নিজস্ব প্রতিবেদক
র্দীঘ দিন ধরে কক্সবাজার শহর জুড়ে ১৫ নারী মাদক সম্রাজ্ঞী চষে বেড়াচ্ছে। নিজস্ব বসতবাড়ি, ভাড়াবাসাসহ আশপাশের দোকানে প্রতিনিধি নিয়োগ করে তারা জমজমাট ভাবে এ ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। রাজনৈতিক আশ্রয়, স্থানীয় প্রভাবশালী ও সন্ত্রাসীদের পৃষ্ঠপোষকতা এবং প্রশাসনের দূর্নীতিবাজ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সহায়তায় এসব নারী গাঁজা, হেরোইন, ইয়াবা, বাংলা মদ, বিদেশী মদ, ফেনসিডিলসহ বিভিন্ন মাদকদ্রব্যের ব্যবসায় অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠেছে। এদের মধ্যে স্বামী পরিত্যক্ত নারী, মাদক আইনে সাজাভোগকারী এবং অসংখ্য মামলার আসামী জেল ফেরৎ নারীরাও রয়েছে। মাদক বিক্রিতে এরা কখনো কখনো স্বামীকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে থাকে। এদের অনেকেই আইনশৃংখলা বাহিনীর হাতে একাধিকবার ধরা পড়ার পরও শহর জুড়ে তাদের এই অবৈধ ব্যবসা থেমে নেই। কুমিল্লা-ঢাকা-চট্টগ্রাম-কক্সবাজার কেন্দ্রীক রয়েছে একাধিক সিন্ডিকেট। সিন্ডিকেটের সদস্যরা প্রশাসনের ঝামেলা এড়াতে ব্যবহার করছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তা সহ ক্ষমতাসীন দলের রাজনৈতিক ব্যক্তিদের।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, কক্সবাজার শহর জুড়ে ১৫ জন নারী মাদক ব্যবসায়ী সক্রিয় রয়েছে। তাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে শতাধিক খুচরা মাদক ব্যবসায়ী। শহর জুড়ে তারা মাদক ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। এদের মধ্যে রয়েছে- কক্সবাজার শহরের বৈদ্যঘোনা এলাকার শিল্পী। গত ১৫ বছর ধরে সে নিয়মিত গাঁজা, হেরোইন ও ইয়াব ব্যবসা চালিয়ে আসছে। মাদক ব্যবসায়ে জড়িত থাকার অপরাধে প্রায় ৫ বার জেল হাজতে যেতে হয়েছে তাকে। জেল থেকে বেরিয়ে আবারো মাদক ব্যবসায় জড়িয়ে পড়ে সে। শহর পুলিশ ফাঁড়ির ক্যাশিয়ার পরিচয়ধারী বরণ’র বাসার পাশেই মাদক ব্যবসায়ী শিল্পীর বসবাস। উক্ত ক্যাশিয়ার নামধারী ব্যক্তি শিল্পীর কাছ থেকে মাসিক উৎকোচ আদায় করে থাকে বলে অভিযোগ রয়েছে। গত ৭ বছর ধরে ঢাকা-চট্টগ্রাম-কক্সবাজারে গাঁজা, ইয়াবা ও ফেনসিডিলের ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে শহরের পাহাড়তলী এলাকার লাইলা বেগম। মাদক ব্যবসার অপরাধে প্রায় ৩ বার তাকে জেলে যেতে হয়েছে। জেল থেকে ফিরেই মাদক ব্যবসায় জড়িয়ে পড়ে সে। হেরোইন বিক্রির অপরাধে দেড় বছর আগে আইনশৃংখলা বাহিনীর হাতে ধরা পড়ে শহরের টেকপাড়া এলাকার বোরহানের স্ত্রী লাকী। র্দীঘ ৭ বছর ধরে হেরোইন ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে লাকী। এর মধ্যে আইনশৃংখলা বাহিনীর হাতে ১ বার ধরা পড়ার পর জামিনে বের হয়ে আবারো ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে নির্বিঘেœ। একই এলাকায় আমেনা খাতুন উচ্চ বিদ্যালয়ের পাশে এক যুগ ধরে গাঁজার ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে মিয়া ওরফে গাঁজা মিয়ার স্ত্রী কহিনুর। প্রায় ১০ বছর আগে শান্তি বাহিনীর এক সদস্যকে বিয়ে করে কহিনুর। কিন্তু কহিনুর গাঁজা ব্যবসায়িদের সাথে সখত্যা থাকার কারণে তাকে তালাক দেয় শান্তি বাহিনীর ওই সদস্য। এর পর কহিনুর বিয়ে করেন মিয়া ওরফে গাঁজা মিয়াকে। আইনশৃংখলা বাহিনীর কতিপয় অসাধু সদস্যের সাথে সখ্যতা থাকায় বহাল রয়েছে কহিনুুর। একই এলাকার বাদশার স্ত্রী আয়েশা গত ১৩ বছর ধরে গাঁজা বিক্রি করে চলেছেন। র্দীঘ দিন ধরে মাদক ব্যবসা চালিয়ে গেলেও রয়েছে ধরাছোঁয়ার বাইরে। সে বর্তমানে স্থান পরিবর্তন করে পাহাড়তলী রহমানিয়া মাদ্রাসা সংলগ্ন এক ভাড়া বাসায় উঠেছে বলে একটি নির্ভর যোগ্য সূত্রে জানা গেছে। গত ৩ বছর ধরে গাঁজার ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে মোহাজের পাড়া এলাকার ওসমান মিস্ত্রির স্ত্রী মানু। প্রশাসনের নজরদারি না থাকায় জমজমাট হয়ে উঠেছে তার মাদক ব্যবসা। গত ১৫ বছর ধরে গাঁজা বিক্রি করে সংসার চালাচ্ছেন বইল্ল্যা পাড়া এলাকার জাদিরাম পাহাড়ের উপরে বহুল আলোচিত মাদক ব্যবসায়ী মোস্তাফা ও তার স্ত্রী মরিয়ম। বর্তমানে মোস্তফা আরেকটি বিয়ে করায় তার ব্যবসা চালাচ্ছে প্রথম স্ত্রী মরিয়ম। গাঁজা বিক্রির অপরাধে মোস্তফা মাদকদ্রব্য অধিদপ্তরের হাতে কয়েকবার ধরা পড়লেও বহাল রয়েছে তার স্ত্রী মরিয়মের মাদক বাণিজ্য। স্বামীর সহযোগিতায় মরিয়ম প্রকাশ্যে গাঁজা বিক্রি করে যাচ্ছে। কলাতলী সুগন্ধা পয়েন্টের দক্ষিণ পাশে পানের ঝুপড়িতে গত ৪ বছর ধরে গাঁজা বিক্রি করে আসছে মমতাজ বেগম। পানের দোকানের আড়ালে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে নির্বিঘেœ ব্যবসা পরিচালনা করছে মমতাজ।
বাহারছড়া এলাকার গোরা মিয়ার স্ত্রী রোকসানা গত ৩ বছর ধরে গাঁজা বিক্রি করছে। আইনশৃংখলা বাহিনীর নজর না থাকায় সেখানে মাদক ব্যবসা চলছে বেপরোয়া গতিতে। শহরের ঘোনার পাড়া এলাকায় কয়েক বছর ধরে গাঁজা ও হেরোইন বিক্রি করে আসছে কহিনুর, শিল্পীর মা ও ভূলু। শিল্পীর মা, কহিনুর ও ভূলু তিন জনই সিন্ডিকেট করে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে মাদক পাচার ও বিক্রি করে থাকে। উক্ত সিন্ডিকেটের গডফাদার হচ্ছেন চট্টগ্রামের মিন্টুর স্ত্রী আছমা। আছমার নেতৃত্বে এ তিন নারী মাদক সম্রাজ্ঞী চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার শহরে গাঁজা, ফেনসিডিল ও হেরোইন এনে খুচরা ব্যবসায়িদের কাছে বিক্রি করেন। আছমা কুমিল্লার বর্ডার থেকে গাঁজা এনে তাদের কাছে সরবরাহ করে থাকে। র্দীঘ ১৫ বছর ধরে গাঁজা বিক্রিতে সক্রিয় রয়েছে ঘোনার পাড়া শংকর মাঠের পাশে সাধুর বৌ। গাঁজা বিক্রির অপরাধে বেশ কয়েকবার আইনশৃংখলা বাহিনীর হাতে ধরা পড়ে সে। এর পরও জেল থেকে ফিরেই মাদক ব্যবসায় জড়িয়ে গেছে। বাদশা ঘোনা এলাকায় গত ৮ বছর ধরে গাঁজা, হেরোইন ও ইয়াবা ব্যবসা পরিচালনা করছে আয়েশা প্রকাশ সুন্দরী। মাদক আইনে বেশ কয়েক বার জেল খেটে আবারো ব্যবসা চালাচ্ছে সে।
অভিযোগ রয়েছে, র্দীঘ দিন ধরে শহর জুড়ে মাদক ব্যবসায়িরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। প্রতি এলাকায় ডজন ডজন মাদক ব্যবসায়ির জন্ম হচ্ছে। অল্প সময়ে লাভবান হওয়ায় নারীরাও মাদক ব্যবসা বেছে নিয়েছে। এছাড়া প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিতে শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ীরা ব্যবহার করছে নারীদের। বিশেষ করে গাঁজা, হেরোইন, বাংলা মদ ও ইয়াবা বহনে নারীদের ব্যবহার বাড়ছে। মাদক পাচার কাজে ব্যবহার হওয়া নারীরা পুরনো হলেই নিজেরাই গঠন করে মাদক বিক্রির সিন্ডিকেট। সিন্ডিকেটের মাধ্যমে তাদের নির্দিষ্ট ব্যবসায়িদের কাছে মাদক বিক্রি করে থাকে। ব্যবসায়ি ছাড়াও তাদের বসতবাড়িতে এসব মাদক নিজেরাও বিক্রি করেন। বেশির ভাগ মাদক ব্যবসায়ি ভাড়া বাসায় থেকে ব্যবসা করছে। একটি ভাড়া বাসায় কয়েক মাসের বেশি স্থায়ী হয় না। এতে প্রশাসনের চোখে সহজে ধরা পড়ে না।
এ বিষয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর কক্সবাজার কার্যালয়ের সহকারি পরিচালক হুমায়ুন কবির খন্দকার বলেন, ‘শীঘ্রই ওই ১৫ মাদক ব্যবসায়ির বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করা হবে।’
র্দীঘ দিন ধরে কক্সবাজার শহর জুড়ে ১৫ নারী মাদক সম্রাজ্ঞী চষে বেড়াচ্ছে। নিজস্ব বসতবাড়ি, ভাড়াবাসাসহ আশপাশের দোকানে প্রতিনিধি নিয়োগ করে তারা জমজমাট ভাবে এ ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। রাজনৈতিক আশ্রয়, স্থানীয় প্রভাবশালী ও সন্ত্রাসীদের পৃষ্ঠপোষকতা এবং প্রশাসনের দূর্নীতিবাজ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সহায়তায় এসব নারী গাঁজা, হেরোইন, ইয়াবা, বাংলা মদ, বিদেশী মদ, ফেনসিডিলসহ বিভিন্ন মাদকদ্রব্যের ব্যবসায় অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠেছে। এদের মধ্যে স্বামী পরিত্যক্ত নারী, মাদক আইনে সাজাভোগকারী এবং অসংখ্য মামলার আসামী জেল ফেরৎ নারীরাও রয়েছে। মাদক বিক্রিতে এরা কখনো কখনো স্বামীকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে থাকে। এদের অনেকেই আইনশৃংখলা বাহিনীর হাতে একাধিকবার ধরা পড়ার পরও শহর জুড়ে তাদের এই অবৈধ ব্যবসা থেমে নেই। কুমিল্লা-ঢাকা-চট্টগ্রাম-কক্সবাজার কেন্দ্রীক রয়েছে একাধিক সিন্ডিকেট। সিন্ডিকেটের সদস্যরা প্রশাসনের ঝামেলা এড়াতে ব্যবহার করছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তা সহ ক্ষমতাসীন দলের রাজনৈতিক ব্যক্তিদের।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, কক্সবাজার শহর জুড়ে ১৫ জন নারী মাদক ব্যবসায়ী সক্রিয় রয়েছে। তাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে শতাধিক খুচরা মাদক ব্যবসায়ী। শহর জুড়ে তারা মাদক ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। এদের মধ্যে রয়েছে- কক্সবাজার শহরের বৈদ্যঘোনা এলাকার শিল্পী। গত ১৫ বছর ধরে সে নিয়মিত গাঁজা, হেরোইন ও ইয়াব ব্যবসা চালিয়ে আসছে। মাদক ব্যবসায়ে জড়িত থাকার অপরাধে প্রায় ৫ বার জেল হাজতে যেতে হয়েছে তাকে। জেল থেকে বেরিয়ে আবারো মাদক ব্যবসায় জড়িয়ে পড়ে সে। শহর পুলিশ ফাঁড়ির ক্যাশিয়ার পরিচয়ধারী বরণ’র বাসার পাশেই মাদক ব্যবসায়ী শিল্পীর বসবাস। উক্ত ক্যাশিয়ার নামধারী ব্যক্তি শিল্পীর কাছ থেকে মাসিক উৎকোচ আদায় করে থাকে বলে অভিযোগ রয়েছে। গত ৭ বছর ধরে ঢাকা-চট্টগ্রাম-কক্সবাজারে গাঁজা, ইয়াবা ও ফেনসিডিলের ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে শহরের পাহাড়তলী এলাকার লাইলা বেগম। মাদক ব্যবসার অপরাধে প্রায় ৩ বার তাকে জেলে যেতে হয়েছে। জেল থেকে ফিরেই মাদক ব্যবসায় জড়িয়ে পড়ে সে। হেরোইন বিক্রির অপরাধে দেড় বছর আগে আইনশৃংখলা বাহিনীর হাতে ধরা পড়ে শহরের টেকপাড়া এলাকার বোরহানের স্ত্রী লাকী। র্দীঘ ৭ বছর ধরে হেরোইন ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে লাকী। এর মধ্যে আইনশৃংখলা বাহিনীর হাতে ১ বার ধরা পড়ার পর জামিনে বের হয়ে আবারো ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে নির্বিঘেœ। একই এলাকায় আমেনা খাতুন উচ্চ বিদ্যালয়ের পাশে এক যুগ ধরে গাঁজার ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে মিয়া ওরফে গাঁজা মিয়ার স্ত্রী কহিনুর। প্রায় ১০ বছর আগে শান্তি বাহিনীর এক সদস্যকে বিয়ে করে কহিনুর। কিন্তু কহিনুর গাঁজা ব্যবসায়িদের সাথে সখত্যা থাকার কারণে তাকে তালাক দেয় শান্তি বাহিনীর ওই সদস্য। এর পর কহিনুর বিয়ে করেন মিয়া ওরফে গাঁজা মিয়াকে। আইনশৃংখলা বাহিনীর কতিপয় অসাধু সদস্যের সাথে সখ্যতা থাকায় বহাল রয়েছে কহিনুুর। একই এলাকার বাদশার স্ত্রী আয়েশা গত ১৩ বছর ধরে গাঁজা বিক্রি করে চলেছেন। র্দীঘ দিন ধরে মাদক ব্যবসা চালিয়ে গেলেও রয়েছে ধরাছোঁয়ার বাইরে। সে বর্তমানে স্থান পরিবর্তন করে পাহাড়তলী রহমানিয়া মাদ্রাসা সংলগ্ন এক ভাড়া বাসায় উঠেছে বলে একটি নির্ভর যোগ্য সূত্রে জানা গেছে। গত ৩ বছর ধরে গাঁজার ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে মোহাজের পাড়া এলাকার ওসমান মিস্ত্রির স্ত্রী মানু। প্রশাসনের নজরদারি না থাকায় জমজমাট হয়ে উঠেছে তার মাদক ব্যবসা। গত ১৫ বছর ধরে গাঁজা বিক্রি করে সংসার চালাচ্ছেন বইল্ল্যা পাড়া এলাকার জাদিরাম পাহাড়ের উপরে বহুল আলোচিত মাদক ব্যবসায়ী মোস্তাফা ও তার স্ত্রী মরিয়ম। বর্তমানে মোস্তফা আরেকটি বিয়ে করায় তার ব্যবসা চালাচ্ছে প্রথম স্ত্রী মরিয়ম। গাঁজা বিক্রির অপরাধে মোস্তফা মাদকদ্রব্য অধিদপ্তরের হাতে কয়েকবার ধরা পড়লেও বহাল রয়েছে তার স্ত্রী মরিয়মের মাদক বাণিজ্য। স্বামীর সহযোগিতায় মরিয়ম প্রকাশ্যে গাঁজা বিক্রি করে যাচ্ছে। কলাতলী সুগন্ধা পয়েন্টের দক্ষিণ পাশে পানের ঝুপড়িতে গত ৪ বছর ধরে গাঁজা বিক্রি করে আসছে মমতাজ বেগম। পানের দোকানের আড়ালে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে নির্বিঘেœ ব্যবসা পরিচালনা করছে মমতাজ।
বাহারছড়া এলাকার গোরা মিয়ার স্ত্রী রোকসানা গত ৩ বছর ধরে গাঁজা বিক্রি করছে। আইনশৃংখলা বাহিনীর নজর না থাকায় সেখানে মাদক ব্যবসা চলছে বেপরোয়া গতিতে। শহরের ঘোনার পাড়া এলাকায় কয়েক বছর ধরে গাঁজা ও হেরোইন বিক্রি করে আসছে কহিনুর, শিল্পীর মা ও ভূলু। শিল্পীর মা, কহিনুর ও ভূলু তিন জনই সিন্ডিকেট করে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে মাদক পাচার ও বিক্রি করে থাকে। উক্ত সিন্ডিকেটের গডফাদার হচ্ছেন চট্টগ্রামের মিন্টুর স্ত্রী আছমা। আছমার নেতৃত্বে এ তিন নারী মাদক সম্রাজ্ঞী চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার শহরে গাঁজা, ফেনসিডিল ও হেরোইন এনে খুচরা ব্যবসায়িদের কাছে বিক্রি করেন। আছমা কুমিল্লার বর্ডার থেকে গাঁজা এনে তাদের কাছে সরবরাহ করে থাকে। র্দীঘ ১৫ বছর ধরে গাঁজা বিক্রিতে সক্রিয় রয়েছে ঘোনার পাড়া শংকর মাঠের পাশে সাধুর বৌ। গাঁজা বিক্রির অপরাধে বেশ কয়েকবার আইনশৃংখলা বাহিনীর হাতে ধরা পড়ে সে। এর পরও জেল থেকে ফিরেই মাদক ব্যবসায় জড়িয়ে গেছে। বাদশা ঘোনা এলাকায় গত ৮ বছর ধরে গাঁজা, হেরোইন ও ইয়াবা ব্যবসা পরিচালনা করছে আয়েশা প্রকাশ সুন্দরী। মাদক আইনে বেশ কয়েক বার জেল খেটে আবারো ব্যবসা চালাচ্ছে সে।
অভিযোগ রয়েছে, র্দীঘ দিন ধরে শহর জুড়ে মাদক ব্যবসায়িরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। প্রতি এলাকায় ডজন ডজন মাদক ব্যবসায়ির জন্ম হচ্ছে। অল্প সময়ে লাভবান হওয়ায় নারীরাও মাদক ব্যবসা বেছে নিয়েছে। এছাড়া প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিতে শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ীরা ব্যবহার করছে নারীদের। বিশেষ করে গাঁজা, হেরোইন, বাংলা মদ ও ইয়াবা বহনে নারীদের ব্যবহার বাড়ছে। মাদক পাচার কাজে ব্যবহার হওয়া নারীরা পুরনো হলেই নিজেরাই গঠন করে মাদক বিক্রির সিন্ডিকেট। সিন্ডিকেটের মাধ্যমে তাদের নির্দিষ্ট ব্যবসায়িদের কাছে মাদক বিক্রি করে থাকে। ব্যবসায়ি ছাড়াও তাদের বসতবাড়িতে এসব মাদক নিজেরাও বিক্রি করেন। বেশির ভাগ মাদক ব্যবসায়ি ভাড়া বাসায় থেকে ব্যবসা করছে। একটি ভাড়া বাসায় কয়েক মাসের বেশি স্থায়ী হয় না। এতে প্রশাসনের চোখে সহজে ধরা পড়ে না।
এ বিষয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর কক্সবাজার কার্যালয়ের সহকারি পরিচালক হুমায়ুন কবির খন্দকার বলেন, ‘শীঘ্রই ওই ১৫ মাদক ব্যবসায়ির বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করা হবে।’

0 Comments