পেকুয়া প্রতিনিধি
পেকুয়া উপজেলা সদরের চৌমুহনী আল মদিনা হোটেসহ আরো কয়েকটি রেস্তারায় চলছে পঁচা-বাসি খাবার পরিবেশন এমনই অভিযোগ স্থানীয়দের। এসব খাবার খেয়ে স্থানীয়রা বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। জনস্বাস্থ্য হুমকির সম্মূখিন হয়ে পড়েছে। আর পঁচা-বাসি খাবার পরিবেশন করার পাশাপাশি এ হোটেলের মালিক গলাকাটা বানিজ্যে নেমেছেন।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, জনস্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে স্যানিটারী সার্টিফিকেট গ্রহণ না করে সরকার প্রবর্তিত হোটেল ব্যবসার নীতিমালা লংঘন করে পেকুয়া সদরের চৌমুহনীর কলেজ রোড়ের পশ্চিম পার্শে¦ সহজে স্থানীয়দের আকৃষ্ট করতে বাহারী রংয়ের একটি সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে প্রতারণা চালিয়ে যাচ্ছে ওই হোটেলের মালিক।
এ হোটেল থেকে নিয়মিত দুপুরের খাবার খান এমন একজন সরকারী কর্মচারী নাম প্রকাশ না করার শর্তে এ প্রতিনিধিকে ক্ষোভ প্রকাশ করে জানিয়েছেন, উপজেলা সদর চৌমুহুনীতে একটি ভাল মানের স্বাস্থ্যসম্মত খাবার হোটেল নেই। এই সুযোগকে পুঁজি করে আল মদিনা হোটেলের মালিক তার মত অসংখ্য মানুষকে জিম্মি খাবার শেষে গলাকাটা অর্থ আদায় করে থাকেন। আর ওই হোটেলের খাবারের মান অত্যান্ত নি¤œ মানের। পেকুয়া উপজেলা পরিষদে কর্মরত ওই সরকারী কর্মচারী আরো জানিয়েছেন, আল মদিনা হোটেলের তালা- বাসন, গ্লাস ও পানির মগ ময়লায় ভরপুর। হোটেলে বিশুদ্ধ পানি রাখা হয় দুটি অপরিষ্কার ড্রামে। হোটেলে ঢুকলেই উৎকট দুর্ঘন্ধে যে কারো নাক রুমাল দিয়ে চেপে ধরতে হয়। স্থানীয়রা আরো অভিযোগ করেছেন, স্থানীয় প্রশাসনের তদারকী না থাকায় এ হোটেলের অসাধু মালিক ভাত, তরকারী, মুরগির মাংস, গরুর মাংস দিয়ে খাবার বিক্রি করছে চড়া দামে। কেউ এর প্রতিবাদ করলে ওই হোটেলের মালিক ও হোটেলের কর্মচারীরা তাকে চরমভাবে নাজেহাল করে থাকেন। স্থানীয়রা অবিলম্বে হোটেলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পেকুয়ার নির্বাহী ম্যাজিষ্টেটের কাছে হস্থক্ষেপ কামনা করেছেন।
এসব অভিযোগের ব্যাপারে জানতে ওই হোটেল মালিকের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি।
তবে এ বিষয়ে পেকুয়ার নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মো: শওকত আলী দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি শিগগিরই অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার পরিবেশন কারী হোটেল-রেস্তারাগুলোর বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করবেন বলে জানিয়েছেন।
পেকুয়া উপজেলা সদরের চৌমুহনী আল মদিনা হোটেসহ আরো কয়েকটি রেস্তারায় চলছে পঁচা-বাসি খাবার পরিবেশন এমনই অভিযোগ স্থানীয়দের। এসব খাবার খেয়ে স্থানীয়রা বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। জনস্বাস্থ্য হুমকির সম্মূখিন হয়ে পড়েছে। আর পঁচা-বাসি খাবার পরিবেশন করার পাশাপাশি এ হোটেলের মালিক গলাকাটা বানিজ্যে নেমেছেন।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, জনস্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে স্যানিটারী সার্টিফিকেট গ্রহণ না করে সরকার প্রবর্তিত হোটেল ব্যবসার নীতিমালা লংঘন করে পেকুয়া সদরের চৌমুহনীর কলেজ রোড়ের পশ্চিম পার্শে¦ সহজে স্থানীয়দের আকৃষ্ট করতে বাহারী রংয়ের একটি সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে প্রতারণা চালিয়ে যাচ্ছে ওই হোটেলের মালিক।
এ হোটেল থেকে নিয়মিত দুপুরের খাবার খান এমন একজন সরকারী কর্মচারী নাম প্রকাশ না করার শর্তে এ প্রতিনিধিকে ক্ষোভ প্রকাশ করে জানিয়েছেন, উপজেলা সদর চৌমুহুনীতে একটি ভাল মানের স্বাস্থ্যসম্মত খাবার হোটেল নেই। এই সুযোগকে পুঁজি করে আল মদিনা হোটেলের মালিক তার মত অসংখ্য মানুষকে জিম্মি খাবার শেষে গলাকাটা অর্থ আদায় করে থাকেন। আর ওই হোটেলের খাবারের মান অত্যান্ত নি¤œ মানের। পেকুয়া উপজেলা পরিষদে কর্মরত ওই সরকারী কর্মচারী আরো জানিয়েছেন, আল মদিনা হোটেলের তালা- বাসন, গ্লাস ও পানির মগ ময়লায় ভরপুর। হোটেলে বিশুদ্ধ পানি রাখা হয় দুটি অপরিষ্কার ড্রামে। হোটেলে ঢুকলেই উৎকট দুর্ঘন্ধে যে কারো নাক রুমাল দিয়ে চেপে ধরতে হয়। স্থানীয়রা আরো অভিযোগ করেছেন, স্থানীয় প্রশাসনের তদারকী না থাকায় এ হোটেলের অসাধু মালিক ভাত, তরকারী, মুরগির মাংস, গরুর মাংস দিয়ে খাবার বিক্রি করছে চড়া দামে। কেউ এর প্রতিবাদ করলে ওই হোটেলের মালিক ও হোটেলের কর্মচারীরা তাকে চরমভাবে নাজেহাল করে থাকেন। স্থানীয়রা অবিলম্বে হোটেলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পেকুয়ার নির্বাহী ম্যাজিষ্টেটের কাছে হস্থক্ষেপ কামনা করেছেন।
এসব অভিযোগের ব্যাপারে জানতে ওই হোটেল মালিকের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি।
তবে এ বিষয়ে পেকুয়ার নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মো: শওকত আলী দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি শিগগিরই অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার পরিবেশন কারী হোটেল-রেস্তারাগুলোর বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করবেন বলে জানিয়েছেন।

0 Comments