কফিল উদ্দিন আনু, উখিয়া (কক্সবাজার) থেকে
উখিয়া-টেকনাফের সীমান্তবর্তী মিয়ানমারের শতাধিক গ্রামের পরিবার ও নাসাকা বাহিনীর ক্যাম্পগুলো চলছে উখিয়া-টেকনাফ থেকে পাচার হয়ে যাওয়া
জ্বালানি তৈল, ডিজেল, পাম্প অয়েল, পেট্রোল, ঔষধ সহ নানা খাদ্য সামগ্রী দিয়ে। কক্সবাজার জেলার সীমান্তবর্তী উপজেলা উখিয়া-টেকনাফে ব্যাঙয়ের ছাতার মত গড়ে উঠা বৈধ-অবৈধ অসংখ্য তৈলের দোকান। এসব অবৈধ গড়ে উঠা তৈলের দোকানে কক্সবাজার জেলা ও চট্টগ্রাম হইতে অভিনব পন্থায় এসব তৈল নিয়ে এসে তাদের নিজস্ব গুদামে মজুদ করে রাখে। পরবর্তীতে সুযোগ বুঝে সীমান্তবর্তী চোরাচালানীদের মাধ্যমে মিয়ানমারে পাচার করে থাকে। আর চোরাচালানীদের সাথে নাসাকা বাহিনীর রয়েছে গোপন সংখ্যতা। এসব চোরাচালানী সিন্ডিকেট নাসাকা বাহিনীর প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সহযোগিতায় এবং দু’উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় গুটি কয়েক দুর্নীতিবাজ বিজিবি সদস্যদের ইন্ধনে এসব পাচারকাজ চালানো হচ্ছে বলে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উখিয়া-টেকনাফ উপজেলার সীমান্তবর্তী বিভিন্ন চোরাই পয়েন্ট দিয়ে প্রতিদিন রাতের আধাঁরে দেদারছে তৈল সহ পাচার হচ্ছে দেশীয় মূলবান সামগ্রী। ঢেকিবনিয়া এলাকার জনৈক চোরাকারবারী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, উখিয়া-টেকনাফ থেকে পাচার হয়ে যাওয়া ভোজ্য, জ্বালানি তৈল সহ অন্যান্য যেসব পন্য সামগ্রী তারা সীমান্তবর্তী চোরাকারবারীদের নিকট থেকে নিয়ে থাকি। কারণ মিয়ানমারের চেয়ে বাংলাদেশ থেকে পাচার হয়ে আসা পন্যের দাম কম। বিধায় চোরাই পথে তৈল সহ অন্যান্য পন্য সামগ্রী পাচারে সহজলভ্য হয়ে উঠেছে। যার কারনে এ দেশ থেকে মিয়ানমারে পাচার হচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকার বিভিন্ন পন্য সামগ্রী। স্থানীয়দের মতে, উখিয়া-টেকনাফের ওই বৈধ-অবৈধ ব্যবসায়ীদের তালিকা প্রনয়ন করে চাহিদা মোতাবেক জ্বালানি তৈল, ভোজ্য তৈল, পেট্রোল, ডিজেল, ঔষধ বিক্রয়ের জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে নজরদারী করা প্রয়োজন।

0 Comments