কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার কালুব্রিজ এলাকায় শুক্রবার ভোরে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ একজন নিহত হয়েছেন। নিহত মো.
কাশেম (৩২) উপজেলার নোনাছড়ি কামাড়ছড়া এলাকার সৈয়দ আহামদের ছেলে।
র্যাব-৭ এর স্কোয়াড্রন লিডার নূরুজ্জামান দাবি করেন, ডাকাতির প্রস্তুতির খবর পেয়ে তার নেতৃত্বে র্যাবের একটি দল ভোর ৪টার দিকে কালুব্রিজ এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় ‘ডাকাতরা’ গুলি শুরু করলে র্যাবও পাল্টা গুলি চালায়। পরে ঘটনাস্থল থেকে কাশেমকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনাস্থল থেকে দু’টি দোনলা বন্দুক, দু’টি এক নলা বন্দুক, ১২টি কার্তুজ ও চারটি রাম দা উদ্ধার করা হয় বলে জানান তিনি।
হত্যা, ডাকাতি, অপহরণ, পুলিশের ওপর হামলাসহ তার বিরুদ্ধে ২৫টি মামলা রয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে। এর আগে ২০১১ সালেও কাশেমের সাথে র্যাবের বন্দুকযুদ্ধ হয় বলে জানান র্যাব-৭ এর স্টাফ অফিসার এএসপি মফিজুল ইসলাম। সে সময় কাশেম আহত হয়েছিলেন।
কাশেম (৩২) উপজেলার নোনাছড়ি কামাড়ছড়া এলাকার সৈয়দ আহামদের ছেলে।
র্যাব-৭ এর স্কোয়াড্রন লিডার নূরুজ্জামান দাবি করেন, ডাকাতির প্রস্তুতির খবর পেয়ে তার নেতৃত্বে র্যাবের একটি দল ভোর ৪টার দিকে কালুব্রিজ এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় ‘ডাকাতরা’ গুলি শুরু করলে র্যাবও পাল্টা গুলি চালায়। পরে ঘটনাস্থল থেকে কাশেমকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনাস্থল থেকে দু’টি দোনলা বন্দুক, দু’টি এক নলা বন্দুক, ১২টি কার্তুজ ও চারটি রাম দা উদ্ধার করা হয় বলে জানান তিনি।
হত্যা, ডাকাতি, অপহরণ, পুলিশের ওপর হামলাসহ তার বিরুদ্ধে ২৫টি মামলা রয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে। এর আগে ২০১১ সালেও কাশেমের সাথে র্যাবের বন্দুকযুদ্ধ হয় বলে জানান র্যাব-৭ এর স্টাফ অফিসার এএসপি মফিজুল ইসলাম। সে সময় কাশেম আহত হয়েছিলেন।

0 Comments