আবুল কালাম আজাদ
সরকার তামাক জাত দ্রব্যের উপর অতিরিক্ত শুল্ককর আরোপ করেছে। ধূমপায়ীদের সংখ্যা হ্রাস করার জন্য। এরপরও ধূমপায়ীদের সংখ্যা হ্রাস পাচ্ছে না বরং বেড়ে চেলেছে। একে পুজি করে সিগারেট ও বিড়ি কোম্পনীগুলো সরকার প্রদত্ত নিয়ম-কানুনকে বৃঙ্গাঙ্গুলী প্রদর্শন করে নিজেদের ইচ্ছা মাফিক মূল্য হাতিয়ে নিচ্ছে। বাজেট পাশ না হওয়ার আগেই তাদের পণ্যাদির দাম বাড়িয়ে দিয়ে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেওয়ার প্রতিযোগিতা শুরু হয়। অভিযোগ উঠেছে কোম্পানী প্রদত্ত সিগারেটের প্যাকেটের গায়ে যে মূল্য লেখা থাকে সে অনুপাতে মূল্য নেওয়া, এটা হচ্ছে কোম্পানীর আইন। অথচ টেকনাফ সীমান্ত এলাকায় অন্যান্য ব্রান্ডের সিগারেট কোম্পানী, কোম্পানী প্রদত্ত আইন কানুন মেনে প্রতিটি এজেন্ট মূল্য নিলে ও গোল্ডলীফ সিগারেট কোম্পানীর টেকনাফ এজেন্ট (আল-আমিন ষ্টোর) তা উপেক্ষা করে ২/৩ গুন টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে বলে ক্রেতা সাধারণেরা জানায়। টেকনাফ উপজেলা ও পৌর এলাকার হাটবাজার সমূহ পরিদর্শন করে দেখা যায়, টেকনাফ পৌর এলাকর গোল্ডলীফ সিগারেটের কোম্পানীর এজেন্ট আল-আমিন প্যাকেটের গায়ের মূল্যের চেয়ে ১১ টাকা প্রতিটি প্যাকেটে বেশী নিচ্ছে। প্যাকেটের গায়ে লিখা রয়েছে, ৭৯ টাকা, অথচ এজেন্টেরা নিচ্ছে ৯০ টাকা প্রতিটি প্যাকেট। খুচরা বিক্রেতারা নিচ্ছে প্রতিটি প্যাকেট ১২০ টাকা। পাশাপাশি একই কোম্পানীর স্টার সিগারেট প্রতিটি প্যাকেটে ৫টাকা ৫০ পয়সা বেশী নিচ্ছে। প্যাকেটের গায়ে লিখা রয়েছে ৫৪.৫০ টাকা, এজেন্টরা নিচ্ছে ৬০ টাকা, খুচরা বিক্রেতারা নিচ্ছে ১০০ টাকা। এভাব্ েপ্রতিটি সিগারেট কোম্পানী সরকারের রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে কম মূল্য দেখিয়ে লক্ষ-লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে বলে এলাকার সচেতন মহল জানায়।
সরকার তামাক জাত দ্রব্যের উপর অতিরিক্ত শুল্ককর আরোপ করেছে। ধূমপায়ীদের সংখ্যা হ্রাস করার জন্য। এরপরও ধূমপায়ীদের সংখ্যা হ্রাস পাচ্ছে না বরং বেড়ে চেলেছে। একে পুজি করে সিগারেট ও বিড়ি কোম্পনীগুলো সরকার প্রদত্ত নিয়ম-কানুনকে বৃঙ্গাঙ্গুলী প্রদর্শন করে নিজেদের ইচ্ছা মাফিক মূল্য হাতিয়ে নিচ্ছে। বাজেট পাশ না হওয়ার আগেই তাদের পণ্যাদির দাম বাড়িয়ে দিয়ে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেওয়ার প্রতিযোগিতা শুরু হয়। অভিযোগ উঠেছে কোম্পানী প্রদত্ত সিগারেটের প্যাকেটের গায়ে যে মূল্য লেখা থাকে সে অনুপাতে মূল্য নেওয়া, এটা হচ্ছে কোম্পানীর আইন। অথচ টেকনাফ সীমান্ত এলাকায় অন্যান্য ব্রান্ডের সিগারেট কোম্পানী, কোম্পানী প্রদত্ত আইন কানুন মেনে প্রতিটি এজেন্ট মূল্য নিলে ও গোল্ডলীফ সিগারেট কোম্পানীর টেকনাফ এজেন্ট (আল-আমিন ষ্টোর) তা উপেক্ষা করে ২/৩ গুন টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে বলে ক্রেতা সাধারণেরা জানায়। টেকনাফ উপজেলা ও পৌর এলাকার হাটবাজার সমূহ পরিদর্শন করে দেখা যায়, টেকনাফ পৌর এলাকর গোল্ডলীফ সিগারেটের কোম্পানীর এজেন্ট আল-আমিন প্যাকেটের গায়ের মূল্যের চেয়ে ১১ টাকা প্রতিটি প্যাকেটে বেশী নিচ্ছে। প্যাকেটের গায়ে লিখা রয়েছে, ৭৯ টাকা, অথচ এজেন্টেরা নিচ্ছে ৯০ টাকা প্রতিটি প্যাকেট। খুচরা বিক্রেতারা নিচ্ছে প্রতিটি প্যাকেট ১২০ টাকা। পাশাপাশি একই কোম্পানীর স্টার সিগারেট প্রতিটি প্যাকেটে ৫টাকা ৫০ পয়সা বেশী নিচ্ছে। প্যাকেটের গায়ে লিখা রয়েছে ৫৪.৫০ টাকা, এজেন্টরা নিচ্ছে ৬০ টাকা, খুচরা বিক্রেতারা নিচ্ছে ১০০ টাকা। এভাব্ েপ্রতিটি সিগারেট কোম্পানী সরকারের রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে কম মূল্য দেখিয়ে লক্ষ-লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে বলে এলাকার সচেতন মহল জানায়।

0 Comments