Advertisement

কলাতলিতে কাঁদাযুক্ত বাঁশের দূর্গন্ধ ঃ পর্যটকদের ভুগান্তি

এম.আমান উল্লাহ
পর্যটন নগরীখ্যাত কক্সবাজার শহরের হোটেল-মোটেল জোন কলাতলির গোলচক্কর এলাকায় বাঁশের দূর্গন্ধে পরিবেশ দূষিত হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। শুধু তাই নয়, জাহেদ নামের বাঁশ বিক্রেতা প্রতিদিন প্রতিনিয়ত বিভিন্ন প্রকার বাঁশের মাচা নিয়ে এসে রাস্তার উপরে জমা করে রাখে। ওই স্থান থেকে বিভিন্ন জায়গায় বাঁশ সরবরাহ করে আসছে। পথচারি ও পর্যটকদের চলাচলে অসুবিধাতো হচ্ছেই পাশাপাশি কাঁদা মাখানো ওই বাঁশের দূর্গন্ধে পরিবেশ ভারি হয়ে
উঠেছে। এদিকে, স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, বাঁশ বিক্রেতা জাহেদকে নিষেধ করার পরও ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে অন্যায়ভাবে রাস্তার উপর বাঁশের হাট বসিয়েছে। এনিয়ে কেউ প্রতিবাদ করতে চাইলে প্রাণনাশের হুমকি ও বিভিন্ন মামলা মোকদ্দমায় জড়িয়ে দিয়ে হয়রানির ভয় দেখিয়ে আসছে। বাঁশ ক্রেতারা বলেন, এই এলাকার বিভিন্ন অপকর্মের লোকদের সাথে তার উঠাবসা। ওই সূত্র ধরে অভিনব কায়দায় ক্রেতাদের সাথে প্রতারণা ও চড়ামূল্যে বাঁশের দাম হাঁকাচ্ছে। এনিয়ে বিক্রেতা জাহেদের সাথে কেউ মুখ খুললেই অকথ্য ভাষায় গালি-গালাজ ও নাজেহাল করে। এ বিষয়ে কক্সবাজার শহর পুলিশ ফাঁড়ির ওসি জাকির হোসেন মাহমুদ এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, এধরনের বিষয় আমার জানা নেই। এই প্রথম আপনাদের মুখ থেকে শুনেছি। জড়িত যে হোক না কেন আমি তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করব। হোটেল-মোটেল জোনের সভাপতি ওমর সুলতান জানান, কলাতলি পর্যটকদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান। এই স্থানে বাঁশ বিক্রি করে রাস্তা দখল ও পরিবেশ দূষণ করা খুব ন্যাক্কারজনক। পর্যটকবাহী গাড়ি চলাচলে যে সমস্যা হচ্ছে তাতে ট্রাফিক পুলিশ দিয়েও কাজ হবে না, যতক্ষণ পর্যন্ত রাস্তর আশাপাশ থেকে ওই ধরনের আগাছা পরিস্কার করা না হবে। পাশাপাশি পরিবেশ রক্ষায় পরিবেশ বান্ধব সংগঠন ও পরিবেশ অধিদপ্তরকে দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই। এধরনের কাজের সাথে যেই জড়িত থাকুক না কেন, অবিলম্বে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ পূর্বক উচ্ছেদ করা খুবই প্রয়োজন। এ বিষয়ে অভিযুক্ত বাঁশ বিক্রেতা জাহেদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি এই প্রতিবেদককে বলেন, কলাতলির অপকর্মের হোতাদের সাথে তার পরিচয় রয়েছে। কেউ তার বিরুদ্ধে কথা বলার সাহস করে না। সুতরাং আপনারা আমার বিরুদ্ধে লেখালেখি করলেও কোন লাভ হবে না। কারণ আমার পেছনে প্রশাসনের লোকজনও জড়িত রয়েছে। প্রতিমাসে আমি প্রশাসনকে মাসোহারা দিয়ে আসছি। এ ব্যাপারে স্থানী এলাকাবাসী ও আগত পর্যটকরা সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।