সাইফ নাসির : বৃহস্পতিবার হাইকোর্টের এক রায়ে জামায়াতের নিবন্ধন বাতিল হয়ে গেছে। একটি রিটের পরিপ্রেক্ষিতে আজ বৃহস্পতিবার সংখ্যাগরিষ্ঠ মতের ভিত্তিতে হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ রাজনৈতিক দল হিসেবে জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন অবৈধ ঘোষণা করেন। একই সঙ্গে আদালত এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিলেরও বিধান দিয়েছেন।
১৮ দলীয় জোটের অন্যতম শরীক এই দলের নিবন্ধন বাতিল হওয়ায় রাজনৈতিক মিত্র বিএনপি এখন পর্যন্ত দলীয়ভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি। দলের স্থায়ী কমিটির কয়েকজন সদস্যের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তাঁরা রায় না দেখে তাৎক্ষণিকভাবে কিছু বলতে অস্বীকৃতি জানান। দলের দপ্তরের দায়িত্বে থাকা যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমদ বলেন, এ বিষয়ে এখনো দলীয়ভাবে কোনো আলোচনা হয়নি। আলোচনা করে এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানানো হবে।
তবে ব্যক্তিগত প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। তিনি বলেন, রাজনীতির সব দায়িত্ব যদি আদালত নেন, তাহলে কিছু বলার থাকে না। আদালতের প্রতি জনগণের শ্রদ্ধা ও আস্থা আছে। তা রক্ষার জন্য আদালতেরও সব দিক বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত দেওয়া উচিত।
তিনি বলেন, জামায়াতের নিবন্ধন অবৈধ ঘোষণা করায় রাজনৈতিক অস্থিরতা আরও বাড়বে। তিনি আশংঙ্কা প্রকাশ করে বলেন , ‘জামায়াতের নিবন্ধন অবৈধ ঘোষণা করায় নতুন করে রাজনৈতিক অস্থিরতা না বাড়াটাই অস্বাভাবিক। জামায়াত এ সরকারের শুরু থেকেই এক ধরনের চাপে আছে। এটি মোকাবিলা করতে গিয়ে কী হয়েছে, তা সবাই দেখেছে। এখন এই দলকে চিরতরে বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হলে কিছু ঘটবে না, এটা ভাবা স্বাভাবিক নয়।’
তিনি আরও বলেন, গণতন্ত্রের পথ যত রুদ্ধ হবে, ফাঁকফোকর দিয়ে তত বেশি ঘটনা ঘটবে। এ অবস্থায় জামায়াত উগ্রপন্থী (এক্সট্রিমিস্ট) হয়ে যেতে পারে এমন আশঙ্কা প্রকাশ করে তিনি বলেন, কোনো দল দৃশ্যমান থাকলে তাদের সব কর্মসূচিও দৃশ্যমান থাকে। কিন্তু নিষিদ্ধ হলে তারা গোপনে কী করবে, তা জনগণ বুঝতে পারবে না।
এদিকে জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন বাতিল করে দেয়া উচ্চ আদালতের রায়কে স্বাগত জানিয়েছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি ও বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি।
আইনমন্ত্রী হাইকোর্টের এই রায় জামায়াত নিষিদ্ধে প্রাথমিক ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ। বৃহস্পতিবার রায়ের পর তাৎক্ষণিক প্রত্রিক্রিয়ায় আইনমন্ত্রী এ কথা বলেন।
ক্ষমতাসীন মহাজোটের বৃহত্তর শরিক আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলম হানিফ তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় বলেন, ‘উচ্চ আদালতের রায়কে স্বাগত জানাই। জামায়াতে ইসলামী যুদ্ধাপরাধে যুক্ত ছিল, এরা পরবর্তীতে সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের জন্য সন্ত্রাসী দল হিসেবে পরিচিত পায়।’
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিভিন্ন রায়ে একাত্তরে যুদ্ধাপরাধের ঘটনায় দল হিসাবে জামায়াতের সরাসরি সম্পৃকতার বিষয়টি উঠে আসে। একটি রায়ে জামায়াতকে ‘ক্রিমিনাল’ দল হিসাবেও চিহ্নিত করা হয়।
হানিফ বলেন, ‘আদালতের এ রায় সঠিক, এখন থেকে জামায়াত রাজনৈতিক দল নয়, সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে বিবেচিত হবে।’
জামায়াতের নির্বান বাতিল চেয়ে করা একটি রিট আবেদনের রায়ে বৃহস্পতিবার এই রায় আসে।
বিচারপতি এম মোয়াজ্জাম হোসেন, বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি কাজী রেজা-উল হকের বেঞ্চ রায়ে বলে, ‘জামায়াতকে দেয়া নির্বাচন কমিশনের নিবন্ধন অবৈধ ও বাতিল ঘোষণা করা হলো।
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনকে আমরা অনেক আগেই বলেছিলাম, জামায়াত নিবন্ধনযোগ্য দল নয়। নির্বাচন কমিশন তখন জামায়াতের প্রতি নরম আচরণ করেছিল। সেই ত্রুটি আজ সংশোধন হলো আদালতের এই রায়ের মাধ্যমে।’ জামায়াতকে নিষিদ্ধ করারও দাবি জানান তিনি।
‘জামায়াত নিষিদ্ধ সংগঠন, অবৈধভাবে তাদের বৈধতা দেওয়া হয়েছিল। আমরা চাই অবিলম্বে জামাতকে নিষিদ্ধ করা হোক। জামায়াতের আর্থিক শক্তির উৎসগুলোও ডিজমেন্টাল করে দেওয়া হবে।’
বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন আদালতের রায়কে স্বাগত জানিয়ে বলেন, ‘এ দাবি আমরাও বহুদিন ধরে উত্থাপন করে আসছিলাম। যেখানে এদের রাজনীতি করার অধিকারই নেই, সেখানে তাদের কীভাবে নিবন্ধন দেওয়া হয়েছিল।’
‘আমরা তো বহুদিন ধরেই জামায়াতের রাজনীতি নিষিদ্ধ করার দাবি জানিয়ে আসছি। জামায়াত এ দেশের সংবিধান ও রাষ্ট্রের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ন নয়। এ জন্য দাবি জানাচ্ছি, জামায়াতকে দল হিসেবে নিষিদ্ধ করা হোক।’
উল্লেখ্য সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হওয়ায় জামায়াতে ইসলামীকে দেয়া নির্বাচন কমিশনের নিবন্ধন অবৈধ ঘোষণা করেছেন হাইকোর্ট। বৃহস্পতিবার বিকেল পৌনে তিনটায় এ সংক্রাšত্ম গঠিত বেঞ্চের তিন বিচারপতির মধ্যে দুজন এ ব্যাপারে একমত হয়ে এ রায় দেন। তিন বিচারপতি হলেন এম মোয়াজ্জেম হোসেন, বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি কাজী রেজাউল হক। তারা সুপ্রিম কোর্টের অ্যানেক্স ২৪ বিচারকক্ষে সংখ্যাগরিষ্ঠতা মতের ভিত্তিতে রায় প্রদান করেন।
রায়কে কেন্দ্র করে আদালত চত্বরে নেয়া হয় বাড়তি নিরাপত্তা। এমনকি সুপ্রিম কোর্টের অ্যানেক্স ২৪ নম্বর বিচারকক্ষের সামনে আর্চওয়ে বসানো হয়।
গত ১২ জুন জামায়াতের নিবন্ধনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দাখিল করা রিট আবেদনের ওপর শুনানি শেষ হওয়ার পর আদালত রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ (সিএভি) রেখে দেন।
আদালতে শুনানিকালে ইসির পক্ষে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী অ্যাডভোকেট মহসীন রশিদ, রিট আবেদনকারীরপক্ষে ব্যারিস্টার তানিয়া আমীর ও জামায়াতের পক্ষে ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাক যুক্তি উপস্থাপন করেন।
বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশনের সেক্রেটারি জেনারেল সৈয়দ রেজাউল হক চাঁদপুরী, জাকের পার্টির মহাসচিব মুন্সি আবদুল লতিফ, আমরা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান এর সভাপতি হুমায়ূন কবির, সম্মিলিত ইসলামী জোটের প্রেসিডেন্ট মওলানা জিয়াউল হাসানসহ ২৫ ব্যক্তি ২০০৯ সালে রিট আবেদনটি করেন।
১৮ দলীয় জোটের অন্যতম শরীক এই দলের নিবন্ধন বাতিল হওয়ায় রাজনৈতিক মিত্র বিএনপি এখন পর্যন্ত দলীয়ভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি। দলের স্থায়ী কমিটির কয়েকজন সদস্যের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তাঁরা রায় না দেখে তাৎক্ষণিকভাবে কিছু বলতে অস্বীকৃতি জানান। দলের দপ্তরের দায়িত্বে থাকা যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমদ বলেন, এ বিষয়ে এখনো দলীয়ভাবে কোনো আলোচনা হয়নি। আলোচনা করে এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানানো হবে।
তবে ব্যক্তিগত প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। তিনি বলেন, রাজনীতির সব দায়িত্ব যদি আদালত নেন, তাহলে কিছু বলার থাকে না। আদালতের প্রতি জনগণের শ্রদ্ধা ও আস্থা আছে। তা রক্ষার জন্য আদালতেরও সব দিক বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত দেওয়া উচিত।
তিনি বলেন, জামায়াতের নিবন্ধন অবৈধ ঘোষণা করায় রাজনৈতিক অস্থিরতা আরও বাড়বে। তিনি আশংঙ্কা প্রকাশ করে বলেন , ‘জামায়াতের নিবন্ধন অবৈধ ঘোষণা করায় নতুন করে রাজনৈতিক অস্থিরতা না বাড়াটাই অস্বাভাবিক। জামায়াত এ সরকারের শুরু থেকেই এক ধরনের চাপে আছে। এটি মোকাবিলা করতে গিয়ে কী হয়েছে, তা সবাই দেখেছে। এখন এই দলকে চিরতরে বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হলে কিছু ঘটবে না, এটা ভাবা স্বাভাবিক নয়।’
তিনি আরও বলেন, গণতন্ত্রের পথ যত রুদ্ধ হবে, ফাঁকফোকর দিয়ে তত বেশি ঘটনা ঘটবে। এ অবস্থায় জামায়াত উগ্রপন্থী (এক্সট্রিমিস্ট) হয়ে যেতে পারে এমন আশঙ্কা প্রকাশ করে তিনি বলেন, কোনো দল দৃশ্যমান থাকলে তাদের সব কর্মসূচিও দৃশ্যমান থাকে। কিন্তু নিষিদ্ধ হলে তারা গোপনে কী করবে, তা জনগণ বুঝতে পারবে না।
এদিকে জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন বাতিল করে দেয়া উচ্চ আদালতের রায়কে স্বাগত জানিয়েছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি ও বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি।
আইনমন্ত্রী হাইকোর্টের এই রায় জামায়াত নিষিদ্ধে প্রাথমিক ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ। বৃহস্পতিবার রায়ের পর তাৎক্ষণিক প্রত্রিক্রিয়ায় আইনমন্ত্রী এ কথা বলেন।
ক্ষমতাসীন মহাজোটের বৃহত্তর শরিক আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলম হানিফ তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় বলেন, ‘উচ্চ আদালতের রায়কে স্বাগত জানাই। জামায়াতে ইসলামী যুদ্ধাপরাধে যুক্ত ছিল, এরা পরবর্তীতে সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের জন্য সন্ত্রাসী দল হিসেবে পরিচিত পায়।’
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিভিন্ন রায়ে একাত্তরে যুদ্ধাপরাধের ঘটনায় দল হিসাবে জামায়াতের সরাসরি সম্পৃকতার বিষয়টি উঠে আসে। একটি রায়ে জামায়াতকে ‘ক্রিমিনাল’ দল হিসাবেও চিহ্নিত করা হয়।
হানিফ বলেন, ‘আদালতের এ রায় সঠিক, এখন থেকে জামায়াত রাজনৈতিক দল নয়, সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে বিবেচিত হবে।’
জামায়াতের নির্বান বাতিল চেয়ে করা একটি রিট আবেদনের রায়ে বৃহস্পতিবার এই রায় আসে।
বিচারপতি এম মোয়াজ্জাম হোসেন, বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি কাজী রেজা-উল হকের বেঞ্চ রায়ে বলে, ‘জামায়াতকে দেয়া নির্বাচন কমিশনের নিবন্ধন অবৈধ ও বাতিল ঘোষণা করা হলো।
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনকে আমরা অনেক আগেই বলেছিলাম, জামায়াত নিবন্ধনযোগ্য দল নয়। নির্বাচন কমিশন তখন জামায়াতের প্রতি নরম আচরণ করেছিল। সেই ত্রুটি আজ সংশোধন হলো আদালতের এই রায়ের মাধ্যমে।’ জামায়াতকে নিষিদ্ধ করারও দাবি জানান তিনি।
‘জামায়াত নিষিদ্ধ সংগঠন, অবৈধভাবে তাদের বৈধতা দেওয়া হয়েছিল। আমরা চাই অবিলম্বে জামাতকে নিষিদ্ধ করা হোক। জামায়াতের আর্থিক শক্তির উৎসগুলোও ডিজমেন্টাল করে দেওয়া হবে।’
বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন আদালতের রায়কে স্বাগত জানিয়ে বলেন, ‘এ দাবি আমরাও বহুদিন ধরে উত্থাপন করে আসছিলাম। যেখানে এদের রাজনীতি করার অধিকারই নেই, সেখানে তাদের কীভাবে নিবন্ধন দেওয়া হয়েছিল।’
‘আমরা তো বহুদিন ধরেই জামায়াতের রাজনীতি নিষিদ্ধ করার দাবি জানিয়ে আসছি। জামায়াত এ দেশের সংবিধান ও রাষ্ট্রের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ন নয়। এ জন্য দাবি জানাচ্ছি, জামায়াতকে দল হিসেবে নিষিদ্ধ করা হোক।’
উল্লেখ্য সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হওয়ায় জামায়াতে ইসলামীকে দেয়া নির্বাচন কমিশনের নিবন্ধন অবৈধ ঘোষণা করেছেন হাইকোর্ট। বৃহস্পতিবার বিকেল পৌনে তিনটায় এ সংক্রাšত্ম গঠিত বেঞ্চের তিন বিচারপতির মধ্যে দুজন এ ব্যাপারে একমত হয়ে এ রায় দেন। তিন বিচারপতি হলেন এম মোয়াজ্জেম হোসেন, বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি কাজী রেজাউল হক। তারা সুপ্রিম কোর্টের অ্যানেক্স ২৪ বিচারকক্ষে সংখ্যাগরিষ্ঠতা মতের ভিত্তিতে রায় প্রদান করেন।
রায়কে কেন্দ্র করে আদালত চত্বরে নেয়া হয় বাড়তি নিরাপত্তা। এমনকি সুপ্রিম কোর্টের অ্যানেক্স ২৪ নম্বর বিচারকক্ষের সামনে আর্চওয়ে বসানো হয়।
গত ১২ জুন জামায়াতের নিবন্ধনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দাখিল করা রিট আবেদনের ওপর শুনানি শেষ হওয়ার পর আদালত রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ (সিএভি) রেখে দেন।
আদালতে শুনানিকালে ইসির পক্ষে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী অ্যাডভোকেট মহসীন রশিদ, রিট আবেদনকারীরপক্ষে ব্যারিস্টার তানিয়া আমীর ও জামায়াতের পক্ষে ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাক যুক্তি উপস্থাপন করেন।
বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশনের সেক্রেটারি জেনারেল সৈয়দ রেজাউল হক চাঁদপুরী, জাকের পার্টির মহাসচিব মুন্সি আবদুল লতিফ, আমরা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান এর সভাপতি হুমায়ূন কবির, সম্মিলিত ইসলামী জোটের প্রেসিডেন্ট মওলানা জিয়াউল হাসানসহ ২৫ ব্যক্তি ২০০৯ সালে রিট আবেদনটি করেন।

0 Comments