Advertisement

ঈদের আগে সক্রিয় জাল নোট চক্র



ঈদের আগ মুহূর্তে বিশাল অংকের জাল টাকা নিয়ে বাজারে সক্রিয় হয়েছে সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্র। সুযোগ পেলেই তারা বিভিন্ন পণ্য কেনার নাম করে জাল টাকা সরবরাহ করছে। ১৮ লাখ টাকার জাল নোটসহ
আটক রাব্বি (২৩) র‌্যাবের জিজ্ঞাসাবাদে এমনই তথ্য দিয়েছেন। মঙ্গলবার বেলা ১১টায় র‌্যাব-১০ এর সদর দফতর ধলপুরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান তিনি।  তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে র‌্যাব এ চক্রের অন্যান্য সদস্যদের আটক করতে এরই মধ্যে মাঠে নেমেছে।
সোমবার বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত পরিচালিত অভিযানে র‌্যাব-১০ এর সদস্যরা রাজধানীর ডগাইর এলাকা থেকে ১৮ লাখ টাকার জাল নোট ও জাল নোট তৈরির বিপুল পরিমাণ সরঞ্জামসহ রাব্বি নামের ওই যুবককে আটক করেন। 
র‌্যাব-১০ এর অপারেশন অফিসার ফজলে রাব্বি বাংলানিউজকে বলেন, ঈদকে সামনে রেখে এক শ্রেণীর প্রতারক চক্র সক্রিয় হয়ে উঠেছে। জাল নোট তৈরি করে বাজারে ছেড়ে দেওয়া বর্তমান সময়ের একটি আলোচিত ঘটনা। এতে প্রতারিত হচ্ছেন দেশের নিরীহ জনগণ। এ প্রতারক চক্রকে গ্রেফতারের লক্ষ্যে ?াব-১০গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে। এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, ডেমরা থানার ডগাইর এলাকায় জাল টাকা লেনদেন হচ্ছে। এ তথ্যের ভিত্তিতে বিকেলে মেজর জাহাঙ্গীর আলমের নেতৃত্বে ১৫ সদস্যের র‌্যাবের একটি দল অভিযান পরিচালনা করে জাল টাকা ব্যবসায়ী রাব্বিকে হাতেনাতে আটক করে।
পরবর্তী সময়ে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বাসা তল্লাশি করে নগদ ১৮ লাখ টাকার জাল নোট, জলছাপযুক্ত বিপুল পরিমাণ টাকা তৈরির কাগজসহ টাকা বানানোর মেশিন ও যন্ত্রপাতি উদ্ধার করা হয়। এছাড়া ১টি ল্যাপটপ, ৪টি প্রিন্টার, ১টি পেন ড্রাইভ, ৪টি সিডি, ১০২টি প্রিন্টারের কালি, ১১১ বান্ডিল টাকার নিরাপত্তা সুতা, ১৭ বোতল বিভিন্ন রকমের রং এবং ৭টি টাকা বানানোর ডায়াস উদ্ধার করা হয়।  
ফজলে রাব্বি আরো জানান, আটক রাব্বি নারায়ণগঞ্জ এবং ঢাকায় দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ জাল টাকার ব্যবসা করে আসছিলেন। তিনি নিয়মিতভাবে ১০ থেকে ২০ লাখ টাকা করে তৈরি করে এজেন্টদের মাধ্যমে বিক্রি করতেন। তিনি প্রতি এক লাখ টাকার জাল নোট দশ হাজার টাকা করে বিক্রি করেন। 
তিনি আরো বলেন, এ চক্রের আরো কয়েকজন সদস্য ঈদের আগ মুহূর্তে বাজারে জাল টাকা ছড়ানোর চেষ্টা করছেন। আমরা তার কাছ থেকে বেশ কিছু নাম পেয়েছি। তাদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

Post a Comment

0 Comments