নিজস্ব প্রতিবেদক
ঈদগাঁও পল্লী বিদ্যুতের সাব-ষ্টেশনকে ৫ এম ভি এ থেকে ১০ এম ভি এ (মেগা ভোল্ট এমপিয়ার) উন্নীত হলেও কাংখিত সুফল পাচ্ছেন না গ্রাহকরা। বিদ্যুতের ভেলকি বাজীতে দিন দিন এলাকাবাসী অতিষ্ট হয়ে উঠেছে। ফুঁসে উঠেছে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান
সহ শিল্প প্রতিষ্ঠানের মালিকরা। অন্যদিকে দফায় দফায় বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি সহ একাধিক সমস্যা নিয়ে কুড়িয়ে কুড়িয়ে চলছে ঈদগাঁও পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি। যেন দেখার কেউ নেই। থাকলেও যেন ধরি মাছ না ছুঁই পানি। এ নীতিতে চলছে ঈদগাঁও পল্লী বিদ্যুৎ। যেখানে ৩কোটি টাকা ব্যায়ে গ্রাহক সন্তুষ্টির কথা সেখানে পল্লী বিদ্যুৎ থেকে বিমুখ হয়ে উঠেছে এলাকাবাসী। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান,ব্যবসা,কলকারখানা সর্বত্রই লোড শেডিং যেন নিত্য নৈমিত্তিক ব্যাপার। ভোক্তভোগীদের মতে শীত মৌসুমে এরকম হলে গরমকালে বিদ্যুৎ পাওয়া যাবে কিনা সন্দিহান। গত বছরের জানুয়ারীতে পবিসের উর্ধ্বতন প্রকৌশলী ও কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ৩টি পাওয়ার ট্রান্সফরমার সংযোজনের মাধ্যমে উন্নীতকরণের কাজ স¤পন্ন করা হয়। প্রায় ৩ কোটি টাকা ব্যয়ে পবিস নিজস্ব অর্থায়নে এ কার্যক্রম স¤পন্ন করেন। এম ভি এ বৃদ্ধির ফলে জাতীয় গ্রীড থেকে এ ষ্টেশনে বিদ্যুত সরবরাহ পুর্বের অনুপাতে দ্বিগুণ বাড়বে এবং তীব্র লোড শেডিং থেকে স্থানীয় গ্রাহকরা মুক্তি পাবেন। ঈদগাঁও এরিয়া অফিস সূত্রে জানা যায়, উক্ত সাব-ষ্টেশনের অধিনে রামুর রশিদ নগর ও ঈদগড় সহ বৃহত্তর ঈদগাঁওর ৯ টি ইউনিয়নের বিভিন্ন শ্রেণীর প্রায় ১৫ হাজার গ্রাহক রয়েছে।
বিদ্যুতায়িত গ্রামের সংখ্যা হচ্ছে ১৪৮টি। আর বিদ্যুতের দৈনিক চাহিদা হচ্ছে ৫ মেগাওয়াট। মাষ্টারপ্ল্যান অনুযায়ী এলাকার অ-বিদ্যুায়িত গ্রাম গুলিতে বিদ্যুত সরবরাহের প্রক্রিয়া পরিকল্পনাধীন রয়েছে। কিন্তু ঈদগাঁও পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি আশার বাণী শুনালেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি। মাঝখানে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে গ্রাহক ও ঈদগাঁওর ছোট বড় শিল্প প্রতিষ্ঠান।
ঈদগাঁও পল্লী বিদ্যুতের সাব-ষ্টেশনকে ৫ এম ভি এ থেকে ১০ এম ভি এ (মেগা ভোল্ট এমপিয়ার) উন্নীত হলেও কাংখিত সুফল পাচ্ছেন না গ্রাহকরা। বিদ্যুতের ভেলকি বাজীতে দিন দিন এলাকাবাসী অতিষ্ট হয়ে উঠেছে। ফুঁসে উঠেছে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান
সহ শিল্প প্রতিষ্ঠানের মালিকরা। অন্যদিকে দফায় দফায় বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি সহ একাধিক সমস্যা নিয়ে কুড়িয়ে কুড়িয়ে চলছে ঈদগাঁও পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি। যেন দেখার কেউ নেই। থাকলেও যেন ধরি মাছ না ছুঁই পানি। এ নীতিতে চলছে ঈদগাঁও পল্লী বিদ্যুৎ। যেখানে ৩কোটি টাকা ব্যায়ে গ্রাহক সন্তুষ্টির কথা সেখানে পল্লী বিদ্যুৎ থেকে বিমুখ হয়ে উঠেছে এলাকাবাসী। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান,ব্যবসা,কলকারখানা সর্বত্রই লোড শেডিং যেন নিত্য নৈমিত্তিক ব্যাপার। ভোক্তভোগীদের মতে শীত মৌসুমে এরকম হলে গরমকালে বিদ্যুৎ পাওয়া যাবে কিনা সন্দিহান। গত বছরের জানুয়ারীতে পবিসের উর্ধ্বতন প্রকৌশলী ও কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ৩টি পাওয়ার ট্রান্সফরমার সংযোজনের মাধ্যমে উন্নীতকরণের কাজ স¤পন্ন করা হয়। প্রায় ৩ কোটি টাকা ব্যয়ে পবিস নিজস্ব অর্থায়নে এ কার্যক্রম স¤পন্ন করেন। এম ভি এ বৃদ্ধির ফলে জাতীয় গ্রীড থেকে এ ষ্টেশনে বিদ্যুত সরবরাহ পুর্বের অনুপাতে দ্বিগুণ বাড়বে এবং তীব্র লোড শেডিং থেকে স্থানীয় গ্রাহকরা মুক্তি পাবেন। ঈদগাঁও এরিয়া অফিস সূত্রে জানা যায়, উক্ত সাব-ষ্টেশনের অধিনে রামুর রশিদ নগর ও ঈদগড় সহ বৃহত্তর ঈদগাঁওর ৯ টি ইউনিয়নের বিভিন্ন শ্রেণীর প্রায় ১৫ হাজার গ্রাহক রয়েছে।
বিদ্যুতায়িত গ্রামের সংখ্যা হচ্ছে ১৪৮টি। আর বিদ্যুতের দৈনিক চাহিদা হচ্ছে ৫ মেগাওয়াট। মাষ্টারপ্ল্যান অনুযায়ী এলাকার অ-বিদ্যুায়িত গ্রাম গুলিতে বিদ্যুত সরবরাহের প্রক্রিয়া পরিকল্পনাধীন রয়েছে। কিন্তু ঈদগাঁও পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি আশার বাণী শুনালেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি। মাঝখানে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে গ্রাহক ও ঈদগাঁওর ছোট বড় শিল্প প্রতিষ্ঠান।


0 Comments