আবুল কালাম আজাদজনসাধারণের সব চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অফিস, উপজেলা জন-স্বাস্থ্য প্রকৌশলী অফিস এখন জন-মানব শূন্য হয়ে কালের সাক্ষী হয়ে দাড়িয়ে রয়েছে। অফিসটি পরিদর্শন করে দেখা যায় উপজেলা অফিসারের কার্যালয়ে তালা ঝুলছে। তালাটি চেক করে দেখা যায় তালার মধ্যে দীর্ঘদিন পর্যন্ত বন্ধ থাকা পরিত্যাক্ত হয়ে পড়েছে। অফিসে গিয়ে দেখা যায় কোন লোকজন নেই। অফিস সহকারীর রুম খোলা টেবিল চেয়ার কালের সাক্ষী হিসেবে দাড়িয়ে রয়েছে। টেবিলের পশ্চিম পার্শ্বে মূল ফ্লোরে একটি বালিশ পড়ে রয়েছে। সেখানে একজন লোক কাথ হয়ে শুয়ে রয়েছে। সে ঘুমের ঘুরে অচেতন তাকে ডেকে তোলা হয়। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ হলে সে জানায় আমি এ অফিসের পিয়ন গিয়াছ উদ্দিন। সে জানায়, অফিসে কোন লোকজন না থাকায় আমি ঘুমিয়ে পড়ছি। সে জানায়, আজ হতে ৭ বৎসর পর্যন্ত উপজেলা জন-স্বাস্থ্য প্রকৌশলী নেই অর্থাৎ পদ শূন্য রয়েছে। উখিয়া উপজেলার জন-স্বাস্থ্য প্রকৌশলী নুর হোছন অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। সে মাসে একবার এসে বিল ভাউচারে স্বাক্ষর করে চলে যান। আর আসে না। তখন আমরা পিত্রমাতৃত্ব শূন্য হয়ে এতিম হিসেবে দিন কাটায়। তিনি আরও জানায় এ অফিসে ৯ জন কর্মচারী থাকার বিধান রয়েছে। তৎ মধ্যে ৬ ইউনিয়নে ৬জন মেকানিক, ১জন অফিস সহকারী, ১জন নৈশ প্রহরী ও ১জন পিয়ন তৎ মধ্যে রয়েছে মাত্র ৩জন ২জন মেকানিক ও ১জন পিয়ন। গত ২০১২-১৩ অর্থ বৎসরে জাতীয় স্যানিটেশনের আওতায় হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে বিনা বিতরণের জন্য ১৩৫ সেট ল্যাট্রিন এসেছিল তা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এদিকে প্রতি বৎসর উপজেলার সকল ইউনিয়ন ও পৌরসভার জন্য গভির ও অগভির প্রচুর পরিমাণ নলকূপ আসলেও অফিসের মেকানিকগণ শুধুমাত্র হ্নীলা ও হোয়াইক্যং বরাদ্দ দেখিয়ে আত্মসাত করে আসছে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়। এভাবে চলছে টেকনাফ উপজেলা জন-স্বাস্থ্য প্রকৌশলী অফিস।

0 Comments