সিরাজুল ইসলাম, ঈদগাঁও
কক্সবাজার সদর উপজেলার উপকুলীয় চৌফলদন্ডী ইউনিয়নের তথ্য সেবা কেন্দ্র রমরমা দূর্নীতিতে পরিণত হওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।
প্রাপ্ত অভিযোগের ভিত্তিতে জানা যায়, অত্র ইউনিয়নের তথ্য সেবা কেন্দ্রের পরিচালক রবিউল আলম জনগণকে থেকে বিভিন্ন ইস্যুতে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। জাতীয় সনদ পত্র সচিবের হাতে থাকার নিয়ম থাকলেও ১২ জুলাই বিকাল ২ টার সময় সরেজমিনে কম্পিউটার বক্সের নিচে জাতীয় সনদ পত্রের মুন্ডা দেখা যায়। অত্র পরিচালক তার নিয়ন্ত্রণে সনদের মোন্ডা রেখে দিয়ে সনদপত্র নিতে আসা ইউনিয়নের প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের কাছ থেকে প্রতি সনদে ১০ হাজার টাকা করে হাতিয়ে নিচ্ছে। উল্লেখ্য, সৌদি আরবে সম্প্রতি একামার পুনঃ মেয়াদ বাড়ানোর সুযোগ করে দেয়ায় প্রবাসীরা আত্মীয় স্বজনের মাধ্যমে জাতীয় সনদ পত্র পাঠাতে বললে এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে লাখ টাকা হাতিয়ে নিতে কোমর বেধে নেমেছে অত্র পরিচালক। ভোক্তভোগী সিকদারপাড়ার বজল করিম জানান, তার সৌদি প্রবাসী ভাতিজী জয়নব তার ছেলে শামশুল আলম, হোছাইন ও হাছান ৪ জনের জন্য জাতীয় সনদ পত্র চাইলে প্রথমে ৪৫০ টাকা নেয়। পরে জাতীয় সনদ পত্রের ডাটা ভুল হলে পুনরায় করতে গেলে আবারো অত্র পরিমাণ অর্থ নেয়া হয়। পরে উক্ত সনদ পত্র ই-মেইলের মাধ্যমে পাঠাতে চাইলে ১৫০ টাকা খরচও নেয়া হয়। এতেও ক্রুটি থাকায় আবার জাতীয় সনদ পত্র চাইতে গেলে ১০ হাজার টাকা দাবী করা হয়। ১০ হাজার টাকা না দেয়ায় দু’মাস অতিবাহিত হলেও এখনো পর্যন্ত মৌলানা বজলুল করিমকে জাতীয় সনদ পত্র দেয়া হয়নি। এতে প্রবাসী ভাতিজী ভিসা বানাতে না পারায় চরম দূর্ভোগের শিকার হচ্ছে বলে জানায় এ প্রতিবেদককে। এছাড়া বিভিন্ন না বালিকা মেয়েদের জন্ম নিবন্ধনে মোটা টাকার বিনিময়ে বয়স বাড়িয়ে বাল্য বিবাহ দেয়ার ক্ষেত্রে সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষিকা জানান, তথ্য সেবা জন্ম নিবন্ধন কার্ডের বেলায়ও বিপুল অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে। এ বিষয়ে অভিযুক্ত রবিউল আলমের সাথে কথা বললে তিনি বলেন ১০ হাজার টাকা নেব, ৫০০ টাকার প্রতিবাদ দেব।
কক্সবাজার সদর উপজেলার উপকুলীয় চৌফলদন্ডী ইউনিয়নের তথ্য সেবা কেন্দ্র রমরমা দূর্নীতিতে পরিণত হওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।
প্রাপ্ত অভিযোগের ভিত্তিতে জানা যায়, অত্র ইউনিয়নের তথ্য সেবা কেন্দ্রের পরিচালক রবিউল আলম জনগণকে থেকে বিভিন্ন ইস্যুতে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। জাতীয় সনদ পত্র সচিবের হাতে থাকার নিয়ম থাকলেও ১২ জুলাই বিকাল ২ টার সময় সরেজমিনে কম্পিউটার বক্সের নিচে জাতীয় সনদ পত্রের মুন্ডা দেখা যায়। অত্র পরিচালক তার নিয়ন্ত্রণে সনদের মোন্ডা রেখে দিয়ে সনদপত্র নিতে আসা ইউনিয়নের প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের কাছ থেকে প্রতি সনদে ১০ হাজার টাকা করে হাতিয়ে নিচ্ছে। উল্লেখ্য, সৌদি আরবে সম্প্রতি একামার পুনঃ মেয়াদ বাড়ানোর সুযোগ করে দেয়ায় প্রবাসীরা আত্মীয় স্বজনের মাধ্যমে জাতীয় সনদ পত্র পাঠাতে বললে এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে লাখ টাকা হাতিয়ে নিতে কোমর বেধে নেমেছে অত্র পরিচালক। ভোক্তভোগী সিকদারপাড়ার বজল করিম জানান, তার সৌদি প্রবাসী ভাতিজী জয়নব তার ছেলে শামশুল আলম, হোছাইন ও হাছান ৪ জনের জন্য জাতীয় সনদ পত্র চাইলে প্রথমে ৪৫০ টাকা নেয়। পরে জাতীয় সনদ পত্রের ডাটা ভুল হলে পুনরায় করতে গেলে আবারো অত্র পরিমাণ অর্থ নেয়া হয়। পরে উক্ত সনদ পত্র ই-মেইলের মাধ্যমে পাঠাতে চাইলে ১৫০ টাকা খরচও নেয়া হয়। এতেও ক্রুটি থাকায় আবার জাতীয় সনদ পত্র চাইতে গেলে ১০ হাজার টাকা দাবী করা হয়। ১০ হাজার টাকা না দেয়ায় দু’মাস অতিবাহিত হলেও এখনো পর্যন্ত মৌলানা বজলুল করিমকে জাতীয় সনদ পত্র দেয়া হয়নি। এতে প্রবাসী ভাতিজী ভিসা বানাতে না পারায় চরম দূর্ভোগের শিকার হচ্ছে বলে জানায় এ প্রতিবেদককে। এছাড়া বিভিন্ন না বালিকা মেয়েদের জন্ম নিবন্ধনে মোটা টাকার বিনিময়ে বয়স বাড়িয়ে বাল্য বিবাহ দেয়ার ক্ষেত্রে সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষিকা জানান, তথ্য সেবা জন্ম নিবন্ধন কার্ডের বেলায়ও বিপুল অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে। এ বিষয়ে অভিযুক্ত রবিউল আলমের সাথে কথা বললে তিনি বলেন ১০ হাজার টাকা নেব, ৫০০ টাকার প্রতিবাদ দেব।

0 Comments