এম.আমান উল্লাহ, কক্সবাজার থেক
চকরিয়ায় বোরো মৌসুমের শুরুতে ইউরিয়া সার বিক্রিতে লাগামহীন বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় খুচরা বিক্রেতারা কৃষকদের কাছ থেকে সার বিক্রিতে বেশি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা। অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করে অনেক খুচরা বিক্রেতা জানিয়েছেন, তারা ইচ্ছে করে সারের দাম বেশি নিচ্ছেনা। ক্ষেত্র বিশেষে নিতে হচ্ছে কর্মকর্তার চাপে পড়ে। তাঁরা অভিযোগ করেছেন, কৃষি কর্মকর্তা আতিক উল্লাহ সার বিপণন মনিটরিং করতে এসে নানা অজুহাতে তাদের স্টক খাতা অফিসে নিয়ে যাচ্ছেন। অনেক সময় বিপণন তালিকায় স্বাক্ষরও দেয়না। অনেকে দাবি করেছেন, হিসাবের গরমিল দেখিয়ে তিনি খুচরা বিক্রেতাদের লাইসেন্স বাতিল করার কথাও বলেন। ফলে এসব ঝামেলা থেকে ব্যবসা ঠিকিয়ে রাখার জন্য উৎকোচ দিতে হচ্ছে তাদের। উপজেলা পরিষদে কয়েকজন খুচরা বিক্রেতা জানিয়েছেন, বিপণন কার্যক্রমে নানা অসঙ্গতি তুলে ধরে ইতোমধ্যে কৃষি কর্মকর্তা প্রায় ৬৫জন খুচরা বিক্রেতার কাছ থেকে জনপ্রতি এক হাজার টাকা করে অর্থ আদায় করেছেন। তার মধ্যে উপজেলার কাকারা ইউনিয়নে ১০জন, হারবাং ইউনিয়নে ৯জন, সুরাজপুর-মানিকপুর ইউনিয়নে ৫জন, সাহারবিল ইউনিয়নে ৭জন, বিএমচর ইউনিয়নে ৯জন, পুর্ববড় ভেওলা ইউনিয়নে ৯জন, ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নে ১০জন ও কৈয়ারবিল ইউনিয়নে ৬জন খুচরা বিক্রেতার কাছ থেকে টাকা নেয়া হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কাকারা ইউনিয়নের এক ইউপি সদস্য বলেন, তার ইউনিয়নের খুচরা সার বিক্রেতা আবদুল হামিদ, জিয়াবুল করিম, শাহাব উদ্দিন, মাসুক আলী, মিন্টু রাম কর, কালা বাশীঁ দে, সমীর পাল, তারেক, আমিরসহ অনেকে ঘটনাটি জানিয়েছে। ব্যবসার প্রয়োজনে তাঁরা ওই টাকা দিচ্ছে। সুত্র জানায়, বিসিআইসি অনুমোদিত উপজেলা ও পৌরসভার প্রায় সার ডিলার সরকার নির্ধারিত মুল্যে সংশ্লিষ্ট এলাকার খুচরা বিক্রেতাদের কাছে ইউরিয়াসহ বিভিন্ন সার বিক্রি করছেন। কিন্তু মাঠ পর্যায়ে খুচরা বিক্রেতারা ৫০ কেজির এক বস্তা ইউরিয়া সার সাড়ে ৮শত থেকে ৯শত টাকা বিক্রি করছেন। অতিরিক্ত মুল্য নেয়ার সত্যতা স্বীকার করে খুচরা বিক্রেতারা জানিয়েছেন, কর্মকর্তাদের আব্দার পুরণ করতে গিয়ে তাঁরা বাধ্য হয়ে সারের মুল্য কিছুটা অতিরিক্ত নিচ্ছে। না দিলে প্রশাসনিক দুর্ভোগ পোহাতে হবে তাদের।
বিষয়টি প্রসঙ্গে জানতে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো.আতিক উল্লাহ’র মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হয়। তবে তিনি ফোন রিসিভ না করার কারনে তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
চকরিয়ায় বোরো মৌসুমের শুরুতে ইউরিয়া সার বিক্রিতে লাগামহীন বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় খুচরা বিক্রেতারা কৃষকদের কাছ থেকে সার বিক্রিতে বেশি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা। অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করে অনেক খুচরা বিক্রেতা জানিয়েছেন, তারা ইচ্ছে করে সারের দাম বেশি নিচ্ছেনা। ক্ষেত্র বিশেষে নিতে হচ্ছে কর্মকর্তার চাপে পড়ে। তাঁরা অভিযোগ করেছেন, কৃষি কর্মকর্তা আতিক উল্লাহ সার বিপণন মনিটরিং করতে এসে নানা অজুহাতে তাদের স্টক খাতা অফিসে নিয়ে যাচ্ছেন। অনেক সময় বিপণন তালিকায় স্বাক্ষরও দেয়না। অনেকে দাবি করেছেন, হিসাবের গরমিল দেখিয়ে তিনি খুচরা বিক্রেতাদের লাইসেন্স বাতিল করার কথাও বলেন। ফলে এসব ঝামেলা থেকে ব্যবসা ঠিকিয়ে রাখার জন্য উৎকোচ দিতে হচ্ছে তাদের। উপজেলা পরিষদে কয়েকজন খুচরা বিক্রেতা জানিয়েছেন, বিপণন কার্যক্রমে নানা অসঙ্গতি তুলে ধরে ইতোমধ্যে কৃষি কর্মকর্তা প্রায় ৬৫জন খুচরা বিক্রেতার কাছ থেকে জনপ্রতি এক হাজার টাকা করে অর্থ আদায় করেছেন। তার মধ্যে উপজেলার কাকারা ইউনিয়নে ১০জন, হারবাং ইউনিয়নে ৯জন, সুরাজপুর-মানিকপুর ইউনিয়নে ৫জন, সাহারবিল ইউনিয়নে ৭জন, বিএমচর ইউনিয়নে ৯জন, পুর্ববড় ভেওলা ইউনিয়নে ৯জন, ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নে ১০জন ও কৈয়ারবিল ইউনিয়নে ৬জন খুচরা বিক্রেতার কাছ থেকে টাকা নেয়া হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কাকারা ইউনিয়নের এক ইউপি সদস্য বলেন, তার ইউনিয়নের খুচরা সার বিক্রেতা আবদুল হামিদ, জিয়াবুল করিম, শাহাব উদ্দিন, মাসুক আলী, মিন্টু রাম কর, কালা বাশীঁ দে, সমীর পাল, তারেক, আমিরসহ অনেকে ঘটনাটি জানিয়েছে। ব্যবসার প্রয়োজনে তাঁরা ওই টাকা দিচ্ছে। সুত্র জানায়, বিসিআইসি অনুমোদিত উপজেলা ও পৌরসভার প্রায় সার ডিলার সরকার নির্ধারিত মুল্যে সংশ্লিষ্ট এলাকার খুচরা বিক্রেতাদের কাছে ইউরিয়াসহ বিভিন্ন সার বিক্রি করছেন। কিন্তু মাঠ পর্যায়ে খুচরা বিক্রেতারা ৫০ কেজির এক বস্তা ইউরিয়া সার সাড়ে ৮শত থেকে ৯শত টাকা বিক্রি করছেন। অতিরিক্ত মুল্য নেয়ার সত্যতা স্বীকার করে খুচরা বিক্রেতারা জানিয়েছেন, কর্মকর্তাদের আব্দার পুরণ করতে গিয়ে তাঁরা বাধ্য হয়ে সারের মুল্য কিছুটা অতিরিক্ত নিচ্ছে। না দিলে প্রশাসনিক দুর্ভোগ পোহাতে হবে তাদের।
বিষয়টি প্রসঙ্গে জানতে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো.আতিক উল্লাহ’র মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হয়। তবে তিনি ফোন রিসিভ না করার কারনে তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

