Advertisement

কক্সবাজারে মানব পাচারকারীর ফাঁদে পড়ে নিঁেখাজ হচ্ছে শত শত মানুষ

শাহীনশাহ, টেকনাফ::
কক্সবাজারের বিভিন্ন উপজেলার মানব পাচারকারীর ফাঁদে পড়ে নিঁেখাজ হচ্ছে দেশের বিভিন্ন এলাকার শত শত মানুষ। চলছে মানুষের ঘরে ঘরে নীরব কান্না। সাগর পথে মালয়েশিয়ার আদম পাচারকারীর দালালদের হাত  এতই শক্তিশালী যে, তাদের সহজে আটক করতে প্রশাসন হিমশিম খাচ্ছে । বিজিবি, কোষ্টগার্ড, পুলিশসহ আরো সব ধরনের প্রশাসনের গোয়েন্দা সংস্থার লোকজন থাকা সত্বেও প্রতিদিন শতশত মানুষ সাগর পথে মালয়েশিয়ার
উদ্যেশে ট্রলারে উঠছে। মালয়েশিয়াগামী লোকজন ট্রলারে উঠার সময় এদের অনেকে পড়ছে, পুলিশ, বিজিবি, কোষ্টগার্ড ও অপহরনকারীদের হতে। এমনকি প্রতারক দালালদের কবলে পড়ে অনেকে মিয়ানমার, থাইল্যান্ড  মালয়েশিয়া ও বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে নিখোঁজ হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এসব নিখোঁজ ব্যাক্তিদের খোঁজতে পরিবারের লোকজন পাগল হয়ে তাদেরকে খুজছে গ্রামে গঞ্জে। আবার এসব নিখোজ ব্যক্তিদের খোঁজতে  এসে টেকনাফের শমশু আলম, সাদ্দামের মত অপহরনকারীদের কবলে পড়ে সর্বশান্ত হচ্ছে। গত এক মাস আগেও ককসবাজার ভারুয়াখালী সওদাগর পাড়ার মোহাম্মদ ইলিয়াছের ছেলে রবিউল আলম নামক এক ব্যক্তি রফিকা বেগম ও ধলু হোছন নামক দুই দালালের মাধ্যমে মালয়েশিয়া যাওয়ার জন্য ঘর থেকে বের হয়ে বিগত একমাসেও বাড়ি ফিরেনি বলে তার পরিবারের লোকজন জানান। এমনকি ৩ মাস আগেও আবদুল হামিদ ও শাহ আলম নামক আরো দুই ব্যক্তিও মালয়েশিয়া যাওয়ার উদ্দেশ্যে ঘর থেকে বের হয়ে নিখোঁজ রয়েছে বলে পারিবারিক সূত্রে জানায়। নিখোঁজ ব্যাক্তিদের খোঁজ খবর নেওয়ার জন্য সরকারের সংশি¬ষ্ট প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেছে নিখোঁজের পরিবার। যদি শাহাপরীরদ্বীপের দালাল ধলু হোছন, ইসমাইল, ফিরোজ, কচুবনিয়ার হামিদ, আমিন, নজির ডাকাত, গুরামিয়া, ডাংগর পাড়ার আলী আহাম্মদের ছেলে হাফেজ আহাম্মদ, হোছন আলী, রোহিঙ্গা ক্যাম্পের আমান উল¬াহ, ডাঃ পারেছ, নাজির হোছন, হাবিবছড়ার মোঃ হোছন ও ডেইল পাড়ার রশিদ আহাম্মদ প্রশাসনের হাতে ধরা পড়ে, মানব পাচার অনেক কমবে বলে মনে করেন সচেতন মহল।