বর্তমান প্রতিবেদক
গ্রামীণ ব্যাংক সদস্যদের মালিকানা ঠিক রাখা এবং গ্রামীণ ব্যাংক কমিশনের সুপারিশ বাতিলের দাবিতে কালো ব্যাজ ধারণ ও ১৫ মিনিট নীরবতা পালন করে প্রতিবাদ জানিয়েছেন গ্রামীণ ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। একই সঙ্গে গ্রামীণ ব্যাংক তদন্ত কমিশনের কর্মশালা বাতিলেরও দাবি জানান তারা।
মঙ্গলবার দুপুর ১২টা ৪৫ মিনিট থেকে ১টা পর্যন্ত মিরপুর গ্রামীণ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ‘গ্রামীণ ব্যাংক কেড়ে নিতে দেব না, গ্রামীণ ব্যাংক কমিশনের সুপারিশ ও কর্মশালা বাতিল কর’ শীর্ষক এক প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করা হয়। কর্মসূচিতে গ্রামীণ ব্যাংকের ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম. শাহজাহান, ব্যাংকের মহাব্যবস্থাপক জান্নাত-ই-কাওনাইনসহ সব নির্বাহী কর্মকর্তা, সকল শ্রেণীর কর্মচারীসহ প্রায় পাঁচ শতাধিক সদস্য উপস্থিত ছিলেন। কর্মসূচির সমন্বয় করেন গ্রামীণ ব্যাংক কর্মচারী সমিতির সভাপতি শামসুল আলম। একই সঙ্গে গ্রামীণ ব্যাংকের সারাদেশের ২ হাজার ৬শ’ শাখা অফিস, ৪০টি জোনাল অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও একই সময়ে কালো ব্যাজ ধারণ ও ১৫ মিনিট নীরবতা পালন করেছে বলে উক্ত কর্মসূচিতে জানানো হয়।
কর্মসূচিতে বক্তারা বলেন, ‘গ্রামীণ ব্যাংক সকলের ব্যাংক ৮৪ হাজার সদস্যের ব্যাংক। এখানে সরকারের মালিকানা বাড়িয়ে ৫১ শতাংশ করার সুপারিশ ব্যাংকটিকে ধ্বংস করে ফেলবে।’ এসময় তারা গ্রামীণ ব্যাংক কমিশনের সুপারিশ বাতিলের দাবি জানান। বক্তারা দাবি জানিয়ে বলেন, ‘গ্রামীণ ব্যাংক তদন্ত কমিশনের কর্মশালা স্থগিত করলে হবে না, বাতিল করতে হবে।’ তবে কর্মশালা স্থগিত করার জন্য কমিশনের চেয়ারম্যানকে মৌখিক ভাবে ধন্যবাদ জানানো হয়।
কর্মসূচীতে গ্রামীণ ব্যাংকের ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম. শাহজাহান বলেন, ‘সরকারের মালিকানা বাড়িয়ে ৫১ শতাংশ করা গ্রামীণ ব্যাংক ধ্বংসের একটি চক্রান্ত মাত্র।’ তিনি বলেন, ‘গ্রামীণ ব্যাংককে ১৯ টুকরা করার সুপারিশ একটি ধ্বংসের পরিকল্পনা। এটি কখনোই ব্যাংকের জন্য শুভ হবে না।’ এসময় গ্রামীণ ব্যাংকের মহাব্যবস্থাপক জান্নাত-ই-কাওনাইন বলেন, ‘গ্রামীণ ব্যাংকের আর্ন্তজাতিক সুনাম রয়েছে। সরকারের কার্যক্রম সেই সুনাম ক্ষুন্ন করার দিকেই যাচ্ছে।’ তিনি বলেন, ভূমিহীন মহিলাদের টাকায় গড়া এই ব্যাংক ১৯ টুকরো হতে দেব না। এছাড়া সরকারী মালিকানা বাড়িয়ে আমরা এটি ধ্বংস হতে দেব না। তিনি আরো বলেন, ‘আমাদের সব কর্মচারী-কর্মকর্তা এক হয়ে কালো ব্যজ ধারণ করে কমিশনের প্রস্তাবনাগুলোর বিরুদ্ধে নীরব প্রতিবাদ জানাই। কারণ এসব প্রস্তাব গ্রামীণ ব্যাংককে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যাবে।’
কালো ব্যাজ ধারণ প্রসঙ্গে কর্মসূচীর সমন্বয়ক ও সমিতির সভাপতি শামসুল আলম বলেন, ‘গ্রামীণ ব্যাংক তদন্ত কমিশনের কর্মশালা বাতিল করতে হবে। ৩৫ বছর ধরে এই ব্যাংক যে আইনে চলছে সেই আইনে চলতে দিতে হবে। সেই জন্য আমরা কালো ব্যজ ধারণ করে এখানে দাঁড়িয়েছি।’
গ্রামীণ ব্যাংক সদস্যদের মালিকানা ঠিক রাখা এবং গ্রামীণ ব্যাংক কমিশনের সুপারিশ বাতিলের দাবিতে কালো ব্যাজ ধারণ ও ১৫ মিনিট নীরবতা পালন করে প্রতিবাদ জানিয়েছেন গ্রামীণ ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। একই সঙ্গে গ্রামীণ ব্যাংক তদন্ত কমিশনের কর্মশালা বাতিলেরও দাবি জানান তারা।
মঙ্গলবার দুপুর ১২টা ৪৫ মিনিট থেকে ১টা পর্যন্ত মিরপুর গ্রামীণ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ‘গ্রামীণ ব্যাংক কেড়ে নিতে দেব না, গ্রামীণ ব্যাংক কমিশনের সুপারিশ ও কর্মশালা বাতিল কর’ শীর্ষক এক প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করা হয়। কর্মসূচিতে গ্রামীণ ব্যাংকের ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম. শাহজাহান, ব্যাংকের মহাব্যবস্থাপক জান্নাত-ই-কাওনাইনসহ সব নির্বাহী কর্মকর্তা, সকল শ্রেণীর কর্মচারীসহ প্রায় পাঁচ শতাধিক সদস্য উপস্থিত ছিলেন। কর্মসূচির সমন্বয় করেন গ্রামীণ ব্যাংক কর্মচারী সমিতির সভাপতি শামসুল আলম। একই সঙ্গে গ্রামীণ ব্যাংকের সারাদেশের ২ হাজার ৬শ’ শাখা অফিস, ৪০টি জোনাল অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও একই সময়ে কালো ব্যাজ ধারণ ও ১৫ মিনিট নীরবতা পালন করেছে বলে উক্ত কর্মসূচিতে জানানো হয়।
কর্মসূচিতে বক্তারা বলেন, ‘গ্রামীণ ব্যাংক সকলের ব্যাংক ৮৪ হাজার সদস্যের ব্যাংক। এখানে সরকারের মালিকানা বাড়িয়ে ৫১ শতাংশ করার সুপারিশ ব্যাংকটিকে ধ্বংস করে ফেলবে।’ এসময় তারা গ্রামীণ ব্যাংক কমিশনের সুপারিশ বাতিলের দাবি জানান। বক্তারা দাবি জানিয়ে বলেন, ‘গ্রামীণ ব্যাংক তদন্ত কমিশনের কর্মশালা স্থগিত করলে হবে না, বাতিল করতে হবে।’ তবে কর্মশালা স্থগিত করার জন্য কমিশনের চেয়ারম্যানকে মৌখিক ভাবে ধন্যবাদ জানানো হয়।
কর্মসূচীতে গ্রামীণ ব্যাংকের ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম. শাহজাহান বলেন, ‘সরকারের মালিকানা বাড়িয়ে ৫১ শতাংশ করা গ্রামীণ ব্যাংক ধ্বংসের একটি চক্রান্ত মাত্র।’ তিনি বলেন, ‘গ্রামীণ ব্যাংককে ১৯ টুকরা করার সুপারিশ একটি ধ্বংসের পরিকল্পনা। এটি কখনোই ব্যাংকের জন্য শুভ হবে না।’ এসময় গ্রামীণ ব্যাংকের মহাব্যবস্থাপক জান্নাত-ই-কাওনাইন বলেন, ‘গ্রামীণ ব্যাংকের আর্ন্তজাতিক সুনাম রয়েছে। সরকারের কার্যক্রম সেই সুনাম ক্ষুন্ন করার দিকেই যাচ্ছে।’ তিনি বলেন, ভূমিহীন মহিলাদের টাকায় গড়া এই ব্যাংক ১৯ টুকরো হতে দেব না। এছাড়া সরকারী মালিকানা বাড়িয়ে আমরা এটি ধ্বংস হতে দেব না। তিনি আরো বলেন, ‘আমাদের সব কর্মচারী-কর্মকর্তা এক হয়ে কালো ব্যজ ধারণ করে কমিশনের প্রস্তাবনাগুলোর বিরুদ্ধে নীরব প্রতিবাদ জানাই। কারণ এসব প্রস্তাব গ্রামীণ ব্যাংককে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যাবে।’
কালো ব্যাজ ধারণ প্রসঙ্গে কর্মসূচীর সমন্বয়ক ও সমিতির সভাপতি শামসুল আলম বলেন, ‘গ্রামীণ ব্যাংক তদন্ত কমিশনের কর্মশালা বাতিল করতে হবে। ৩৫ বছর ধরে এই ব্যাংক যে আইনে চলছে সেই আইনে চলতে দিতে হবে। সেই জন্য আমরা কালো ব্যজ ধারণ করে এখানে দাঁড়িয়েছি।’


0 Comments