বিশেষ প্রতিবেদক॥ বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি আলী আহমদ বিগত ৭ দিন ধরে কক্সবাজার নেই। কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগের সর্বোচ্চ এই নীতি
নির্ধারক কোথায় আছেন দলীয় নেতাকর্মীদের কারো জানা নেই। সাংগঠনিক নিয়মে সভাপতি আলী আহমদ দলীয় নেতাকর্মীদের অবহিত না করেই ব্যক্তিগত কারণে কক্সবাজারের বাইরে রয়েছেন।
তৃণ মূলের নেতাকর্মীগণ আলী আহমদের ব্যক্তিগত মোবাইল ফোনে কল করে যোগাযোগ করতে পারছেন না তাদের সভাপতির সাথে। আর এই কারণে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আবু তাহের আজাদ সহ অসংখ্য নেতাকর্মী সভাপতি আলী আহমদের উপর চরম ক্ষুব্ধ ও বিরক্ত। সংগঠনের সভাপতি ব্যক্তিগত কোন কাজে ব্যস্ত থাকলে স্বাভাবিকভাবেই সাংগঠনিক নিয়মে সাময়িকভাবে সংগঠনের সিনিয়র সহ সভাপতি কে দায়িত্ব অর্পনের বিধান গঠনতন্ত্রে রয়েছে। কিন্তু বিগত ৩ বছর আলী আহমদ একাধিকবার কক্সবাজার থেকে উধাও হয়ে গেলেও কখনও সিনিয়র কোন সহ সভাপতিদের ভারপ্রাপ্তের দায়িত্ব দিয়ে যান নি। অথচ বর্তমান জেলা ছাত্রলীগের কমিটিতে ২৬ জনের বিশাল সহ সভাপতির বহর রয়েছে। যাদের কার্যত বিগত ১ বছরে ১টি দিনের জন্য সাংগঠনিক কোন দায়িত্ব অর্পন করেননি আলী আহমদ। আলী আহমদের ঘনিষ্ট সূত্রে জানা যায় আপন শ্যালিকার বিয়ে নিয়ে চট্টগ্রামে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন তিনি। উল্লেখ্য গত বছরে চট্টগ্রামের বাঁশখালীর এক মডেল কণ্যাকে বিয়ে করেন জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি এবং সেই থেকে স্ত্রী সহ চট্টগ্রামের অভিজাত এলাকায় খুলশীর হাউজিং সোসাইটিতে নিজস্ব ফ্ল্যাটে বসবাস শুরু করেন। যদিও তিনি বাংলাদেশ ছাত্রলীগের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী কোনভাবে বিয়ে করতে পারেন না তিনি। তিনি চট্টগ্রাম থাকলেও সকলকে কক্সবাজার আছেন বলেই প্রচার করতে ভালোবাসেন। সংগঠনের কোন মিছিল মিটিং থাকলেই তিনি কক্সবাজারে আসেন।
এ ব্যাপারে জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আবু তাহের আজাদকে এ প্রতিবেদক ফোন করে সভাপতি আলী আহমদের বর্তমান অবস্থানের ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি সভাপতি আলী আহমদ কোথায় আছেন সঠিক জানেন না। তিনি আরো বলেন, আলী আহমদের এ ধরণের প্রতিনিয়ত অনুপস্থিতের কারণে দলীয় সিদ্ধান্ত ও সাংগঠনিক কার্যক্রমে চালিয়ে নিতে চরম বাধাগ্রস্থ হচ্ছেন তিনি।

0 Comments