Advertisement

চটি সাহিত্যিক তসলিমা নাসরিনের উদাস মনের প্রত্যাবর্তনের খায়েশ - See more at: http://www.bengalinews24.com/citizen-journilism,-new-media-journalism/2013/07/11/10394#sthash.jyPtsdIl.dpuf


প্রত্যেক নবজাতক শিশুই জন্মের সময় ফিতরতুল ইসলাম তথা ইসলামের বুনিয়াদী শিক্ষা নিয়েই জন্মগ্রহণ করে। শিশুটির বয়স বাড়ার সাথে সাথে তার পারিপার্শ্বিক পরিবেশ পরিস্থিতি তার ব্যক্তি জীবনে প্রভাব বিস্তার করে।
কিন্তু তার পারিপার্শ্বিক পরিবেশ পরিস্থিতি ইসলামাইজড না হয়ে যদি তা’গুতী শক্তির প্রভাবে প্রভাবাহ্নিত হয় তখন সেও ক্রমান্নয়ে তা’গুতী শক্তির পুজারী হয়ে তার প্রতিনিধিত্ব করে সত্য, ন্যায় ও ইনসাফের প্রতিপক্ষ হয়ে দাড়ায়। আবার এদের মধ্যে অনেক প্রতিভাধর ব্যক্তিত্বও ক্ষেত্র বিশেষে উল্টোরথ যাত্রা করে। হয়তো এখানেও নিহিত থাকে স্রষ্টার কোন কুদরত। মরিস বুখাইলী, ডেভিড কিটমোর, ইউসুফ স্টেইচ, লরেন ব্রাউনরা হয়তো সেই উদহারণ।

অন্ধকার গলির অনেক বাসিন্দাও যৌবন চেরাগের তেল ফুরিয়ে যাবার পর সুর্যালোকের আশ্রয়ে অতীত ভোলার আপ্রাণ চেষ্টা করতে দেখা যায়।

বাংলা সিনেমার নায়িকা সাবানাকে অনেকেই চেনে।

তার জীবন চক্রের গতি পরিবর্তনের ক্ষেত্রে কেউ কোন ধরনের মন্তব্য করে না। কারণ সে তার অতীত জীবনের জন্য সব সময় আফসোস করতো বলে শুনেছি। কিন্তু কোন দিন নিজের ধর্ম, সমাজ, পরিবার ও ঐতিহ্যবাহী সামাজিক রীতি-রেওয়াজ, তাহজীব-তামাদ্দুনকে বিদ্রুপ করেনি। এক সময় নিজেই সব কিছু ঝেড়ে ছুটে আসেন স্রষ্টার দেয়া বিধানের দিকে। যদিও তার মনে আগে থেকেই সেই কাঙ্গিত জীবনের প্রতি দুর্বলতা সব সময় প্রকাশ করতো।

অপর দিকে তসলিমা নাসরিন এমন কোন কর্মকান্ড করেন নি যা তাকে মানব সমাজের সদস্যা হিসেবে স্বীকৃতি দিতেও অনেকে নারাজ। আল্লাহই ভাল জানেন এই নষ্টা মহিলার জীবনের হঠাৎ ব্রেকডাউন করে আলোর পথে ফিরে আসার খায়েশ কিভাবে গ্রহণ করবেন। ইতিহাসের পাতায় অনেক বিখ্যাত মহিলার নাম দেখা যায় যারা অন্ধকার জীবনাচারকে ত্যাগ করে আলোর পথে ফিরে এসেছে মৌলিকভাবে সঠিক পথ বেচে নিয়ে। যাদেরকে আল্লাহ হেদায়তের জন্য বেচে নেন তারা সত্যিই কতই না ভাগ্যবান! তাদের পরিবর্তিত জীবন থেকে পৃথিবীর মানুষ শিক্ষনীয় আদর্শ হিসেবে অনেক কিছুই গ্রহণ করতে পারে। লরেন বুজ থেকে শুরু করে রিডলি, নিকোল কুইন সহ হাল আমলের কুইন ফেডিল্লার কথা আমরা অনেকেই জানি। কিন্তু তাদের একজনের ইতিহাসও এরকম চরম বির্তকিত কুখ্যাত ছিল না। বরং তারা সবাই স্ব স্ব ক্ষেত্রে প্রসংশিত ও আন্তরিক বিশ্বাসী ছিল। যখনই তারা বুঝতে পেরেছে তাদের বিশ্বাসে দারুন গলত রয়েছে। তাদের চলার পথ অন্ধকার। তারা মহা সত্যের সন্ধান পেয়ে গেছে, তখন কাল বিলম্ব না করে সেই সত্যের কাছে আত্মসমর্পন করে দুনিয়া এবং আখেরাতকে বিপদমুক্ত করার সংগ্রাম শুরু করেছে।

কিন্তু তসলিমা নাসরিনের ক্ষেত্রে তো তার বিপরীতটাই লক্ষ্যনীয়। সে চরম মহা সত্যেকে তুচ্চু তাচ্ছিল্ল করেই ক্ষান্ত নয়। নিজেকে পশুত্বের নিম্নস্তরে নিয়ে যাবার প্রকাশ্যে আত্ম স্বীকৃতির আস্ফালণ দেখে একজন আশরাফুল মাখলুকাতের সদস্য হিসেবে নিজের প্রতিও ঘৃণা সৃষ্টি হয়। যে সমাজ ও সাংস্কৃতিক ব্যবস্থাকে অশ্বীকার করে তসলিমা নাসরিন চিঠকে পড়েছে সেই সমাজ, সেই সংস্কৃতি তাকে কিভাবে বরণ করে নিবে? তার কলম থেকে সব সময় পশ্রাবের দুর্গন্ধতুল্য নষ্ঠামিই বের হয়েছে। তার একই কলম দিয়ে যতই দুধ আর মধু বের করার চেষ্টা করা হোক না কেন এই সমাজ, এই সংস্কৃতি তা কতটুকু গ্রহণ করবে?

Post a Comment

0 Comments