ইন্টারন্যাশনানাল ডেস্ক:::ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুরসির সমর্থকদের সাথে পুলিশের সংঘর্ষে এ পর্যন্ত ৫১ জন নিহত এবং অন্তত ২৪০জন মানুষ আহত হয়েছে। এঘটনার পর মিসরের কায়রো থেকে মুসলিম ব্রাদারহুডের ২০০’র বেশি কর্মীকে গ্রেফতার করেছে নিরাপত্তা বাহিনী। কায়রোর তাহ্রীর স্কয়ারে ইসরাইল যুদ্ধের ৪০ বছর পূর্তি উপলক্ষে একটি অনুষ্ঠানস্থলে মুসলিম ব্রাদারহুডের সমর্থকেরাও একটি সমাবেশ আহ্বান করলে সেখানে সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়, যদিও
সেনাবাহিনী পরে তাদের হটিয়ে দেয়। মুরসি সমর্থকেরা ঢোল বাজিয়ে এবং স্লোগান দিয়ে ওই স্থানে ঢোকার চেষ্টা করে। এরপর সংঘর্ষ কায়রোর অন্যান্য অংশেও ছড়িয়ে পড়ে এবং বিভিন্ন স্থানে গোলাগুলি হয় বলে জানা গেছে। তারা জেনারেল সিসিকে হত্যাকারী বলে স্লোগান দিতে থাকে। এদিকে মুসলিম ব্রাদারহুডের সদস্যরা শহরের অন্যান্য অংশে এবং আলেকজান্দ্রিয়ায় বিক্ষোভ মিছিল করে। ওই সব স্থানেও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের সাথে তাদের সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে। এসময় পুলিশ বিক্ষোভকারীদের ওপর টিয়ার গ্যাস ছোড়ে এবং ফাঁকা গুলি করে। মুসলিম ব্রাদারহুডের সদস্যরা নিরাপত্তা বাহিনীর এমন আক্রমণাত্মক আচরণের তীব্র নিন্দা জানান। মুসলিম ব্রাদারহুডের একজন কর্মী ও সেনাবাহিনীর সাবেক রিজার্ভ অফিসার বলেন, সেখানে যা করা হয়েছে তা সেনাবাহিনীর নীতির মধ্যে পড়ে না। মিসরের সেনাবাহিনী অন্যদেশের শত্রুর বিরুদ্ধে লড়বে, কিন্তু নিজের দেশের মানুষের বিরুদ্ধে কেন লড়বে তারা? মিসরজুড়ে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে পুলিশ।
সেনাবাহিনী পরে তাদের হটিয়ে দেয়। মুরসি সমর্থকেরা ঢোল বাজিয়ে এবং স্লোগান দিয়ে ওই স্থানে ঢোকার চেষ্টা করে। এরপর সংঘর্ষ কায়রোর অন্যান্য অংশেও ছড়িয়ে পড়ে এবং বিভিন্ন স্থানে গোলাগুলি হয় বলে জানা গেছে। তারা জেনারেল সিসিকে হত্যাকারী বলে স্লোগান দিতে থাকে। এদিকে মুসলিম ব্রাদারহুডের সদস্যরা শহরের অন্যান্য অংশে এবং আলেকজান্দ্রিয়ায় বিক্ষোভ মিছিল করে। ওই সব স্থানেও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের সাথে তাদের সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে। এসময় পুলিশ বিক্ষোভকারীদের ওপর টিয়ার গ্যাস ছোড়ে এবং ফাঁকা গুলি করে। মুসলিম ব্রাদারহুডের সদস্যরা নিরাপত্তা বাহিনীর এমন আক্রমণাত্মক আচরণের তীব্র নিন্দা জানান। মুসলিম ব্রাদারহুডের একজন কর্মী ও সেনাবাহিনীর সাবেক রিজার্ভ অফিসার বলেন, সেখানে যা করা হয়েছে তা সেনাবাহিনীর নীতির মধ্যে পড়ে না। মিসরের সেনাবাহিনী অন্যদেশের শত্রুর বিরুদ্ধে লড়বে, কিন্তু নিজের দেশের মানুষের বিরুদ্ধে কেন লড়বে তারা? মিসরজুড়ে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে পুলিশ।
পাঁচ সেনাকে গুলি করে হত্যা:: মিসরের নিরাপত্তা বাহিনী দেশব্যাপী হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হচ্ছে। নিরাপত্তা কর্মকর্তারা জনান, বন্দুকধারীরা মিসরের পাঁচজন সেনাকে গুলি করে হত্যা করেছে। তারা সুয়েজ খাল তীরবর্তী শহর ইসমাইলিয়ার একটি চেক পয়েন্টে একটি গাড়িতে বসে ছিল। এদিকে দক্ষিণ সিনাইয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর দফতরে একটি বিশাল গাড়ি বোমা আঘাত হানে। অন্যদিকে, কায়রোর উপকণ্ঠে একটি স্যাটেলাইট স্টেশনে একটি রকেট আঘাত হানে। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে সিনাইয়ে নিরাপত্তা বাহিনীকে লক্ষ্য করে বার বার হামলা করা হচ্ছে। আল তুর শহরে গাড়িবোমা বিস্ফোরণে দুজন নিহত এবং ৪৮ জন আহত হয়। কর্মকর্তারা জানান, গাড়িবোমায় নিরাপত্তা বাহিনীর আবাসিক ভবন হিসেবে ব্যবহৃত ওই চারতলা ভবনটি যথেষ্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়। উত্তর সিনাইয়ে নিরাপত্তা বাহিনী ঘনঘন হামলার শিকার হচ্ছে। বিশ্লেষকরা মনে করেন, এখানে পূর্ণ মাত্রায় বিদ্রোহ তৎপরতা শুরু হয়েছে। এর আগে সিনাই উপদ্বীপের দক্ষিণাঞ্চল শান্তিপূর্ণ ছিল। সূত্র: বিবিসি।

