স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, রংপুর: আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘খালেদা জিয়া হরতাল অবরোধ দিয়ে গরীব মানুষের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নেমে পড়েছেন। তিনি দেশের মঙ্গল চাননা।’
গরীবের কষ্ট দেওয়া খালেদার ভাল লাগে। মানুষের লাশের গন্ধ খালেদার ভাল লাগে। ১৮ দলের টানা অবরোধ ও হরতালকে গরীরের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষনা বলে
তিনি মন্তব্য করলেন মঙ্গলববার দুপুরে রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার গোপিনাথপুর তরফমৌজা হাইস্কুল মাঠে আয়োজিত জনসভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আ’লীগ সরকারদেশকে খাদ্যে স্বয়:সম্পুর্ন করছে। এ সময় শেখ হাসিনা নৌকা প্রতীকে ভোট দেয়ার আহ্বান জানান। এর আগে বেলা ১১টা ৫৫ মিনিটে সৈয়দপুর বিমান বন্দরে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। সেখানে রংপুর আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টির নেতারা প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানান।
শেখ হাসিনা বলেন, বিরোধী দলীয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া সমঝোতা চান না এবং বিএনপি-জামাত যুদ্ধাপরাধীদের বাঁচাতে যতই চেষ্টা করুক তাদের বিচার হবে। আমি সমঝোতার জন্য বারবার ফোন করেছি কিন্তু তিনি সাড়া দেন নি।
বিএনপি-জামাত যুদ্ধাপরাধীদের বাঁচাতে আন্দোলন করছে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, তিনি যুদ্ধাপরাধীদের বাঁচাতে পারবেন না। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হবে। যুদ্ধাপরাধীদের বাঁচাতে বিএনপি-জামাত দিনের পর দিন হরতাল অবরোধ দিচ্ছে। মানুষকে কষ্ট দিচ্ছে। রাস্তার দুই ধারের গাছ কেটে নষ্ট করছে।
এরপর রংপুরে ২০ মিনিটের পূর্বনির্ধারিত যাত্রা বিরতি বাতিল করে বিমান বন্দর থেকে সড়ক পথে সরাসরি পীরগঞ্জের উদ্দেশে রওনা হন প্রধানমন্ত্রী। পীরগঞ্জে প্রধানমন্ত্রী তার নিজ নির্বাচনী আসন রংপুর-৬ এর জনসভায় ভাষণ দেন।
প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে রংপুরে নিচ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়। যেকোনো নাশকতা ঠেকাতে নগরীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। রংপুর-৬ (পীরগঞ্জ) নির্বাচনী এলাকার আরো দুটি নির্ধারিত জনসভায় তাঁর যোগ দেয়ার কথা কথা ছিল। কিন্তু নির্বাচনী প্রচারণা অসমাপ্ত রেখেই তিনি ঢাকায় রওনা হন। - See more at: http://www.ajkerbangladesh24.com/news/the-news/94724.aspx#sthash.sSn6kMcQ.dpuf
গরীবের কষ্ট দেওয়া খালেদার ভাল লাগে। মানুষের লাশের গন্ধ খালেদার ভাল লাগে। ১৮ দলের টানা অবরোধ ও হরতালকে গরীরের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষনা বলে
তিনি মন্তব্য করলেন মঙ্গলববার দুপুরে রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার গোপিনাথপুর তরফমৌজা হাইস্কুল মাঠে আয়োজিত জনসভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আ’লীগ সরকারদেশকে খাদ্যে স্বয়:সম্পুর্ন করছে। এ সময় শেখ হাসিনা নৌকা প্রতীকে ভোট দেয়ার আহ্বান জানান। এর আগে বেলা ১১টা ৫৫ মিনিটে সৈয়দপুর বিমান বন্দরে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। সেখানে রংপুর আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টির নেতারা প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানান।
শেখ হাসিনা বলেন, বিরোধী দলীয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া সমঝোতা চান না এবং বিএনপি-জামাত যুদ্ধাপরাধীদের বাঁচাতে যতই চেষ্টা করুক তাদের বিচার হবে। আমি সমঝোতার জন্য বারবার ফোন করেছি কিন্তু তিনি সাড়া দেন নি।
বিএনপি-জামাত যুদ্ধাপরাধীদের বাঁচাতে আন্দোলন করছে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, তিনি যুদ্ধাপরাধীদের বাঁচাতে পারবেন না। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হবে। যুদ্ধাপরাধীদের বাঁচাতে বিএনপি-জামাত দিনের পর দিন হরতাল অবরোধ দিচ্ছে। মানুষকে কষ্ট দিচ্ছে। রাস্তার দুই ধারের গাছ কেটে নষ্ট করছে।
এরপর রংপুরে ২০ মিনিটের পূর্বনির্ধারিত যাত্রা বিরতি বাতিল করে বিমান বন্দর থেকে সড়ক পথে সরাসরি পীরগঞ্জের উদ্দেশে রওনা হন প্রধানমন্ত্রী। পীরগঞ্জে প্রধানমন্ত্রী তার নিজ নির্বাচনী আসন রংপুর-৬ এর জনসভায় ভাষণ দেন।
প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে রংপুরে নিচ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়। যেকোনো নাশকতা ঠেকাতে নগরীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। রংপুর-৬ (পীরগঞ্জ) নির্বাচনী এলাকার আরো দুটি নির্ধারিত জনসভায় তাঁর যোগ দেয়ার কথা কথা ছিল। কিন্তু নির্বাচনী প্রচারণা অসমাপ্ত রেখেই তিনি ঢাকায় রওনা হন। - See more at: http://www.ajkerbangladesh24.com/news/the-news/94724.aspx#sthash.sSn6kMcQ.dpuf

