ডেস্ক রিপোর্টশুধু কারাগারে ঈদ কাটিয়েই শেষ নয়, সাংবাদিক পেটানোর ঘটনায় আলোচিত সংসদ সদস্য গোলাম মাওলা রনির জন্য সামনে ‘শনির দশা’ অপেক্ষা করছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। দুদক আইনে কারাবন্দি কোনো আসামির সম্পদ বিবরণী চেয়ে নোটিশ পাঠানোর নিয়ম না থাকলেও রনির বেলায় তা হচ্ছে উল্টো। সালমান এফ রহমানের বিরুদ্ধে করা পাল্টা মামলায়ও হারতে বসেছেন তিনি। এভাবে একের পর এক বিভিন্ন ঝামেলার কারণে শনি ছাড়ছে না রনিকে। যত দিন গড়াচ্ছে তত রনির বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতির তথ্য উপাত্ত উঠে আসছে।
রনির স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের বিবরণী চেয়ে নোটিশ পাঠাতে ইতিমধ্যেই দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) কাছে সুপারিশ করেছেন দুদকের সহকারী পরিচালক তালেবুর রহমান। তার অবৈধ সম্পদের ওপর একটি গোপন প্রতিবেদনও কমিশনে জমা দিয়েছেন ওই কর্মকর্তা।
গত ২০ জুলাই শনিবার দুপুরে ইন্ডিপেনডেন্ট টেলিভিশনের অপরাধবিষয়ক অনুসন্ধানী অনুষ্ঠান ‘তালাশ’-এর সংবাদ সংগ্রহের কাজে ক্যামেরাম্যান বকুলকে সঙ্গে নিয়ে ইমতিয়াজ মমিন রাজধানীর মেহেরবা প্লাজায় গোলাম মাওলা রনির অফিসে যান। রনি তাদের আটক করে বেধড়ক মারপিট করেন। এ ঘটনায় ওই দিনই ইন্ডিপেনডেন্ট টেলিভিশনের সহকারী ব্যবস্থাপক ইউনুস আলী শাহবাগ থানায় রনির বিরুদ্ধে মামলা করেন। পরদিন আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন পান রনি। কিন্তু পরে বাদীর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ২৪ জুলাই তার জামিন বাতিল করেন। ২৫ জুলাই তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। তাকে এখন কাশিমপুরে (ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার, পার্ট-২) রাখা হয়েছে।
ইন্ডিপেন্ডেন্টের মামলার পর রনিও পাল্টা মামলা করেন সালমান এফ রহমানের বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার ওই মামলায় চূড়ান্ত প্রতিবেদন দিয়েছে পুলিশ। সালমানের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি মর্মে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহবাগ থানার এসআই আবু জাফর এ প্রতিবেদন দাখিল করেন সি এম এম আদালতে।
এদিকে দুদকে মঙ্গলবারের প্রতিবেদনে এমপি রনির বিরুদ্ধে সরকারি কাজে বাধা দান, মোটা অংকের ঘুষ কেলেঙ্কারি, চাঁদাবাজি, ট্যাক্স ও আয়কর ফাঁকি, সরকারি ভূমি জবর দখলসহ বিভিন্ন অভিযোগের বিষয়টি ইঙ্গিত রয়েছে।
খোদ আওয়ামী লীগেও তাকে নিয়ে অস্বস্তি বিরাজ করছে। গত শনিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে সাংবাদিকদের সঙ্গে ইফতারে অংশ নিয়ে দলের সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, “সাংবাদিকদের মারধরের কারণে আমাদের সংসদ সদস্যকেও গ্রেফতার করা হয়েছে। আমরা কাউকে ছাড় দিইনি।”
দলীয় সূত্র জানায়, প্রধানমন্ত্রীসহ সিনিয়র মন্ত্রীরা বিভিন্ন সময়ে ‘বেফাঁস’ মন্তব্যের কারণে আগে থেকেই রনির ওপর ক্ষীপ্ত ছিলেন। কোনো ইস্যু না পাওয়ায় রনিকে ‘শায়েস্তা’ করতে পারছিলেন না। ‘সাংবাদিক পেটানো ইস্যু’ কাজে লাগিয়ে রনিকে ‘শায়েস্তা’ করছে আওয়ামী লীগ। আগামী নির্বাচনে তাকে দল মনোনয়ন দেবেন না বলে মোটামুটি চূড়ান্ত।
এদিক, রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ডজন খানেক নতুন মামলাও রনির নামে যোগ হওয়ার আভাস পাওয়া যাচ্ছে। সবমিলিয়ে রনির সামনে শনি!
জেল হতে পারে ২ বছর
বক্সিমকো গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সালমান এফ রহমানের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করায় সরকার দলীয় সংসদ সদস্য গোলাম মাওলা রনির দুই বছরের কারাদণ্ড হতে পারে। সালমান এফ রহমানের বিরুদ্ধে এমপি রনির দায়ের চাঁদাবাজির মামলার সত্যতা না পাওয়ায় দণ্ডবিধির ২১১ ধারায় ব্যবস্থা নেয়ার সুপারিশ করেছে পুলিশ। আদালত বিষয়টি শুনানির জন্য ২১ আগস্ট দিন ঠিক করেন। আদালত পুলিশের সুপারিশ আমলে নিলে সাংসদ রনির দুইবছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে।
মঙ্গলবার শাহবাগ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আবু জাফর মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদনে এ সুপারিশ করেন।
সাংবাদিক পেটানোর অভিযোগে গত ২০ আগস্ট রনির বিরুদ্ধে মামলা করে ইন্ডিপেনডেন্ট টেলিভিশন কর্তৃপক্ষ। এর জবাবে এমপি রনি সালমান এফ রহমানসহ তিন জনের বিরুদ্ধে পাল্টা চাঁদাবাজির মামলা করেন।
রনির বিরুদ্ধে করা সাংবাদিক পেটানোর মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন এবং মামলাটিতে তিনি বর্তমানে কারাগারেও আছেন।
সাংবাদিক পেটানোর মামলায় গত ২১ জুলাই ঢাকার সিএমএম আদালতে আত্মসমর্পণ করে রনি জামিন পান। কিন্তু পরবর্তী সময়ে বাদীর জামিন বাতিলের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ম্যাজিস্ট্রেট আদালত গত ২৪ জুলাই তার জামিন বাতিল করলে ওইদিনই তিনি গ্রেপ্তার হন। গত ২৫ জুলাই তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।
উল্লেখ্য, গত ২০ জুলাই ইন্ডিপেনডেন্ট টেলিভিশনের অপরাধ বিষয়ক অনুসন্ধানী অনুষ্ঠান ‘তালাশ’ এর জন্য সংবাদ সংগ্রহের কাজে ক্যামেরাম্যান বকুলকে সঙ্গে নিয়ে ইমতিয়াজ মমিন রাজধানীর তোপখানার মেহেরবা প্লাজায় সাংসদ রনির অফিসে যান। পরে সাংসদ রনি ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে সাংবাদিক পেটানোর অভিযোগ ওঠে।
রনির স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের বিবরণী চেয়ে নোটিশ পাঠাতে ইতিমধ্যেই দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) কাছে সুপারিশ করেছেন দুদকের সহকারী পরিচালক তালেবুর রহমান। তার অবৈধ সম্পদের ওপর একটি গোপন প্রতিবেদনও কমিশনে জমা দিয়েছেন ওই কর্মকর্তা।
গত ২০ জুলাই শনিবার দুপুরে ইন্ডিপেনডেন্ট টেলিভিশনের অপরাধবিষয়ক অনুসন্ধানী অনুষ্ঠান ‘তালাশ’-এর সংবাদ সংগ্রহের কাজে ক্যামেরাম্যান বকুলকে সঙ্গে নিয়ে ইমতিয়াজ মমিন রাজধানীর মেহেরবা প্লাজায় গোলাম মাওলা রনির অফিসে যান। রনি তাদের আটক করে বেধড়ক মারপিট করেন। এ ঘটনায় ওই দিনই ইন্ডিপেনডেন্ট টেলিভিশনের সহকারী ব্যবস্থাপক ইউনুস আলী শাহবাগ থানায় রনির বিরুদ্ধে মামলা করেন। পরদিন আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন পান রনি। কিন্তু পরে বাদীর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ২৪ জুলাই তার জামিন বাতিল করেন। ২৫ জুলাই তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। তাকে এখন কাশিমপুরে (ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার, পার্ট-২) রাখা হয়েছে।
ইন্ডিপেন্ডেন্টের মামলার পর রনিও পাল্টা মামলা করেন সালমান এফ রহমানের বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার ওই মামলায় চূড়ান্ত প্রতিবেদন দিয়েছে পুলিশ। সালমানের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি মর্মে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহবাগ থানার এসআই আবু জাফর এ প্রতিবেদন দাখিল করেন সি এম এম আদালতে।
এদিকে দুদকে মঙ্গলবারের প্রতিবেদনে এমপি রনির বিরুদ্ধে সরকারি কাজে বাধা দান, মোটা অংকের ঘুষ কেলেঙ্কারি, চাঁদাবাজি, ট্যাক্স ও আয়কর ফাঁকি, সরকারি ভূমি জবর দখলসহ বিভিন্ন অভিযোগের বিষয়টি ইঙ্গিত রয়েছে।
খোদ আওয়ামী লীগেও তাকে নিয়ে অস্বস্তি বিরাজ করছে। গত শনিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে সাংবাদিকদের সঙ্গে ইফতারে অংশ নিয়ে দলের সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, “সাংবাদিকদের মারধরের কারণে আমাদের সংসদ সদস্যকেও গ্রেফতার করা হয়েছে। আমরা কাউকে ছাড় দিইনি।”
দলীয় সূত্র জানায়, প্রধানমন্ত্রীসহ সিনিয়র মন্ত্রীরা বিভিন্ন সময়ে ‘বেফাঁস’ মন্তব্যের কারণে আগে থেকেই রনির ওপর ক্ষীপ্ত ছিলেন। কোনো ইস্যু না পাওয়ায় রনিকে ‘শায়েস্তা’ করতে পারছিলেন না। ‘সাংবাদিক পেটানো ইস্যু’ কাজে লাগিয়ে রনিকে ‘শায়েস্তা’ করছে আওয়ামী লীগ। আগামী নির্বাচনে তাকে দল মনোনয়ন দেবেন না বলে মোটামুটি চূড়ান্ত।
এদিক, রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ডজন খানেক নতুন মামলাও রনির নামে যোগ হওয়ার আভাস পাওয়া যাচ্ছে। সবমিলিয়ে রনির সামনে শনি!
জেল হতে পারে ২ বছর
বক্সিমকো গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সালমান এফ রহমানের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করায় সরকার দলীয় সংসদ সদস্য গোলাম মাওলা রনির দুই বছরের কারাদণ্ড হতে পারে। সালমান এফ রহমানের বিরুদ্ধে এমপি রনির দায়ের চাঁদাবাজির মামলার সত্যতা না পাওয়ায় দণ্ডবিধির ২১১ ধারায় ব্যবস্থা নেয়ার সুপারিশ করেছে পুলিশ। আদালত বিষয়টি শুনানির জন্য ২১ আগস্ট দিন ঠিক করেন। আদালত পুলিশের সুপারিশ আমলে নিলে সাংসদ রনির দুইবছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে।
মঙ্গলবার শাহবাগ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আবু জাফর মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদনে এ সুপারিশ করেন।
সাংবাদিক পেটানোর অভিযোগে গত ২০ আগস্ট রনির বিরুদ্ধে মামলা করে ইন্ডিপেনডেন্ট টেলিভিশন কর্তৃপক্ষ। এর জবাবে এমপি রনি সালমান এফ রহমানসহ তিন জনের বিরুদ্ধে পাল্টা চাঁদাবাজির মামলা করেন।
রনির বিরুদ্ধে করা সাংবাদিক পেটানোর মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন এবং মামলাটিতে তিনি বর্তমানে কারাগারেও আছেন।
সাংবাদিক পেটানোর মামলায় গত ২১ জুলাই ঢাকার সিএমএম আদালতে আত্মসমর্পণ করে রনি জামিন পান। কিন্তু পরবর্তী সময়ে বাদীর জামিন বাতিলের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ম্যাজিস্ট্রেট আদালত গত ২৪ জুলাই তার জামিন বাতিল করলে ওইদিনই তিনি গ্রেপ্তার হন। গত ২৫ জুলাই তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।
উল্লেখ্য, গত ২০ জুলাই ইন্ডিপেনডেন্ট টেলিভিশনের অপরাধ বিষয়ক অনুসন্ধানী অনুষ্ঠান ‘তালাশ’ এর জন্য সংবাদ সংগ্রহের কাজে ক্যামেরাম্যান বকুলকে সঙ্গে নিয়ে ইমতিয়াজ মমিন রাজধানীর তোপখানার মেহেরবা প্লাজায় সাংসদ রনির অফিসে যান। পরে সাংসদ রনি ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে সাংবাদিক পেটানোর অভিযোগ ওঠে।

0 Comments