এম.জসিম উদ্দিন ছিদ্দিকী
রমজান শুরু হতে না হতেই কক্সবাজার বিদ্যুত বিভাগ ঘন ঘন লোডশেডিং শুরু করে দিয়েছে। যার কারণে এই পবিত্র রমজান মাসে সাধারণ জনগনের জনজীবন অতিষ্ট হয়ে উঠেছে। কক্সবাজার বিদ্যুত অফিসের অনিয়ম ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দায়িত্বহীন কর্মকান্ডে শহরবাসীর ক্ষোভ ক্রমেই জনরোষে পরিণত হচ্ছে। এছাড়াও দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যোগসাজসে জেলা শহরের প্রত্যন্ত অঞ্চলে একাধিক স্পটে অবৈধ ঝুঁকিপূর্ণ
বিদ্যুৎ সংযোগ (সাইট কানেকশান) দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে। এ কারনে যে কোন মূহুর্তে বড় ধরনের দূর্ঘটনার আশংকা প্রকাশ করেছেন শহরবাসী। বিগত সময়ে লোডশেডিংয়ের মাত্রাকে ছাড়িয়ে বর্তমানে তা দ্বিগুন পরিণত হয়েছে। কয়েকদিন ধরে এ দশার ব্যাতিক্রম হয়নি। অবস্থা দেখলে মনে হয় যেন মোবাইল ফোনে বারে বারে মিসকল দিচ্ছে। ঘন্টায় ৮-১০ বার বিদ্যুৎ আসা যাওয়ার ফলে ছাত্র-ছাত্রীদের পড়ালেখাসহ জনজীবনের বিপর্যয়ের পাশাপাশি বৈদ্যুতিক বিভিন্ন সরঞ্জামাধিক বিকল ও নষ্ট হচ্ছে প্রতিনিয়ত। এসবের যেন দেখার কেউ নেই। বিশেষ করে কক্সবাজার শহর ও শহরতলীতে আশে পাশের গ্রামগুলোতে কয়েকদিন ধরে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত এমনকি রাতে সেহেরী খাওয়ার সময়ও বিদ্যুত না থাকায় দফায় দফায় সংশ্লিষ্ট অফিসে গ্রাহকরা মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করেও নিষ্ফল আবেদনের সামিল হয়। এদিকে বিদ্যুতের অভাবে শহরবাসী প্রায় অতিষ্ট হয়ে বিদ্যুতের পরিবর্তে বিভিন্ন কোম্পানীর জেনারেটর, আই.পি.এস ও সৌরবিদ্যুতের শরণাপন্ন হতে বাদ্য হচ্ছে। যে কোন সময় এই ক্ষোভ থেকে ফের জনরোষের সৃষ্টি হতে পারে বলে আশংকা করছেন সচেতন মহল।
রমজান শুরু হতে না হতেই কক্সবাজার বিদ্যুত বিভাগ ঘন ঘন লোডশেডিং শুরু করে দিয়েছে। যার কারণে এই পবিত্র রমজান মাসে সাধারণ জনগনের জনজীবন অতিষ্ট হয়ে উঠেছে। কক্সবাজার বিদ্যুত অফিসের অনিয়ম ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দায়িত্বহীন কর্মকান্ডে শহরবাসীর ক্ষোভ ক্রমেই জনরোষে পরিণত হচ্ছে। এছাড়াও দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যোগসাজসে জেলা শহরের প্রত্যন্ত অঞ্চলে একাধিক স্পটে অবৈধ ঝুঁকিপূর্ণ
বিদ্যুৎ সংযোগ (সাইট কানেকশান) দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে। এ কারনে যে কোন মূহুর্তে বড় ধরনের দূর্ঘটনার আশংকা প্রকাশ করেছেন শহরবাসী। বিগত সময়ে লোডশেডিংয়ের মাত্রাকে ছাড়িয়ে বর্তমানে তা দ্বিগুন পরিণত হয়েছে। কয়েকদিন ধরে এ দশার ব্যাতিক্রম হয়নি। অবস্থা দেখলে মনে হয় যেন মোবাইল ফোনে বারে বারে মিসকল দিচ্ছে। ঘন্টায় ৮-১০ বার বিদ্যুৎ আসা যাওয়ার ফলে ছাত্র-ছাত্রীদের পড়ালেখাসহ জনজীবনের বিপর্যয়ের পাশাপাশি বৈদ্যুতিক বিভিন্ন সরঞ্জামাধিক বিকল ও নষ্ট হচ্ছে প্রতিনিয়ত। এসবের যেন দেখার কেউ নেই। বিশেষ করে কক্সবাজার শহর ও শহরতলীতে আশে পাশের গ্রামগুলোতে কয়েকদিন ধরে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত এমনকি রাতে সেহেরী খাওয়ার সময়ও বিদ্যুত না থাকায় দফায় দফায় সংশ্লিষ্ট অফিসে গ্রাহকরা মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করেও নিষ্ফল আবেদনের সামিল হয়। এদিকে বিদ্যুতের অভাবে শহরবাসী প্রায় অতিষ্ট হয়ে বিদ্যুতের পরিবর্তে বিভিন্ন কোম্পানীর জেনারেটর, আই.পি.এস ও সৌরবিদ্যুতের শরণাপন্ন হতে বাদ্য হচ্ছে। যে কোন সময় এই ক্ষোভ থেকে ফের জনরোষের সৃষ্টি হতে পারে বলে আশংকা করছেন সচেতন মহল।


0 Comments