ইব্রাহীম খলিল,ঈদগড়
কক্সবাজার রামুর ঈদগড়-ঈদগাঁও সড়কের কান্না থামানো খুবই জরুরী হয়ে পড়েছে। সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা যায়, চলতি বছর বর্ষার প্রবল বৃষ্টির পানি এবং পাহাড়ী ঢলের কারণে ঈদগড়-ঈদগাঁও সড়কের ধুমছাকাটা ফরেষ্ট অফিস সংলগ্ন রাস্তায় ব্যাপক ভাঙ্গন,
পানের ছড়া ঢালায় রাস্তা ভাঙ্গন, গজালিয়া দোকানের পূর্ব পার্শ্বে রাস্তা ভাঙ্গন, পশ্চিম ভোমরিয়াঘোনা এলাকায় রাস্তা ভাঙ্গন, পালপাড়া এলাকায় রাস্তা ভাঙ্গনের কারণে বর্তমানে ঈদগড়-ঈদগাঁও সড়কের কান্না শুরু হয়েছে। আর এসব ভাঙ্গা রাস্তার উপর দিয়ে প্রতিদিন বাস,ট্রাক,মোটর সাইকেল, কার,মাইক্রো, নোহা সহ শত শত আরো নানা যানবাহন চলাচল করছে। ফলে সড়কের যেমন কষ্ট হচ্ছে তেমনি যানবাহনও নষ্ট হচ্ছে প্রায় সময়। অন্যদিকে জনসাধারণ চলাচলে চরম দূর্ভোগের সৃষ্টি হচ্ছে। এভাবে চলতে থাকলে হয়ত যে কোন দিন উল্লেখিত এলাকাগুলো পুনরায় প্লাবিত হয়ে পুরো রাস্তা যান চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়বে। এমতাবস্থায় ভাঙ্গন স্থান গুলো যদি সত্বর মেরামত করা না হয় তাহলে সড়কটির মৃত্যু অবধারিত এমন আশংকা দেখা দিচ্ছে। প্রতি বছর বর্ষা মৌসূম এলে সড়কটির আরো বিভিন্ন স্থানে ভেঙ্গে গিয়ে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। ফলে এলাকার জনসাধারণকে বাঁেশর সাকো, নৌকা সহ নানা ভাবে চলাচল করতে হয়। মালামাল আনা নেওয়া প্রায় বন্ধ হয়ে পড়ে। অনেক রোগীদেরও মৃত্যু হয় পথে। প্রায় লক্ষাধিক লোকের চলাচল এ সড়ক দিয়ে। ঈদগড়-ঈদগাঁও, বাইশারী এলাকার জনসাধারণ এ থেকে মুক্তি পেতে চাই। বিগত দিনে সড়কটির মেরামত উন্নতর না হওয়ার কারণে সড়কটির এই বেহাল দশা হয়ে পড়েছে। সড়কটির বেহাল দশা দেখলে মনে হয় অভিভাবক হীন হয়ে পড়েছে এ সড়কটি। এই সড়কটি রক্ষা করা খুবই দরকার। শুরু হওয়া প্রবল বৃষ্টিতে আবারো কান্না শুরু হয়েছে সড়কটির। যে কোন ভাবে এখনই কান্না থামানো না গেলে তথা সড়কটি মেরামত করা না হলে সড়কটি পুনরায় ধ্বসে পড়ে এলাকার জনসাধারণ চলাচলে হুমকি হয়ে দাড়াবে। তাই ঈদগড় সাংবাদিক ও লেখক পরিষদ নেতৃবৃন্দ সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের সু-দৃষ্টি কামনা করছেন এ বিষয়ে।

0 Comments