Advertisement

মহেশখালীতে প্রবল ভারী বর্ষণে চিংড়ীঘের, ধানের বীজতলা, চলাচলের রাস্তা পানিতে তলিয়ে গেছে


নিজস্ব প্রতিনিধি
মহেশখালী উপজেলার ৮টি ইউনিয়নে ও ১টি পৌরসভাতে বিগত ২৬ জুন হতে ২৯ জুন পর্যন্ত প্রবল ভারী বর্ষণে ও জোয়ারের পানিতে একাকার হয়ে হাজার হাজার ধানের বীজতলা ও শত শত চিংড়ীঘের পানিতে
তলিয়ে গিয়া লন্ডভন্ড হয়ে লক্ষ লক্ষ টাকার পালিত চিংড়ী পোনা ভাসিয়া যায়। এদিকে স্থানীয় এলাকাবাসী ও জনপ্রতিনিধি সূত্রে জানা যায় কুতুবজোম ও বড় মহেশখালী ইউনিয়নে শত শত চিংড়ীঘের বেড়ী বাধের ভিতরে ও বাহিরে প্রবল বর্ষণে পালিত চিংড়ীপোনা ভাসিয়া যায়। শত শত ধানের বীজতলা পানিতে তলিয়ে যায়। স্থানীয় এলাকাবাসী ও জনপ্রতিনিধি সূত্রে জানা যায়, ধলঘাটা ও মাতারবাড়ী ইউনিয়নে প্রায় চিংড়ীঘের ভাঙ্গিয়া পালিত চিংড়ীপোনা ভাসিয়া যায় এবং শত শত একর ধানের বীজতলা পানিতে তলিয়ে যায়। স্থানীয় ও এলাকাবাসী ও জনপ্রতিনিধি সূত্রে জানা যায়, কালারমারছড়া ও হোয়ানক ইউনিয়নে বেড়ীবাধের বাহিরে ও ভিতরে শত শত চিংড়ী ঘেরের পালিত চিংড়ীপোনা ভাসিয়া যায় এবং শত শত একর ধানের বীজতলা পানিতে তলিয়ে যায়। স্থানীয় ও এলাকাবাসী জনপ্রতিনিধি সূত্রে জানা যায়, ছোট মহেশখালী ও শাপলাপুর ইউনিয়নে প্রবল ভারী বর্ষনে পাহাড়ী ঢলে সমস্ত ধানের বীজতলা লন্ডভন্ড হয়ে নষ্ট হয়ে যায়। এদিকে মহেশখালী পৌরসভার স্থানীয় এলাকাবাসী ও জনপ্রতিনিধি সূত্রে জানা যায় সমস্ত ধানের বীজ তলা প্রবল বর্ষণে পানিতে নষ্ট হয়ে যায়। মহেশখালীতে ১২ নং পাহাড়ে জগত বিখ্যাত মিষ্টি পানের পান বরজ আংশিকভাবে ক্ষতি সাধন হয়েছে প্রবল বর্ষণে। এই প্রবল বর্ষণে মহেশখালীতে কোটি কোটি টাকার চিংড়ীঘের, ধানের বীজ তলা এবং জগত বিখ্যাত পান বরজ নজির বিহীনভাবে ব্যাপকহারে ক্ষতি সাধিত হয়। মহেশখালীর সড়ক যোগাযোগ ব্যাহত হয়েছে। জন সাধাণের চলাচলে খুবই কষ্ট পোহাতে হচ্ছে। যথাযথ কর্তৃপক্ষ জরুরীভাবে দৃষ্টি নজর দেওয়া উচিৎ বলে মনে করেন মহেশখালীর সচেতন মহল। এই ক্ষতির বিবরণ ৫০০ কোটি টাকারও উর্ধ্বে।

Post a Comment

0 Comments