সংবাদদাতা
পাহাড়ী জনপদ ঈদগড় ইউনিয়নের চরপাড়া খেদেয়ারঝিরি নামক বন এলাকার একটি জায়গাকে কেন্দ্র করে ভুমি খেকোদের সাথে বন বিভাগের লোকজনের সাথে যোগসাজস থাকায় এক অসহায় ব্যক্তির জায়গা বেদখল হয়ে যাওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। বর্ণিত এলাকার অসহায় ফরিদ মিয়া জানায়, বিগত কয়েক বছর পূর্বে ঈদগড় বন বিটের ভিলেজার কোদালিয়া কাটার মোহাম্মদ হোছন ফরিদ মিয়াকে ভিলেজার বানানোর কথা বলে ৮০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়। পরে ফরিদ মিয়াকে ওই হোছন বন বিটের সহায়তায় বনাঞ্চলের কিছু জায়গা দখলে দিলে ফরিদ তাতে কুল বাগান গড়ে তুলে। এতে সে সময়কার বিট কর্মকর্তা শাখায়েত উল্লাহ তা উচ্ছেদ করে দিয়ে ফরিদের বিরুদ্ধে বন আইনে মামলা রুজ করে। পরবর্তীতে সে জামিনে মুক্ত হয়। ইতিমধ্যে উক্ত লোভী ভিলেজার মোহাম্মদ হোছন নুরুল হুদাসহ আরো কয়েকজনের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিয়ে আবারো ভিলেজারীর দাপটে একই জায়গা তাদের অবৈধ দখলে দিয়ে হোছনের সহায়তায় তাতে সংস্কার কাজ শুরু করে। কিন্তু অসহায় ফরিদ মিয়া উক্ত জায়গায় কাজ করতে গেলে বার বার বন বিভাগের লোকজনকে ভূল বুঝিয়ে তার লোকজনদের কাজে বাঁধা সৃষ্টি করে চলছে। ফরিদ মিয়া ও স্থানীয় লোকজনের অভিযোগ হোছন ভিলেজারীর দাপট দেখিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বন বিটে কর্মকর্ত কর্মকর্তাদের ভূল বুঝিয়ে বিভিন্ন সময়ে নীরহ লোকদের হয়রানি পূর্বক বন বিভাগের জায়গা দখল বেদখলের বাণিজ্যে অব্যাহত রেখেছে। তারা অভিলম্বে তদন্ত পূর্বক তার ভিলেজারী বাতিলের দাবী জানান। উক্ত অভিযোগ বিষয়ে বিট কর্মকর্তা শামশুজ্জামানের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, একাধিক বার ফরিদ মিয়াকে উক্ত জায়গায় কাজ না করতে নিষেধ করা হয়েছে এবং তিনি উক্ত বিটে যোগদানের পর থেকে কাউকে ওই জায়গায় কাজ করতে দেয়া হয়নি। ভূক্তভোগী ফরিদ তার হারানো জায়গা ফেরত পেতে উর্ধ্বতন কর্মকর্তার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
পাহাড়ী জনপদ ঈদগড় ইউনিয়নের চরপাড়া খেদেয়ারঝিরি নামক বন এলাকার একটি জায়গাকে কেন্দ্র করে ভুমি খেকোদের সাথে বন বিভাগের লোকজনের সাথে যোগসাজস থাকায় এক অসহায় ব্যক্তির জায়গা বেদখল হয়ে যাওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। বর্ণিত এলাকার অসহায় ফরিদ মিয়া জানায়, বিগত কয়েক বছর পূর্বে ঈদগড় বন বিটের ভিলেজার কোদালিয়া কাটার মোহাম্মদ হোছন ফরিদ মিয়াকে ভিলেজার বানানোর কথা বলে ৮০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়। পরে ফরিদ মিয়াকে ওই হোছন বন বিটের সহায়তায় বনাঞ্চলের কিছু জায়গা দখলে দিলে ফরিদ তাতে কুল বাগান গড়ে তুলে। এতে সে সময়কার বিট কর্মকর্তা শাখায়েত উল্লাহ তা উচ্ছেদ করে দিয়ে ফরিদের বিরুদ্ধে বন আইনে মামলা রুজ করে। পরবর্তীতে সে জামিনে মুক্ত হয়। ইতিমধ্যে উক্ত লোভী ভিলেজার মোহাম্মদ হোছন নুরুল হুদাসহ আরো কয়েকজনের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিয়ে আবারো ভিলেজারীর দাপটে একই জায়গা তাদের অবৈধ দখলে দিয়ে হোছনের সহায়তায় তাতে সংস্কার কাজ শুরু করে। কিন্তু অসহায় ফরিদ মিয়া উক্ত জায়গায় কাজ করতে গেলে বার বার বন বিভাগের লোকজনকে ভূল বুঝিয়ে তার লোকজনদের কাজে বাঁধা সৃষ্টি করে চলছে। ফরিদ মিয়া ও স্থানীয় লোকজনের অভিযোগ হোছন ভিলেজারীর দাপট দেখিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বন বিটে কর্মকর্ত কর্মকর্তাদের ভূল বুঝিয়ে বিভিন্ন সময়ে নীরহ লোকদের হয়রানি পূর্বক বন বিভাগের জায়গা দখল বেদখলের বাণিজ্যে অব্যাহত রেখেছে। তারা অভিলম্বে তদন্ত পূর্বক তার ভিলেজারী বাতিলের দাবী জানান। উক্ত অভিযোগ বিষয়ে বিট কর্মকর্তা শামশুজ্জামানের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, একাধিক বার ফরিদ মিয়াকে উক্ত জায়গায় কাজ না করতে নিষেধ করা হয়েছে এবং তিনি উক্ত বিটে যোগদানের পর থেকে কাউকে ওই জায়গায় কাজ করতে দেয়া হয়নি। ভূক্তভোগী ফরিদ তার হারানো জায়গা ফেরত পেতে উর্ধ্বতন কর্মকর্তার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

0 Comments