নিজস্ব প্রতিনিধি, মহেশখালী
মহেশখালী মৎস্য কর্মকর্তার দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিগত প্রায় ৩ মাস ধরে মৎস্য কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ ভারপ্রাপ্ত ও অফিস সহকারী রবি চাকমা অফিস না করে বেতন ভাতা উত্তোলন
করে থাকে। ১৫ দিনেও ১ বারও অফিসে আসে না। ১৫ দিন পর আসিয়া না আসা ১৫ দিন খাতায় দস্তখত করে চলে যায়। একজন থাকে কক্সবাজার অফিস সহকারী রবি চাকমা অপর জন থাকে চকরিয়া আবুল কালাম আজাদ ভারপ্রাপ্ত। বিগত ২ জুলাই মৎস্য সপ্তাহ উদযাপন উপলক্ষ্যে ২ জনই আসিয়া ছবি ও অন্যান্য করে চলে যায়। মৎস্য সপ্তাহ সরকারী নীতিমালা মোতাবেক ১ সপ্তাহ থাকিলেও ২ দিনে কাগজে কলমে করে সমাপ্ত করে দেন। সরকারী এত বড় অফিসে শুধু একজন পিয়ন থাকে, কোন কর্মকর্তা থাকে না। অথচ বেতন ভাতা ভাউচার অন্যান্য করে টাকাগুলি উত্তোলন করে লইয়া যায়। মৎস্য সপ্তাহ উদযাপন কালে সরকারী নীতি মোতাবেক ৩০ হাজার টাকা মৎস্য পোনা অবমুক্ত করার কথা থাকিলেও মাত্র ১৮ শত টাকার পোনা দিয়ে বাদবাকি টাকাগুলি তারা দুই জনে ভাইচার অন্যান্য কাগজে কলমে করে টাকাগুলি তাদের পকেটস্থ করে। বিভিন্ন মৎস্যজীবি ও মৎস্য চাষীদের প্রশিক্ষণ করার কথা থাকিলেও তাদের আগের ছবিগুলি বিভিন্নভাবে তাদের কেন্দ্র অফিসে পাটিয়ে টাকাগুলি নিজেরাই পকেটস্থ করে। মহেশখালী মৎস্যজীবিদের প্রাণকেন্দ্র অথচ সরকারী অফিসে কোন কর্মকর্তা কোন কর্মচারী নাই। ১৫ দিন পরে দস্তখতগুলি দিয়াই তাড়াহুড়া করে চলে যায়। মহেশখালীর বিভিন্ন মৎস্যজীবি সংগঠন মৎস্যচাষী সংগঠন তাদের দাবী অনতিবিলম্বে সিনিয়র একজন মৎস্য কর্মকর্তা দেওয়ার জোর দাবী জানিয়েছেন। ভারপ্রাপ্ত মৎস্য কর্মকর্তা ও অফিস সহকারী তাদের বিভিন্ন কার্যক্রম প্রায় বন্ধ করে দিয়েছে। মহেশখালীর চারিদিকে বিভিন্ন নেট জাল, বিভিন্ন প্রকার জাল পোনা নির্ধন করে যাচ্ছে। অথচ এর কোন প্রতিক্রিয়া নাই। তাই অনতিবিলম্বে সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা সহ অন্যান্য অফিস সহকারী দেওয়ার জোর দাবী জানাচ্ছে মহেশখালীবাসী।

0 Comments