তাহেরা আক্তার মিলি
টেকনাফের ঐতিহ্যবাহী রঙ্গিখালী ফাজিল মাদ্রাসায় ফ্লোরে বসে পাঠে অংশ গ্রহণ করছে শিক্ষার্থীরা। দীর্ঘদিন ধরে ফ্লোরে বসে ক্লাশ করাতে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে অভিভাবকরা। এতে করে উপজেলার ঐতিহ্যময় এ প্রতিষ্টানটি দিন দিন তার হৃত গৌরব হারাতে যাচ্ছে বলে সচেতন মহল মনে করছে। জানাগেছে, রঙ্গিখালী মাদ্রাসার এবতেদায়ী শাখার শিক্ষার্থীরা ফ্লোরে বসে নিয়মিত অধ্যায়ন করছে। অভিভাবকরা এব্যাপারে একাধিকবার মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আর্কষণ করলেও কোন প্রকার পদক্ষেপ না হওয়ায় কোমলমতি ছাত্র-ছাত্রীর অভিভাবকরা হতাশ হয়ে পড়েছেন। অধুনা যুগেও প্রতিযোগীতামূলক শিক্ষা অর্জনে সুনামধন্য প্রতিষ্টানটির কোমলমতি শিক্ষার্থীরা বেঞ্চ বিহীন মাসের পর মাস লেখা-পড়া চালিয়ে যাচ্ছে তা শিক্ষিত সমাজকে হতচকিত করে তুলছে। মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটি, শিক্ষক, অভিভাবক সহ সকলে অবগত হয়েও ফ্লোরে পাঠদান অব্যাহত রাখায় এসব ছাত্র-ছাত্রীরা দিনের পর দিন আশাহত হয়ে পড়ছেন। শিশু শিক্ষার্থীরাই বেঞ্চ ছাড়া অধ্যায়নে সীমাহীন সমস্যার কথা এ প্রতিবেদককে জানান। তারা বলে “এবার হয়ত পত্রিকায় দু’কলম লিখলে আমাদের কমিটির সদস্যরা চেতন হবে” এতে করে টুল টেবিলের সুরাহা হয়তে পারে। সরেজমিনে পরিদর্শনে দেখা গেছে, এবতেদায়ী শাখার ১ম থেকে ৩য় শ্রেনী পর্যন্ত সম্পূর্ণ ফ্লোরে বসে আরবী সহ সব পুস্তকের শিক্ষা দেওয়া হচ্ছে। শিক্ষার্থীর কেবল পড়ায় নই ক্লাশের লিখার কাজেও সমস্যার অন্ত নেই। ক্ষুদে এ বাচ্ছারা যেখানে নিজেদের বিকশিত হওয়ার জন্য শিক্ষা ক্ষেত্রে উন্নত পদ্ধতির ছোঁয়াছ পাওয়ার কথা। সেখানে বিদ্যার্জন করতে গিয়ে এ মাদ্রাসার শিশু শিক্ষার্থীরা পিজিক্যালি বাধায় শিক্ষা আহরণে শিক্ষাবর্ষ শেষ করছে। তারা তাদের দু:খের এসব কথা কাকে বুঝাবে। যাদের কর্ণগোহরে গেলে পরে তাদের এ অন্তহীন সমস্যার সমাধান হবে। ১ম শ্রেনীর আবু ওবায়দা সিফাত বলেন, টুল-টেবিল ছাড়া পড়া-লেখায় ভাল লাগেনা। দ্বিতীয় শ্রেনীর হাবিবুর রহমান বলেন, বসার টুলতো নাই যদি বই রাখার মত টুল থাকত অনন্ত ভাল করে পড়তে পারতাম। তৃতীয় শ্রেনীর হোসন আহমদ বলেন, বসে এবং উপুড় হয়ে পড়তে লিখতে বেশী সমস্যা হচ্ছে। কবে আমাদের টুল টেবিলের সমস্যার সমাধান হবে। জেলার সুনামধন্য ও আধুনিক শিক্ষা নিকেতন নামধারী এ মাদ্রাসাটির বেহাল দশার হাল হবে কবে? আগামী নতুন বছরের শুরুতে দ্বীনি শিক্ষার প্রথম সিড়িঁ এ এবতেদায়ী সেকশনে বেঞ্চ সমস্যার সমাধান না হলে অভিভাবকরা আধুনিক শিক্ষা নিকেতন নামধারী মাদ্রাসা থেকে হয়ত মুখ ফিরিয়ে নেওয়ার আশংকা দেখা দিয়েছে। এ ব্যাপারে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আলহাজ্ব মাওলানা কামাল হোছাইন জানান, মাদ্রাসা গর্ভণিং বডির সভাপতি মাননীয় সাংসদ মহোদয়ের নিকট প্রতিষ্টানের বেঞ্চ সমস্যার সমাধানের লক্ষ্যে একটি আবেদন করা হয়েছে। শীঘ্রই এ সমস্যার সমাধান হয়ে যাবেন বলে তিনি আশা করেন। স্থানীয় সচেতন শিক্ষিত সমাজ জরুরী ভিত্তিতে জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্টান নির্বাচিত উক্ত মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের উন্নত পড়া-লেখার স্বার্থে বেঞ্চ সমস্যার সমাধানের জন্য মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি মাননীয় সাংসদ আলহাজ্ব আব্দুর রহমান বদির জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
টেকনাফের ঐতিহ্যবাহী রঙ্গিখালী ফাজিল মাদ্রাসায় ফ্লোরে বসে পাঠে অংশ গ্রহণ করছে শিক্ষার্থীরা। দীর্ঘদিন ধরে ফ্লোরে বসে ক্লাশ করাতে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে অভিভাবকরা। এতে করে উপজেলার ঐতিহ্যময় এ প্রতিষ্টানটি দিন দিন তার হৃত গৌরব হারাতে যাচ্ছে বলে সচেতন মহল মনে করছে। জানাগেছে, রঙ্গিখালী মাদ্রাসার এবতেদায়ী শাখার শিক্ষার্থীরা ফ্লোরে বসে নিয়মিত অধ্যায়ন করছে। অভিভাবকরা এব্যাপারে একাধিকবার মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আর্কষণ করলেও কোন প্রকার পদক্ষেপ না হওয়ায় কোমলমতি ছাত্র-ছাত্রীর অভিভাবকরা হতাশ হয়ে পড়েছেন। অধুনা যুগেও প্রতিযোগীতামূলক শিক্ষা অর্জনে সুনামধন্য প্রতিষ্টানটির কোমলমতি শিক্ষার্থীরা বেঞ্চ বিহীন মাসের পর মাস লেখা-পড়া চালিয়ে যাচ্ছে তা শিক্ষিত সমাজকে হতচকিত করে তুলছে। মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটি, শিক্ষক, অভিভাবক সহ সকলে অবগত হয়েও ফ্লোরে পাঠদান অব্যাহত রাখায় এসব ছাত্র-ছাত্রীরা দিনের পর দিন আশাহত হয়ে পড়ছেন। শিশু শিক্ষার্থীরাই বেঞ্চ ছাড়া অধ্যায়নে সীমাহীন সমস্যার কথা এ প্রতিবেদককে জানান। তারা বলে “এবার হয়ত পত্রিকায় দু’কলম লিখলে আমাদের কমিটির সদস্যরা চেতন হবে” এতে করে টুল টেবিলের সুরাহা হয়তে পারে। সরেজমিনে পরিদর্শনে দেখা গেছে, এবতেদায়ী শাখার ১ম থেকে ৩য় শ্রেনী পর্যন্ত সম্পূর্ণ ফ্লোরে বসে আরবী সহ সব পুস্তকের শিক্ষা দেওয়া হচ্ছে। শিক্ষার্থীর কেবল পড়ায় নই ক্লাশের লিখার কাজেও সমস্যার অন্ত নেই। ক্ষুদে এ বাচ্ছারা যেখানে নিজেদের বিকশিত হওয়ার জন্য শিক্ষা ক্ষেত্রে উন্নত পদ্ধতির ছোঁয়াছ পাওয়ার কথা। সেখানে বিদ্যার্জন করতে গিয়ে এ মাদ্রাসার শিশু শিক্ষার্থীরা পিজিক্যালি বাধায় শিক্ষা আহরণে শিক্ষাবর্ষ শেষ করছে। তারা তাদের দু:খের এসব কথা কাকে বুঝাবে। যাদের কর্ণগোহরে গেলে পরে তাদের এ অন্তহীন সমস্যার সমাধান হবে। ১ম শ্রেনীর আবু ওবায়দা সিফাত বলেন, টুল-টেবিল ছাড়া পড়া-লেখায় ভাল লাগেনা। দ্বিতীয় শ্রেনীর হাবিবুর রহমান বলেন, বসার টুলতো নাই যদি বই রাখার মত টুল থাকত অনন্ত ভাল করে পড়তে পারতাম। তৃতীয় শ্রেনীর হোসন আহমদ বলেন, বসে এবং উপুড় হয়ে পড়তে লিখতে বেশী সমস্যা হচ্ছে। কবে আমাদের টুল টেবিলের সমস্যার সমাধান হবে। জেলার সুনামধন্য ও আধুনিক শিক্ষা নিকেতন নামধারী এ মাদ্রাসাটির বেহাল দশার হাল হবে কবে? আগামী নতুন বছরের শুরুতে দ্বীনি শিক্ষার প্রথম সিড়িঁ এ এবতেদায়ী সেকশনে বেঞ্চ সমস্যার সমাধান না হলে অভিভাবকরা আধুনিক শিক্ষা নিকেতন নামধারী মাদ্রাসা থেকে হয়ত মুখ ফিরিয়ে নেওয়ার আশংকা দেখা দিয়েছে। এ ব্যাপারে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আলহাজ্ব মাওলানা কামাল হোছাইন জানান, মাদ্রাসা গর্ভণিং বডির সভাপতি মাননীয় সাংসদ মহোদয়ের নিকট প্রতিষ্টানের বেঞ্চ সমস্যার সমাধানের লক্ষ্যে একটি আবেদন করা হয়েছে। শীঘ্রই এ সমস্যার সমাধান হয়ে যাবেন বলে তিনি আশা করেন। স্থানীয় সচেতন শিক্ষিত সমাজ জরুরী ভিত্তিতে জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্টান নির্বাচিত উক্ত মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের উন্নত পড়া-লেখার স্বার্থে বেঞ্চ সমস্যার সমাধানের জন্য মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি মাননীয় সাংসদ আলহাজ্ব আব্দুর রহমান বদির জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

0 Comments