Advertisement

কুয়াশা ও শৈত্য প্রবাহে পলিথিন পদ্ধতির লবণ চাষ বিঘিœত : লবণ চাষিরা হতাশ


ঘন কুয়াশা ও শৈত্য প্রবাহে ঈদগাঁওর উপকূল এলাকায় পলিথিন পদ্ধতির লবণ চাষ বিঘিœত হচ্ছে। চলমান প্রায় সপ্তাহ ব্যাপী শৈত্য প্রবাহ ও ঘন কুয়াশায় দেশের অন্যতম
প্রধান লবণ উৎপাদনক্ষম জেলা কক্সবাজারে লবণ চাষ শুরুতেই বড় রকমের হোঁচট খেয়েছে। বিগত বছরের তুলনায় এ বছর লবণের দাম তুলনা মূলক ভাবে শুরুতে বেশি থাকলেও পরবর্তীতে তা আস্তে আস্তে কমতে শুরু করেছে। চাষীরা ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা নিয়ে একটু আগে ভাগেই লবণ উৎপাদন প্রক্রিয়া শুরু করার জন্যে প্রাথমিক আয়োজন ও প্রস্তুতি নিলেও বাঁধা হয়ে দাঁড়িয়েছে ঘন কুয়াশা ও শৈত্য প্রবাহ।
আকস্মিক শৈত্য প্রবাহ ও কুয়াশাজনিত প্রাকৃতি বিরূপতার কারণে লবণ উৎপাদন কার্যক্রম ক্রমশ পিছিয়ে যাচ্ছে। প্রায় সপ্তাহ যাবৎ সূর্য্যরে মুখ দেখা না যাওয়ায় লবণ চাষী/ব্যবসায়ীরা চলতি মৌসুমে আশানুরূপ লবণ উৎপাদনের ব্যাপারে অনিশ্চয়তায় ভোগছেন। জেলায় অন্যান্য স্থানের ন্যায় তুলনা মূলক ভাবে একটু আগেই লবণ মাঠ তৈরীর প্রক্রিয়া ও উৎপাদন শুরু করেছিলেন সদর, টেকনাফ,মহেশখালী ও কুতুবদিয়া উপজেলার লবণ চাষীগণ। এসব জমিতে ইতোমধ্যেই কানি প্রতি ৫০/৬০মণ লবণ উৎপাদিত হয়েছে। কিন্তু গত কয়েকদিনে সূর্য তাপের অভাবে লবণ মাঠে উঠানো সামুদ্রিক লোনা পানি লবণ উৎপাদনের উপযোগী করে প্রক্রিয়া জাতকরণ করা সম্ভব হচ্ছেনা। ফলে লবণ উৎপাদনে চরম বিঘিœত হচ্ছে। এদিকে সদর,চকরিয়া ও পেকুয়া উপজেলায় লবণ মাঠ প্রস্তুতির কাজ পুরোদমে শুরু হলেও প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে অধিকাংশ চাষীই এখনো উৎপাদন প্রক্রিয়া ও রপ্তানী করতে পারছেন না। সদর উপজেলার গোমাতলীর লবণ চাষী ও ব্যবসায়ী আবদুল্লাহ জানান,এ বছর তুলনামূলক ভাবে লবণের দাম কম থাকায় চাষীরা হতাশ হয়ে পড়েছেন। তবে পোকখালী গোমাতলীর লবণ চাষীরা নির্ধারিত সময়ের ১মাস আগেই চিংড়ি ঘেরের পানি শুকিয়ে লবণের মাঠ তৈরি করেছেন। কিন্তু গত কয়েকদিনের মেঘলা আকাশ ঘন কুয়াশা ও শৈত্য প্রবাহের কারণে আশানুরূপ লবণ উৎপাদন করা যাচ্ছেনা। লবণ শিল্প এলাকা ইসলামপুরের মিল মালিকগণ এরূপ বৈরী প্রাকৃতি আবহাওয়ার কারণে মাঠ পর্যায়ে লবণ উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় হতাশা প্রকাশ করেছেন। আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলমান শৈত্য প্রবাহ,ঘন কুয়াশা ও মেঘ মেধুর আবহাওয়া সহসা উন্নতি হওয়ার কোন সম্ভাবনা নেই। ফলে লবণ সংশ্লিষ্টদের মাঝে আশানুরূপ প্রত্যাশা বিনষ্ট হওয়ার সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে।

Post a Comment

0 Comments