মাসউদ শাফি
পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত, অনাবিল সু-উচ্চ গীরি ও সবুজময় প্রাকৃতিক মনোরমতায় ভরপূর পর্যটন রাজধানীখ্যাত কক্সবাজার কেবল বাংলাদেশ নয়- বিশ্বের কাছেও সমধিক সুপরিচিত। এখানকার নান্দনিক সৈকত, নৈসর্গিক প্রকৃতি, দন্ডায়মান উঁচু-উচুঁ পাহাড়, তীর্থভূমি আদীনাথ, একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিন, কানা রাজার সুড়ঙ্গ, কুদুমগুহা, হিমছড়ি, দরিয়া নগর, ইনানী বীচ, সাপারী পার্ক, সর্ববৃহৎ সিংহশয্যা, রামু রামকোট, সোনাদিয়া দ্বীপ, নাজিরার টেক শুটকি পল্লী, মাথিনের কূপ, কুতুবদিয়া বাতিঘর সহ অসংখ্যা দর্শনীয় স্থানে সমৃদ্ধ এ পর্যটন ও দর্শনীয় জনপদ দেশ ও বিশ্বদরবারে সুনাম ও বিপুল অর্থ বয়ে এনেছে। দেশের পর্যটন খাতের মধ্যে সিংহভাগ অর্থ এই অঞ্চল থেকে অর্জিত হয়। এসব অপূর্ব দর্শনীয় স্থানসমূহ উপভোগের জন্যে দেশ-বিদেশের অসংখ্য পর্যটক এখানে আসেন। ভ্রমণপিয়াসী পর্যটকবৃন্দ এসব স্থান ঘুরে ক্লান্ত হয়ে ফিরে যায় বদ্ধ হোটেল কক্ষে। চারদেয়ালের ভেতর থাকতে থাকতে এক পর্যায়ে অস্বস্থি লাগে। মনটা ফুরফুরে আন্দোলিত করতে ও একটু স্বস্থির নিশ্বাস ফেলতে ফুলে-ফলে ভরা একটি সবুজময় পার্কের প্রয়োজন বোধ করেন। যাতে একটু বিনোদন, আড্ডা, গান ও কথামালায় মজে উঠতে পারে। বিশেষ করে টিনেজার তরুণ-তরুণীরা এ শোভাবর্ধন পার্কের ডিমান্ড করে বেশি। তাছাড়া জেলার স্কুল-কলেজ পড়–য়া শিক্ষার্থী, যুবক, আবাল-বৃদ্ধবনিতাও এ শোভা বর্ধন পার্কের প্রয়োজন অনুভব করে।
পর্যটকদের আগমনে প্রতিবছর পর্যটন খাতের মাধ্যমে সরকারের প্রচুর অর্থ আয় হয়। পাশাপাশি কক্সবাজারের লোকজনের আর্থিক উন্নতি হয়। একই সাথে আন্তর্জাতিক মানের বিমান বন্দর ও ক্রিকেট স্টেডিয়ামও এখানে অতিশীঘ্রই হওয়ার পথে। তবে অতীব দুঃখের সাথে উল্লেখ করতে হয় এখানে বিনোদনের অংশ হিসেবে কোন শিশু পার্ক, মিউজিয়াম কিংবা শোভাবর্ধন পার্ক নেই। অনেক আগেও শিশুপার্ক নিয়ে লেখালেখি করেছি এবং জেলা প্রশাসকের নিকট প্রস্তাবনা এসেছে বিভিন্ন মাধ্যম থেকে। তবুও হয়নি। যে কথা না বললে নয়, এখানকার শিশু-বিশোর, আবাল বৃদ্ধ-বণিতা, ছাত্র-শিক্ষক, সাংস্কৃতিকর্মী, গণমানুষ ও আগত দেশি-বিদেশী পর্যটকদের বিনোদনের জন্যে তথা ক্লান্তি ঘোচাতে, অবসর সময় কাটাতে, একঘেঁেয়মি কাটিয়ে একটু স্বস্থির নিঃশ্বাস ফেলতে একটি নীরব-নিস্তব্দ, নিরিবিলি, নিভৃত শোভাবর্ধনকারী পার্ক(ফুলে-ফলে ভরা) খুবই জরুরী বলে মনে করি। যেখানে পর্যটক ও এখানকার লোকজন আপনমনে আড্ডা, গান, কথামালায় অবসর সময় কাটিয়ে বিনোদন গ্রহণ করতে পারবে। পার্কটি হতে পারে সাগর পাড় কেন্দ্রিক পড়ে থাকা খালি জায়গায় অথবা ঝাউ বাগানের ফাঁকের খালি জায়গায়। এতে করে একস্থানে দু’টু কাজ হয় এবং সৌন্দর্য বর্ধনের একটি অপার অংশের সৃজন হয়।
পরিশেষে, কক্সবাজারবাসী ও পর্যটকদের প্রাণের দাবী একটি শোভাবর্ধন পার্ক(ফুলে-ফলে সবুজময় ) পূরণে মাননীয় পর্যটন মন্ত্রি ও জেলা প্রশাসকের সুদৃষ্টি কামনা করছি।
লেখক : মাসউদ শাফি
কবি-সংস্কৃতি কর্মী, কক্সবাজার।
পর্যটকদের আগমনে প্রতিবছর পর্যটন খাতের মাধ্যমে সরকারের প্রচুর অর্থ আয় হয়। পাশাপাশি কক্সবাজারের লোকজনের আর্থিক উন্নতি হয়। একই সাথে আন্তর্জাতিক মানের বিমান বন্দর ও ক্রিকেট স্টেডিয়ামও এখানে অতিশীঘ্রই হওয়ার পথে। তবে অতীব দুঃখের সাথে উল্লেখ করতে হয় এখানে বিনোদনের অংশ হিসেবে কোন শিশু পার্ক, মিউজিয়াম কিংবা শোভাবর্ধন পার্ক নেই। অনেক আগেও শিশুপার্ক নিয়ে লেখালেখি করেছি এবং জেলা প্রশাসকের নিকট প্রস্তাবনা এসেছে বিভিন্ন মাধ্যম থেকে। তবুও হয়নি। যে কথা না বললে নয়, এখানকার শিশু-বিশোর, আবাল বৃদ্ধ-বণিতা, ছাত্র-শিক্ষক, সাংস্কৃতিকর্মী, গণমানুষ ও আগত দেশি-বিদেশী পর্যটকদের বিনোদনের জন্যে তথা ক্লান্তি ঘোচাতে, অবসর সময় কাটাতে, একঘেঁেয়মি কাটিয়ে একটু স্বস্থির নিঃশ্বাস ফেলতে একটি নীরব-নিস্তব্দ, নিরিবিলি, নিভৃত শোভাবর্ধনকারী পার্ক(ফুলে-ফলে ভরা) খুবই জরুরী বলে মনে করি। যেখানে পর্যটক ও এখানকার লোকজন আপনমনে আড্ডা, গান, কথামালায় অবসর সময় কাটিয়ে বিনোদন গ্রহণ করতে পারবে। পার্কটি হতে পারে সাগর পাড় কেন্দ্রিক পড়ে থাকা খালি জায়গায় অথবা ঝাউ বাগানের ফাঁকের খালি জায়গায়। এতে করে একস্থানে দু’টু কাজ হয় এবং সৌন্দর্য বর্ধনের একটি অপার অংশের সৃজন হয়।
পরিশেষে, কক্সবাজারবাসী ও পর্যটকদের প্রাণের দাবী একটি শোভাবর্ধন পার্ক(ফুলে-ফলে সবুজময় ) পূরণে মাননীয় পর্যটন মন্ত্রি ও জেলা প্রশাসকের সুদৃষ্টি কামনা করছি।
লেখক : মাসউদ শাফি
কবি-সংস্কৃতি কর্মী, কক্সবাজার।

0 Comments