Advertisement

পেকুয়ায় আজ অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রীর বিয়ে!

মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
আজ বুধবার অষ্টম শ্রেণীর স্কুল পড়–য়া অপ্রাপ্ত বয়স্ক ছাত্রী নাঈমা জান্নাতের বাল্য বিয়ে!  স্কুল ছাত্রী নাঈমা পেকুয়ার মগনামা উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রী।  এ নিয়ে পুরো এলাকাজুড়ে তোলপাড় চলছে।          স্থানীয়দের সূত্রে জানা যায়, পেকুয়া উপজেলার মগনামা ইউনিয়নের পশ্চিমকূল সেকান্দর পাড়ার হাবিবুর রহমানের স্কুল পড়–য়া কন্যা নাঈমা জান্নাত (১৩) কে তার পরিবার জোরপূর্বক একই ইউনিয়নের মটকাভাঙ্গা গ্রামের জনৈক কামাল (২৭) এর সাথে আজ বৃহস্পতিবার (২৫) জুলাই বিয়ের দিন ধার্য্য করা হয়েছে। জানা যায়, মগনামা ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি চেয়ারম্যান স্বাক্ষরিত জন নিবন্ধন সনদে স্কুল ছাত্রীর নাঈমার জন্ম তারিখ ১১-০৪-১৯৯৯ইংরেজী। সে হিসেবে বর্তমানে তার বয়স দাঁড়ায় ১৪ বৎসরে কম। এদিকে সরকার বাল্য বিয়ে রোধে ১৮ বছরের কম কোন মেয়েকে বিয়ের উপর বিধি নিষেধ আরোপ করে বাল্য বিবাহ প্রতিরোধ আইন প্রণয়ন করে। কিন্তু এ আইন অমান্য করে স্কুল ওই ছাত্রীর ইচ্ছার বিরুদ্ধে বাল্য বিয়ে দেওয়ার জন্য দিনক্ষণ ঠিক করেছে। এ বাল্য বিয়েতে নাঈমা জান্নাতের অসম্মতি থাকলেও পরিবারের কারণে বাল্য বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন। ওই স্কুল ছাত্রী পরিবারের সাথে এ নিয়ে অভিমান করে বিষপানে আতœহত্যা করার চেষ্টা চালিয়েছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
    মগনামা উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক শহীদুল ইসলাম চৌধুরী ওই স্কুল ছাত্রী তার বিদ্যালয়ে অষ্টম শ্রেনীর ছাত্রী বলে সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তবে বিষয়টি খতিয়ে দেখে বাল্য বিয়ে রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবেন বলে জানিয়েছেন।
  মগনামা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শহীদুল মোস্তাফা চৌধূরী জানিয়েছেন, এ নিয়ে পিতার কন্যাকে আমার দপ্তরে তলব করা হয়েছে। বাল্য বিয়ে কখনো মেনে হবেনা। কঠোরভাবে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
 পেকুয়া থানার ওসি মাঈন উদ্দিন আহমেদ জানিয়েছেন, বাল্য বিয়ের বিষয়টি স্থানীয়রা আমাকে অবহিত করেছেন। থানার এস আই মকবুলকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

Post a Comment

0 Comments