জাফর আলম, হ্নীলা
টেকনাফের হ্নীলা ও হোয়াইক্যংয়ে একটানা ভারী বর্ষণ, সাগর-নদীর অস্বাভাবিক জোয়ার ও পাহাড়ী ঢলে বিস্তীর্ণ উপকূলীয় এলাকা প¬াবিত হয়েছে। সড়কের উপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হওয়ায় দু’ঘন্টা যান
চলাচল ব্যাহত হয়। এছাড়া টানা বর্ষণে পাহাড় ধ্বসূ আশঙ্কায় উপজেলার সর্বত্রে মাইকিং করা হয়েছে।
সরেজমিন পরিদর্শন ও খোঁজ-খবর নিয়ে জানা গেছে, গত ২৮ জুন গভীররাত থেকে ২৯ জুন দুপুর পর্যন্ত একটানা ভারী বর্ষণ, ভোররাত থেকে সকাল ১১টা পর্যন্ত সাগর-নাফনদীতে পুর্ণিমা তিথি’র প্রভাবে অস্বাভাবিক জোয়ার ও ভারী বর্ষণে সৃষ্ট পাহাড়ী ঢলের কারণে টেকনাফের দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিম শাহপরীরদ্বীপ ও সাবরাং ইউনিয়নের সাগর উপকূলীয় এলাকা এবং দক্ষিণ থেকে বিস্তীর্ণ উত্তরীয় পৌর, সদর, হ্নীলা এবং হোয়াইক্যং ইউনিয়নের নাফ নদীর উপকূলীয় এলাকার ঘরবাড়ী, ফসল ও লবণমাঠ, চিংড়ীঘের প¬াবিত হয়ে পড়ে। এতে ওই এলাকার লোকজন পানিবন্ধি হয়ে পড়ে। এছাড়া ভোর থেকে দুপুর পর্যন্ত টেকনাফ-কক্সবাজার সড়কের হ্নীলা চৌধুরী পাড়া হতে রঙ্গিখালী পর্যন্ত ১ কিলোমিটার সড়কের উপর দিয়ে গড়পড়তা দেড় ফুট পরিমাণ জোয়ার ও ঢলের পানি প্রবাহিত হতে থাকলে দু’ঘন্টা যান চলাচল ব্যাহত হয়। দুপুরের দিকে সাগর-নদীতে ভাটা নামলে এবং একই সময় টানা বৃষ্টি থেমে গেলে পানি ধীরে ধীরে নামতে থাকায় পূণরায় সড়ক যোগাযোগ শুরু হয়। এদিকে ২০১০ সালের জুন মাসের মত টানা বর্ষণে সৃষ্ট পাহাড় ধ্বসের আশঙ্কায় পাহাড় ও পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসরত লোকজনদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যেতে উপজেলা প্রশাসন ও স্ব-স্ব ইউনিয়ন পরিষদ যৌথভাবে মাইকিং করে।

0 Comments