প্রেস বিজ্ঞপ্তি, মহেশখালী
২০১১ সালের জুলাই মাস থেকে ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন, বাংলাদেশ সরকার ও কোস্ট ট্রাস্টের যৌথ উদ্দ্যোগে মহেশখালী উপজেলায় ৪৭টি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ও গত এপ্রিল’১৩ থেকে ২০টি ঘোষিত
সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পুষ্টিকর বিস্কুট বিতরণের কাজ চলছে। গত বছরের মত অত্র উপজেলায় সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর এস.এম.সি ও পি.টি.এ সদস্যদের নিয়ে ইউনিয়ন ভিত্তিক একদিনের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত হয়। মহেশখালী উপজেলায় স্কুল ফিডিং প্রকল্পের অংশ হিসেবে সাতটি বিষয়ের উপর আলোচনা করা হয়। বিষয়গুলো হলোঃ শিক্ষা, স্বাস্থ্য, ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য, পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা, স্যানিটেশন, জেন্ডার বৈষম্য দূর করণ ও দূর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস প্রশোমন।
এ সব বিষয়ের উপর বিভিন্ন স্কুলের প্রধান শিক্ষক, এস.এম.সি ও পি.টি.এ সদস্য এবং সভাপতিগণ গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন। এ মাসে ৭টি ইউনিয়নের মোট ৬টি ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত হয়। ইউনিয়নগুলো হলো- কুতুবজোম, শাপলাপুর, পৌরসভা ও ছোট মহেশখালী, মাতারবাড়ী, বড় মহেশখালী এবং কালামারছড়া। এতে বিদ্যালয়ের এস.এম.সি সদস্যবৃন্দ তাদের সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বলেন-শিক্ষা ক্ষেত্রে ফিডিং প্রোগ্রাম বিপুল পরিবর্তন আসতে সক্ষম হয়েছে। কিন্তু আমরা যারা টিচিং দিচ্ছি আমাদের সমস্যা বেড়ে গেছে। কারণ- বিদ্যালয়গুলোতে এতো শিক্ষার্থী বেড়েছে যে, বেঞ্চ এবং ভবনের সংকুলান হচ্ছে না। শত ভাগ ভর্তি ও উপস্থিতি নিশ্চিত হয়েছে। শত ভাগ না হলেও অনেকাংশে শিক্ষার মান বেড়েছে। এস.এম.সি সভাপতি তার বক্তব্যে বলেন- ফিডিং প্রোগ্রামের বিভিন্ন মিটিং ও সচেতনতামূলক কর্মশালার ফলে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মাঝে পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা ও স্যানিটেশনের প্রতি সচেতনতা বৃদ্ধি পেয়েছে। ছোট ছোট শিক্ষার্থীরা এখন আর খালি পায়ে টয়লেটে যায় না, হাত না ধুয়ে খাবার গ্রহণ করেনা, পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন হয়ে স্কুৃলে গমন করে। ওরিয়েন্টেশন পরিচালনা করেন- কর্মসূচী সংগঠকগণ। ওরিন্টেশনে উপস্থিত ছিলেন প্রকল্প সমন্বয়কারী মোঃ ইউনুছ, উপজেলা ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ মাইনুদ্দীন, কর্মসূচী সংগঠক, বিভিন্ন স্কুলের এস.এম.সি ও পি.টি.এ সদস্যবৃন্দ। আগামী মাসেও ধলঘাট ও হোয়ানক ইউনিয়নে উক্ত ওেিয়ন্টশন অনুষ্ঠিত হবে।

0 Comments