Advertisement

হারবাংয়ের প্রতিবন্ধী ও হতদরিদ্রের পাশে এসএআরপিভি

এম. রায়হান চৌধুরীচকরিয়া উপজেলার হারবাং ইউনিয়নে প্রতিবন্ধী ও হতদরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ালো বেসরকারী সেবা সংস্থা এসএআরপিভি (সার্ভ) বাংলাদেশ। আর সেই সংস্থার আওতাধীন সেবার হাত সম্প্রসারিত করতে প্রত্যন্ত এলাকায় কাজ করে যাচ্ছে কেয়ারের সহযোগিতায় “লাইফ প্রকল্প”। যাতে রয়েছে ক্ষুদ্র ব্যবসা, গবাদি পশু পালন ও কৃষি চাষ। এ প্রকল্পে সম্পৃক্ত করার মধ্যদিয়ে খেটে খাওয়া হতভাগাদের ভাগ্য পরিবর্তনের সম্ভাবনার দ্বার উম্মোচিত হয়েছে বলে এমনটি দাবি উপকারভোগিদের। এ সংস্থা সকল বাঁধা বিপত্তি পেরিয়ে বন্যার ধকলে বিপর্যস্থ দুর্গতদেরও সেই সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। এ কার্যক্রমের আওতাধীন বুধবার ও গতকাল বৃহস্পতিবার হারবাং ইউনিয়নের ৪শ’ ২৭ জন প্রতিবন্ধী ও হত দরিদ্র মানুষের মাঝে জনপ্রতি (অফেরৎযোগ্য) দশ হাজার টাকার মধ্যে প্রথম কিস্তির সাত হাজার টাকা করে বিতরণ করা হয়। এ সহযোগিতা পেয়ে বেজায় খুশি উপকারভোগিরা। এখন দুঃখ ভুলে তাদের মুখে ফুটেছে হাসি। তারা জানায়, এ সাহায্য পেতে দ্বারস্থও হতে হয়নি কারো কাছে এবং বিনিময়ও চাইনি কেউ।
সরেজমিন ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, হারবাং ইউনিয়ন ছাড়াও কেয়ারের সহযোগিতায় এসএআরপিভি বাংলাদেশ এ উপজেলার আরও সাতটি ইউনিয়নে আর্থিক সাহায্য প্রদান করে চলেছে। মূলতঃ এসএআরপিভি বাংলাদেশ প্রতিবন্ধীদের নিয়ে কাজ করে থাকে। এর পাশাপাশি আর্থ মানবতার সেবায় সামাজিক উন্নয়নমূলক কাজেও নিয়োজিত রয়েছে এ প্রতিষ্ঠান।
হারবাং ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের বাইগ্যারপাড়ার হাফেজা খাতুন ও জাহেদা বেগমসহ বহু উপকারভোগিরা দাবি করেন, আর্থিক স্বচ্ছলতা ও স্বাবলম্বী না হওয়া পর্যন্ত এ ধরনের সহযোগিতা নিয়ে দারিদ্র বিমোচন বান্ধব সেবা সংস্থা এসএআরপিভি বাংলাদেশ যেন আমাদের পাশে দাঁড়ায়।
এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল বৃহস্পতিবারও ইসলামী ব্যাংক চিরিঙ্গা শাখায় লাইফ প্রকল্পের চেক বিতরণ করা হয় প্রতিবন্ধী ও হতদরিদ্রের মাঝে। চেক বিতরণকালে সার্বিক তত্বাবধান করেন এসএআরপিভি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী মাকসুদুল আলম মুহিত। এসময় হারবাং ইউনিয়নের দায়িত্বরত মাঠ কর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন। সেবা সংস্থাটি আনুষ্ঠানিকতার মধ্যদিয়ে সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে প্রথম কিস্তির কার্যক্রম সম্পন্ন করে।

Post a Comment

0 Comments