ একটি এম.আর মামলা দায়ের করে। যার মামলা নং-১৮/১৪। এদিকে কাউন্টার মামলা হিসেবে একই আদালতে মামুনুল হক চৌং গং অপর মামলা একই মাসে ২০তারিখ দায়ের করেন। যার মামরা নং ২০/১৪। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে আদালত কোনটি মামলার আনুষ্টানিক শুনানী ছাড়াই জমিতে ফৌজধারী কার্যবিধির ১৪৫ধারা জারি করে। যা নিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ও জমি দখলের কেন্দ্র করে বেশ কয়েক দফা ধাওয়া ও পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে।
পেকুয়ায় এবার পুর্বের চিহ্নিত সৃজিত খতিয়ান কর্তন করে রাতা রাতি অপর একটি সাংঘর্ষিক খতিয়ান অনুমোদন দিয়ে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছেন পেকুয়ার সেই দুর্নীতিবাজ কানুনগো। মোটাংকের টাকা হাতিয়ে নিয়ে দীর্ঘ ২০বছরের মিটিশন খতিয়ান বাতিল করে এক ভুমিদস্যু চক্রের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন এ
দুর্নীতিবাজ আমলা। এর পর রীতিমত জনরোষ থেকে বাচতে বিকল্প পথ অবলম্বনের চেস্টাও অব্যহত রয়েছে ওই ঘুষ খোর কানুনগোর। ভুমি ব্যবস্থাপনা ও সরকারী রেকর্ড় সংরক্ষনে তার নীতি বিবর্জিত কান্ড জ্ঞানহীন এ অবস্থায় পেকুয়ার সুশীল সমাজসহ স্ববর্ত্রে এ নিয়ে তৈরী হয়েছে তোলপাড়।
টাকা দিলে রাতকে দিন আর দিনকে রাত এ নীতি এখন পেকুয়ার ভমি অফিসে। একের পর এক অভিযোগ এতে করে সাধারন মানুষের না বিশ্বাস জন্মেছে পেকুয়া ভুমি অফিসের প্রতি। আর ওই অফিসের প্রধান কর্তা কানুনগো বাবু ক্ষমতার অপব্যবহারে অতিষ্ট হয়ে পড়েছে সেবা প্রার্থীরা। এবার ওই অফিসে কানুনগো শোক হরণ চাকমা পুর্বের তপশিলী জমির খরিদাস্বত্তের মালিকের বৈধ খতিয়ান কৌশলে কর্তন করেছে। এর স্থলে একটি সাংঘর্ষিক খতিয়ান সৃজন করে অপর একটি পক্ষকে জমি পাইয়া দেন।
জানা গেছে মগনামা মৌজার ৭৯২খতিয়ান থেকে মুফিজুর রহমান চৌং গং জমির প্রকৃত মালিক। তারা ইতি পুর্বে উক্ত খতিয়ানের জমি মগনামার সাবেক চেয়ারম্যান খাইরুল এনামের নিকট দরদরী ঘোনা মৌজার ২৩৪শতক জমি পৃথক দলিলমুলে ১৯৯৫সাল থেকে কবলা সম্পাদন করে নিস্বত্তবান হন। পরে খাইরুল এনাম গং একই জমি বাইন্যাঘোনা এলাকার আক্তার হোসেন,রৌশনয়ারা বেগম,জাফর আহমদ গংদের কবলা সম্পাদন করে। জমির খরিদা মালিকরা নিজ নিজ নামে বিএস নামজারী খতিয়ান সৃজন করে সন সন ভুম কর আদায় করে সে সময় থেকে লবণ মাঠের জমিতে চাষাবাদ করে আসছিল।
সম্প্রতি ওই জমিতে মামুন চৌং গং দুর্লোভের বসিভুত হয়ে জমির শ্রেনী পরিবর্তন করে তাদের নামে অপর একটি নামজারী খতিয়ান সৃজন করেন। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে মোজাম্মেল হক চৌং ওয়ারিশ মামুন চৌং ও নিগার সোলতানা চৌং গং। তাদের পিতার এজমালি খতিয়ানের মুল অংশের সম্পত্তি আক্তার হোসেন গংদের খরিদাস্বত্তে নেই। অথচ এর পরেও তারা অহেতুক উক্ত জমি জবর-দখলের কুমানসে খতিয়ান পরিবর্তনসহ নানা ধরনের চাল চাতুরীর আশ্রয় নিয়েছে।
এ নিয়ে জমির মালিক আক্তার হোসেন গং পেকুয়া নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে গত মাসের ১০তারিখ একটি এম.আর মামলা দায়ের করে। যার মামলা নং-১৮/১৪। এদিকে কাউন্টার মামলা হিসেবে একই আদালতে মামুনুল হক চৌং গং অপর মামলা একই মাসে ২০তারিখ দায়ের করেন। যার মামরা নং ২০/১৪। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে আদালত কোনটি মামলার আনুষ্টানিক শুনানী ছাড়াই জমিতে ফৌজধারী কার্যবিধির ১৪৫ধারা জারি করে। যা নিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ও জমি দখলের কেন্দ্র করে বেশ কয়েক দফা ধাওয়া ও পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

0 Comments